শেখ পরিবারের নাম আরও ২৯ প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বাদ
Published: 3rd, March 2025 GMT
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আরও ২৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গতকাল রোববার এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারির প্রজ্ঞাপনে ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল।
রোববারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামকরণ ও বিদ্যমান নাম পরিবর্তন নীতিমালা, ২০২৩ অনুযায়ী ২৯টি বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা হলো। বিদ্যালয়গুলো হলো—বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদারগঞ্জ, জামালপুরের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে লালডোবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদারগঞ্জ, জামালপুর, বেতাগা বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদারগঞ্জ, জামালপুর পরিবর্তন করে বেতাগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদারগঞ্জ, জামালপুর, মুজিবনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুরের পরিবর্তিত নাম ভবেরপাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুজিবনগর, মেহেরপুর, চর কচ্ছপিয়া শেখ রাসেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলার পরিবর্তিত নাম দ্বীপাঞ্চল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলা, আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলার পরিবর্তিত নাম মধ্য রায়রাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলা, ফারজানা চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলার পরিবর্তিত নাম দক্ষিণ সাতানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলা, ফারজানা চৌধুরী রতনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলার পরিবর্তিত নাম রমাগঞ্জ কিশলয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলা, পূর্ব ফুলবাগিচা ফারজানা চৌধুরী (রত্না) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলার পরিবর্তিত নাম পূর্ব ফুলবাগিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালমোহন, ভোলা, ফজিলাতুননেছা সরকারি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়, তজুমদ্দিন, ভোলার পরিবর্তিত নাম তজুমদ্দিন আইডিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তজুমদ্দিন, ভোলা, গোলকপুর ফজলুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তজুমদ্দিন, ভোলার পরিবর্তিত নাম গোলকপুর হাটখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তজুমদ্দিন, ভোলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুনবিনা মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, আছে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা৮ ঘণ্টা আগেবঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেটের পরিবর্তিত নাম গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট, শালকোনা হাসিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহের পরিবর্তিত নাম মধ্য শালকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ, মাসকান্দা শেখ রাসেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাকান্দা, ময়মনসিংহের পরিবর্তিত নাম পশ্চিম মাসকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তারাকান্দা, ময়মনসিংহ, উত্তর লালখান বাজার শেখ রাসেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডবলমুরিং, চট্টগ্রামের পরিবর্তিত নাম উত্তর লালখান বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডবলমুরিং, চট্টগ্রাম, বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চান্দগাঁও, চট্টগ্রামের পরিবর্তিত নাম বাকলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম, চান্দি বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিবর্তিত নাম চান্দি উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দীর্ঘভূমি বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লার পরিবর্তিত নাম দীর্ঘভূমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা, ১৬২ নম্বর বঙ্গবন্ধু মাহপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম শাপলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ, ১৭৯ নম্বর শেখ ফজলুল হক মনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম ঝিনুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ, ২১৪ নম্বর বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম শিউলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন২৭ প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শেখ পরিবারের নাম বাদ৮ ঘণ্টা আগে৭০ নম্বর বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম বকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৪৯ নম্বর গিমাডাঙ্গা মধ্যপাড়া শেখ ফজিলাতুননেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম কদম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৫৯ নম্বর শেখ কামাল স্মৃতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম গোলাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৪৩ নম্বর কুশলী শেখ মোশাররফ হোসেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম শিমুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৪৮ নম্বর কাজীপাড়া সরদারপাড়া এস এম মুসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম বেলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৬৬ নম্বর খান সাহেব শেখ মোশাররফ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম টগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ১৯৬ নম্বর শেখ রাসেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জের পরিবর্তিত নাম দোয়েল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ, বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, সিরাজগঞ্জের পরিবর্তিত নাম যমুনা সেতু পশ্চিম পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, সিরাজগঞ্জ এবং দক্ষিণ দেশীবাই বঙ্গবন্ধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জলঢাকা, নীলফামারীর পরিবর্তিত নাম দক্ষিণ দেশীবাই স্বপ্নের সিঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জলঢাকা, নীলফামারী করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুনআজ থেকে ৪০ দিনের ছুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে০২ মার্চ ২০২৫আরও পড়ুনশেখ পরিবারের নাম ১১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাদ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫আরও পড়ুনশেখ পরিবারের নামে থাকা ১৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত১৬ জানুয়ারি ২০২৫.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: শ খ পর ব র র ন ম শ খ র স ল সরক র গ প লগঞ জ সদর ব র হ মণব ড় য় ম দ রগঞ জ র সরক র
এছাড়াও পড়ুন:
শোলাকিয়ায় ১৯৮তম ঈদের জামাত, ৫ লক্ষাধিক মুসুল্লীর নামাজ আদায়
এবারও দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ-উল-ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হলো কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়ায়। পাঁচ লক্ষাধিক মুসুল্লীর অংশগ্রহণে ১৯৮তম ঈদের জামাতে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ ছিল পরিপূর্ণ।
কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে মাঠের ভেতরের কাতার উপচে বাইরেও কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় ঈদগাহ ময়দান। নামাজ শেষে মোনাজাতে বিশ্বশান্তি ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।
সোমবার (৩১ মার্চ) ভোরের আলো ফোটার আগেই নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয় শোলাকিয়া ও আশাপাশের এলাকা। চার স্তরের অধিক নিরাপত্তাবেষ্টনী পার হয়ে মুসল্লিদের ঢুকতে হয় ঈদগাহ মাঠে। সকাল ৯টার আগেই জনসমুদ্রে পরিণত হয় শোলাকিয়া। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে জামাতে ছাতা, লাঠিসোটা, দিয়াশলাই কিংবা লাইটার নিয়ে মাঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। বড় জামাতে অংশ নিলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়-এমন বিশ্বাস থেকেই মুসল্লিদের ঢল নামে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে।
এদিন সকাল ১০টায় ঈদ-উল-ফিতরের জামাত শুরু হয়। এতে ইমামতি করেন ইমাম মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রাজনৈতিক কারণে ইমামতি থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে। এবার নতুন করে আবার পুনর্বহাল করায় তিনিও অন্যন্ত আনন্দিত।
মুসল্লিদের ঢল শুরু হয় ভোর থেকেই। ঈদগাহমুখী সব রাস্তাঘাটে কয়েক ঘণ্টার জন্য যান চলাচল বন্ধ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জামাত শুরুর ঘণ্টাখানেক আগেই সাত একর আয়তনের শোলাকিয়া মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়। অনেকে আবার মাঠে জায়গা না পেয়ে পার্শ্ববতী রাস্তা, তিনপাশের ফাঁকা জায়গা, নদীর পাড় ও আশপাশের বাসাবাড়ির ছাদে উঠে জামাতে শরিক হয়েছেন।
অন্যদিকে নারীদের জন্য শহরের সরযূবালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৃথক ঈদ জামাতের আয়োজন করা হয়। সেখানেও বহু নারী ঈদ জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শুরুর আগে মুসল্লিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী।
কুমিল্লা থেকে এবারই প্রথম এ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন কবির উদ্দিন ভূইয়া (৫৩)। তিনি গত রাতেই এসেছেন, উঠেছেন একটি আবাসিক হোটেলে।
তিনি বলেন, “বহু বছর ধরে এ মাঠের সুখ্যাতি শুনে আসছি। এবার আল্লাহ দরবারে নিয়ত করেছিলাম, তিনি আমার আশাপূর্ণ করেছেন। খুব ভালো লাগলো এখানে এসে। লাখ লাখ মুসুল্লীর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।”
মাঠের সুনাম ও নানা জনশ্রুতির কারণে ঈদের কয়েক দিন আগেই কিশোরগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চল ও সারাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে শোলাকিয়ায় মুসল্লিদের সমাগম ঘটে। এদের অনেকেই উঠেছিলেন হোটেলে, কেউবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে ও শোলাকিয়া ঈদগাহ মিম্বরে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা রহমত ব্যাপারী (৬৫)। ভোরে পরিবারের পাঁচজনকে সাথে ট্রেনযোগে পৌছান শোলাকিয়া মাঠে। প্রতিবছরই তারা এ মাঠে ঈদের জামাতে অংশ নেন। তিনি বলেন, “রোদ-বৃষ্টি বুঝি না। শুধু জানি যতদিন বেঁচে আছি-এখানে আসতেই হবে। এখানে এলে অন্যরকম এক শান্তি খুঁজে পাই। বড় জামাতে নামাজ আদায় করলে আল্লাহতালা মনের আশাও পূরণ করেন।”
দূর-দূরান্তের মুসুল্লিদের যাতায়াতের জন্য শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি ট্রেন চালু ছিল। ময়মনসিংহ ও ভৈরব থেকে এ দুটি বিশেষ ট্রেন সকালে জামাতের আগে কিশোরগঞ্জে পৌঁছায়। এছাড়া মুসল্লিদের ওজু ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা, মেডিক্যাল টিম, ফায়ার সার্ভিসসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা ছিল শোলাকিয়া মাঠে।
কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী (বিপিএম) জানান, ২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গী হামলার কথা মাথায় রেখে মাঠে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জামাতের সময় পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব, আনসার সদস্যের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি ছিল বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার।
নিরাপত্তার কাজে প্রথমবারের মতো এবার যুক্ত ছিল সেনাবাহিনীও। মাঠে ছিল ড্রোন ও মাইনো কোলারসহ ভিডিও ক্যামেরা। মাঠ ও শহরসহ প্রবেশ পথগুলো সিসি ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়। এছাড়া মাঠে ছিল ছয়টি ওয়াচ। সেখান থেকে দূরবীন নিয়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।
নামাজ শুরু করার সঙ্কেত হিসেবে রেওয়াজ অনুযায়ী শোলাকিয়ার ঈদ জামাত শুরুর পাঁচ মিনিট আগে শটগানে তিনটি, তিন মিনিট আগে দুটি ও এক মিনিটি আগে একটি গুলির আওয়াজ করা হয়।
জনশ্রুতি রয়েছে, শোলাকিয়ার সাহেববাড়ির সুফি সৈয়দ আহম্মদ ১৮২৮ সালে তার নিজ জমিতে ঈদের জামাতের আয়োজন করেন। ঈদের প্রথম জামাতে তখন সোয়া লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। পরে উচ্চারণ বিবর্তনে সোয়া লাখ থেকে সোয়ালাখিয়া এবং সেখান থেকে শোলাকিয়া শব্দটি প্রচলিত হয়েছে।
ঢাকা/রুমন/এস