বহুদিন ধরেই আমাদের বিসিএসে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের বেশি সুবিধা পাওয়া নিয়ে অন্যদের ক্ষোভ ছিল। তাঁদের ক্ষোভ আমলে নিয়ে যে বিষয়ে সব থেকে বেশি সমস্যা ছিল, তা বাদ দিয়ে দিচ্ছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। বিষয়টি হচ্ছে গণিত। এ যেন মাথাব্যথা তাই মাথা কেটে সমাধান নিয়ে আসা।

১২ ফেব্রুয়ারির প্রথম আলোর এক প্রতিবেদনে বলছে, বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস পরিবর্তন করে ছয়টি আবশ্যিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে পরীক্ষার নম্বর পুনর্বণ্টন করে গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা বিষয় সিলেবাস থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। এ ছাড়া লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ন্যূনতম নম্বর ৬০ শতাংশ নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিশন ছয়টি আবশ্যিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে নম্বর পুনর্বণ্টনের যে সুপারিশ করেছে, তাতে গণিতবিষয়ক কোনো কিছু নেই।

বিসিএসে গণিতকে বাদ দেওয়ার কমিশনের এ সুপারিশ অবাক করল। গণিতের জ্ঞান ছাড়া কীভাবে একজন দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা পাওয়া যাবে। আমরা সরকারি চাকরিতে বর্তমানে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি, তা হচ্ছে আধুনিকতার অভাব।

পুরোনো প্রজন্মের মানুষ আধুনিক কিছু শিখতে অপারগ। ফলাফল এখনো তাঁদের ই–মেইল লিখলে ফোনে বলে দিতে হয়, সেই ই–মেইল চেক করার জন্য আলাদা লোক আছে। ওনারা মেইলের উত্তর সরাসরি না দিয়ে টাইপিস্টদের দিয়ে চিঠি লিখে তা স্ক্যান করে অন্য কারও সহায়তা উত্তর দেন। কাজকারবারের এমন প্রক্রিয়া শুনে ক্লান্তি আসছে না? জি, এভাবেই যেখানে তিন মিনিটে মেইল রিপ্লাই দেওয়া যায়, তা তিন দিন লেগে যায়।

সামনে এআইভিত্তিক প্রযুক্তি অফিস ব্যবস্থাপনাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে। আর তার জন্য দরকার দক্ষ মানবসম্পদ। আমাদের আগের সরকারি কর্মচারীরা এই আধুনিকতার জন্য প্রস্তুত না হলেও কোটা উঠে যাওয়ার পর যে নিয়োগ হয়েছিল, তারা বর্তমান দুনিয়া নিয়ে বেশ ওয়াকিবহাল।

যখন সবাইকে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে খাপ মিলিয়ে চলতে হবে, তখন গণিত না জানা নিয়োগ আমাদের মোটামুটি আরও ১০০ বছর পিছিয়ে দেবে। গণিত ছাড়া কি চলে? গবেষকেরা বলে থাকেন, যাঁরা গণিতে ভালো, তাঁদের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। তাঁদের ক্রিয়েটিভিটি এবং যেকোনো কিছু নিয়ে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও বেশি। যে দেশ গণিতে যত ভালো, সেই দেশ তত উন্নত। জাপান, সিঙ্গাপুর বা এ রকম দেশগুলোর গণিত কারিকুলাম দেখলেই তা স্পষ্ট হয়। আমাদের চারপাশে তাকালেও তা স্পষ্ট হয়; যে ব্যক্তি গণিতে ভালো, তাঁকে কীভাবে আলাদাভাবে কদর করা হয়।

আমাদের দেশে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ)-এর ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবীদের  অধিক মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। এসব ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কোথাও কখনো প্রশ্ন উঠে না। তাঁদের পরীক্ষাতে গণিত একটা বড় বিষয়। এই মেধা দিয়েই তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বা দেশের ও শীর্ষ স্থানীয় কোম্পানিতে কাজ করছেন। আইবিএর ভর্তি পরীক্ষায় আর একটা বিষয় আছে অ্যানালিটিক্যাল রিজনিং, যা আসলে সবারই কাজে লাগে।

আমাদের অনেক দিনের দাবি ছিল বিসিএস পরীক্ষার আধুনিকায়ন। আর তা করতে গিয়ে কমিশন যে প্রস্তাব করেছে, তাতে গণিত ও মানসিক দক্ষতা ঠিক কোন হিসেবে বাদ দিল, তা আসলেই প্রশ্নসাপেক্ষ। একজন সরকারি কর্মচারীর মানসিক দক্ষতা কি আমরা দেখব না? উনি দেশ চালাবেন, সেখানে নিজের ডিপার্টমেন্টের আয়–ব্যয়ের হিসাব তাঁদের দেখতে হবে না?

বিশ্বের সঙ্গে দর–কষাকষিতে আমাদের আমলারা চরমভাবে দুর্বল। তাঁরা অর্থনীতির অনেক মারপ্যাচের হিসাব দেখতে পান না। যার প্রমাণ আমরা দেখেছি দেশের ক্ষতি হলেও ট্রানজিটসংক্রান্ত চুক্তি বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো চুক্তিতে দেশের ক্ষতি করে বিদেশিদের সুবিধা দেওয়া। তাঁরা গণিতে পাস করে এসেও ধরতে পারেননি হিসাবের মারপ্যাচে। সেখানে যাঁরা গণিত ছাড়া পাস করে আসবেন, তাঁদের কী অবস্থা হবে?

এখন কথা আসবে এই গণিত তো বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের সুবিধা দিবে। এখানেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার প্রশ্ন আসে। ভারতসহ আশপাশের দেশগুলোতে শিক্ষাব্যবস্থা এমন, তাদের প্রকৌশলীদের অনেকেই মুখে মুখে অঙ্ক করে ফেলেন।

আমাদের দেশের সবাই তো সাধারণ গণিত এসএসসি পর্যন্ত পড়ে এসেছেন। যেহেতু এইচএসসিতে সাধারণ গণিত নেই, তাই এই পরীক্ষা এসএসসির সাধারণ গণিতের ওপরই হওয়া বাঞ্ছনীয়, যাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ঠিক থাকে। কিন্তু আধুনিক বিশ্বের বাস্তবতায় এইচএসসিতেও সাধারণ গণিত নিয়ে আসা এখন দরকার।

বিসিএস নিয়ে কিছু প্রস্তাব অবশ্যই ইতিবাচক। ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা আধুনিকীকরণের আরও সুযোগ আছে। ভূগোল, সমাজ, পরিবেশ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা খুবই ভালো সিদ্ধান্ত। কিন্তু মানসিক দক্ষতা পরীক্ষার কিছু নেই। যোগাযোগ দক্ষতা, এথিকস, ইন্টিগ্রিটি, লজিক্যাল রিজনিংসহ একটা বিষয় অন্তর্ভুক্তি করার দরকার। আমাদের সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি, অপেশাদারি ব্যবহার, যোগাযোগ অদক্ষতা সর্বজনীন। তাই গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয় ফিরিয়ে নিয়ে এসে, সঙ্গে এই নতুন বিষয় যুক্ত করে আমাদের বিসিএস পরীক্ষার সিলেবাস আধুনিকীকরণ সম্ভব।

আমাদের দেশের অনেক প্রবাসীই বিদেশে সরকারি কাজে নিয়োজিত আছেন। তাঁদের কাছ থেকে তাঁদের অভিজ্ঞতা নেওয়া যেতে পারে। আমাদের শিক্ষা গবেষকেরাও এই ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে।

আমাদের প্রয়োজন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ যাঁদের হাত দিয়ে চলবে খুঁজে বের করা এবং তার জন্য যা যা সংস্কার দরকার, তা করার এখনই উপযুক্ত সময়। যদি না পারি, সামনে আসা ‘এআই’–এর জগৎ বা চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা মধ্যম আয়ের বাংলাদেশে হওয়ার লক্ষ্য সবকিছুতেই আমরা অনেক পিছিয়ে পড়ব।

সুবাইল বিন আলম টেকসই উন্নয়নবিষয়ক কলামিস্ট

ই-মেইল: [email protected]

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: পর ক ষ র র অন ক র জন য ব স এস দরক র সরক র ব যবস

এছাড়াও পড়ুন:

পরিসংখ্যান ব্যুরোতে বড় নিয়োগ, পদ ৪৭২, আবেদন শেষ শনিবার

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রাজস্ব খাতভুক্ত একাধিক শূন্য পদে জনবল নিয়োগের আবেদন শেষ হচ্ছে আগামী শনিবার। এই প্রতিষ্ঠানে ২০ ক্যাটাগরির পদে ১২ থেকে ১৬তম গ্রেডে মোট ৪৭২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এর আগে বিজ্ঞাপনে বর্ণিত ২০ ক্যাটাগরির ৪৭২টি পদ, ২১ ক্যাটাগরির ৭১৪টি পদ এবং ৭ ক্যাটাগরির ১৩৪টি পদের অতিরিক্ত এসব পদ।

১. পদের নাম: সিনিয়র নকশাবিদ

পদসংখ্যা: ৪

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল বা ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা (গ্রেড-১২)

২. পদের নাম: পরিসংখ্যান সহকারী

পদসংখ্যা: ৮৫

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিত বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৩. পদের নাম: ইনুমারেটর

পদসংখ্যা: ৪

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিত বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৪. পদের নাম: জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী

পদসংখ্যা: ২২৬

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিত বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৫. পদের নাম: এডিটিং অ্যান্ড কোডিং অ্যাসিস্ট্যান্ট

পদসংখ্যা: ১১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিত বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৬. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ১০

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৭. পদের নাম: নকশাবিদ

পদসংখ্যা: ৩

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল বা ভূগোল ও পরিবেশবিজ্ঞান বিষয়ে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৮. পদের নাম: হিসাবরক্ষক

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। বেসিক কম্পিউটার কোর্স পাস হতে হবে।

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

৯. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী

পদসংখ্যা: ৮

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। বেসিক কম্পিউটার কোর্স পাস হতে হবে।

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১০. পদের নাম: ক্যাশিয়ার

পদসংখ্যা: ২

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। বেসিক কম্পিউটার কোর্স পাস হতে হবে।

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১১. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ৯

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান হতে সাঁটলিপি ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষর কোর্স পাস হতে হবে। সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন বাংলায় ৪৫ ও ইংরেজিতে ৭০ শব্দ এবং কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন বাংলায় ২৫ ও ইংরেজিতে ৩০ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১২. পদের নাম: জুনিয়র নকশাবিদ

পদসংখ্যা: ৯

যোগ্যতা: ড্রাফটসম্যানশিপে ডিপ্লোমা ডিগ্রি

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১৩. পদের নাম: কম্পোজিটর

পদসংখ্যা: ৪

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। বেসিক কম্পিউটার কোর্স পাস হতে হবে।

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১৪. পদের নাম: স্টোরকিপার

পদসংখ্যা: ১

যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)

১৫. পদের নাম: ডেটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর

পদসংখ্যা: ৪২

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৬. পদের নাম: ডুয়েল ডেটা অপারেটর

পদসংখ্যা: ১২

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

আরও পড়ুনশিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ, সংশোধিত পদ ১৮৭১৩ মার্চ ২০২৫

১৭. পদের নাম: কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ১০

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৮. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক

পদসংখ্যা: ২৩

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরে প্রতি মিনিটে বাংলায় ২০ ও ইংরেজিতে ২০ শব্দের গতি থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

১৯. পদের নাম: বুক বাইন্ডার

পদসংখ্যা: ৩

যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। পাবলিকেশন ও স্টেশনারি বাঁধাই কাজে অন্যূন তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

২০. পদের নাম: গাড়িচালক

পদসংখ্যা: ৫

যোগ্যতা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস। হালকা বা ভারী যানবাহন চালনার বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

বয়স

১ মার্চ ২০২৫ তারিখে আবেদনকারীর সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়স হবে ১৮ থেকে ৩২ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো অ্যাফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

আরও পড়ুনখাদ্য অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ, ১৩ থেকে ১৯তম গ্রেডে পদ ১৭৯১১১ মার্চ ২০২৫আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের এই ওয়েবসাইটে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য একই ওয়েবসাইট বা বিবিএসের ওয়েবসাইটের এই লিংকে জানা যাবে। অনলাইনে আবেদন করতে কোনো সমস্যা হলে টেলিটক নম্বর থেকে ১২১ নম্বরে অথবা যেকোনো অপারেটর থেকে ০১৫০০-১২১১২১ নম্বরে কল করা যাবে। এ ছাড়া [email protected] ঠিকানায় ই-মেইলে যোগাযোগ করা যাবে। মেইলের সাবজেক্টে প্রতিষ্ঠান ও পদের নাম এবং ইউজার আইডি ও যোগাযোগের নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

আরও পড়ুনপাওয়ার গ্রিডে চাকরি, মূল বেতন ১ লাখ ২০ হাজার, আছে সার্বক্ষণিক গাড়ি২৯ মার্চ ২০২৫আবেদন ফি

অনলাইনে আবেদন করার অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষা ফি বাবদ ১ নম্বর পদের জন্য ১৫০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১৮ টাকাসহ মোট ১৬৮ টাকা; ২ থেকে ২০ নম্বর প্রতিটি পদের জন্য ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা এবং সব গ্রেডের জন্য (অনগ্রসর নাগরিক: ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ) আবেদন ফি বাবদ ৫০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ৬ টাকাসহ মোট ৫৬ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মুঠোফোন নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ৫ এপ্রিল ২০২৫, বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

আরও পড়ুনওজোপাডিকোতে চাকরি, মূল বেতন ১ লাখ ৭৫ হাজার, আছে সার্বক্ষণিক গাড়ি৩০ মার্চ ২০২৫

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • পরিসংখ্যান ব্যুরোতে বড় নিয়োগ, পদ ৪৭২, আবেদন শেষ শনিবার
  • আনন্দমোহন কলেজের এইচএসসি ৯৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের খাবার বিতরণ