চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জাহিদুল ইসলাম নামে অটোরিকশাচালককে হত্যার প্রতিবাদ এবং দোষীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন শ্রমিকরা। সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মসূচিতে কয়েকশ রিকশাচালক অংশ নেন।
বাঁশখালী উপজেলা অটোরিকশাচালক-শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য দেন অটোরিকশা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমির হোসেন কোম্পানি, উপদেষ্টা আবদুর রশিদ, আবদুল মজিদ, নুরুল কবির, জাফর আহমদ, শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ শফিক, হাবিবুর রহমান, আবদুল মান্নান, হোছন আহমদ, বিকাশ বড়ুয়া, নিহতের মা সাদেকা বেগম প্রমুখ।
বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জামশেদুল আলম ও থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে স্মারকলিপি দেন।
গত শনিবার রাতে বাঁশখালীর সরল কানুনগোখীল এলাকায় জাহিদুল ইসলাম খুন হন। এ ঘটনায় পুলিশ ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোহাম্মদ আরমান নামে এক হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করে। জাহিদুল ইসলাম পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ড ভাদালিয়া এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ল ইসল ম
এছাড়াও পড়ুন:
ঢাবিতে বর্ণাঢ্য ঈদ শোভাযাত্রা
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য ঈদ শোভাযাত্রা বের করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদ, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদসহ বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতারা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআ’য় ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাতের পর শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি টিএসসি হয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।
আরো পড়ুন:
বাকৃবির রাজিয়া হলে চার গণরুমে ১২৬ ছাত্রী, ৩২ জনের একটি বাথরুম
দেশের ১১৬তম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘গ্রামীণ ইউনিভার্সিটি’
অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। এ উপলক্ষে তিনি সবার জন্য অনাবিল সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
উপাচার্য বলেন, বর্তমানে দেশ এক কঠিন সময় অতিক্রম করছে। এ পরিস্থিতিতে সব ভেদাভেদ ভুলে সকলকে সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে। পরস্পর হাত ধরাধরি করে সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। মাহে রমজানের আত্মশুদ্ধি ও সংযমের শিক্ষা গ্রহণ করে ব্যক্তিগত জীবনে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও সহনশীলতার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।
উন্নত, উদার ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার জন্য সবার প্রতি আহ্বান রাখেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
ঢাকা/সৌরভ/রাসেল