২৪ লাখ শিশুর জীবন বাঁচানো অস্ট্রেলীয় রক্তদাতার মৃত্যু
Published: 3rd, March 2025 GMT
বিশ্বের অন্যতম রক্তদাতা জেমস হ্যারিসন মারা গেছেন। তাঁর প্লাজমা ২৪ লাখের বেশি শিশুর জীবন বাঁচিয়েছে।
আজ সোমবার অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি নার্সিং হোমে ঘুমন্ত অবস্থায় জেমস হ্যারিসন মারা গেছেন বলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।
অস্ট্রেলিয়ায় সোনালি বাহু মানুষ হিসেবে পরিচিত হ্যারিসনের রক্তে একটি বিরল অ্যান্টিবডি অ্যান্টি-ডি ছিল, যা গর্ভবতী মায়েদের ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
অস্ট্রেলিয়ান রেড ক্রস ব্লাড সার্ভিস হ্যারিসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছে, ১৪ বছর বয়সে বুকে একটি বড় অস্ত্রোপচারের সময় তিনি দাতা হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ওই সময় অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর রক্ত লেগেছিল।
হ্যারিসন ১৮ বছর বয়সে তাঁর রক্তের প্লাজমা দান শুরু করেছিলেন এবং ৮১ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতি দুই সপ্তাহে তিনি প্লাজমা দিয়েছেন।
২০০৫ সালে সর্বাধিক রক্তের প্লাজমা দান করার বিশ্ব রেকর্ড ছিল হ্যারিসনের। ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি এ খেতাব ধরে রেখেছিলেন।
হ্যারিসনের মেয়ে ট্রেসি মেলোশিপ বলেন, তাঁর বাবা কোনো খরচ বা কষ্ট ছাড়াই এত জীবন বাঁচাতে পেরে খুব গর্বিত ছিলেন। তিনি সব সময় বলতেন, রক্তদানে কোনো ক্ষতি হয় না এবং আপনি যে জীবন বাঁচান, তা আপনার নিজেরও হতে পারে।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: জ বন ব
এছাড়াও পড়ুন:
মোদি ভাল বন্ধু, তবে... সঠিক আচরণ করছে না: ট্রাম্প
এই মুহূর্তে সারাবিশ্বের সংবাদমাধ্যমগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশ্বের এমন কোনো দেশ বাকী নেই যার ওপর ট্রাম্প শুল্ক আরোপ করেননি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বন্ধু বলে দাবি করলেও শুল্কের বেলায় ট্রাম্প দিল্লিকে ছাড় দেননি। তিনি ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। বুধবার এই শুল্ক ঘোষণার সময় ট্রাম্পের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বন্ধুত্বের বিষয়টিও উঠে আসে।
ট্রাম্প বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) কিছুদিন আগেই এখান থেকে ঘুরে গিয়েছেন। তিনি আমার ভাল বন্ধু। কিন্তু আমি তাকে বলেছি, আপনি আমার বন্ধু, তবে আপনি আমাদের সঙ্গে ঠিকঠাক আচরণ করছেন না।”
তিনি বলেন, “ভারত আমাদের ওপর ৫২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছে, তো আমরা তাদের চার্জ করছি তার অর্ধেক, ২৬ শতাংশ।”
প্রসঙ্গত, ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বা পাল্টা শুল্ক মানে, যে দেশ আমেরিকার ওপর যতটা শুল্ক চাপাচ্ছে, সেই দেশের পণ্যে পাল্টা তার উপযুক্ত শুল্ক চাপাচ্ছে আমেরিকা। ২ এপ্রিল থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে।
ঢাকা/শাহেদ