১ মার্চ থেকে সামান গ্রুপের চিফ অপারেটিং অফিসার বা প্রধান পরিচালন কর্মকর্তার দায়িত্ব নিয়েছেন আজম খান। এর আগে তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির হেড অব কমিউনিকেশনস পদে কর্মরত ছিলেন। সামান গ্রুপ লুব্রিক্যান্ট, কৃষি ও খাদ্য, ওয়ার্ক টার্মিনাল (কো-ওয়ার্কিং স্পেস), ই-কমার্স, প্রপার্টিজ ও কমিউনিকেশনস খাতে ব্যবসা পরিচালনা করছে।

আজম খান ১৯৮৮ সালে ভলান্টারি হেলথ সার্ভিসেস সোসাইটিতে (ভিএইচএসএস) সহকারী প্রকাশনা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীকালে কারিতাস বাংলাদেশে জনসংযোগ কর্মকর্তা, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির জনসংযোগ কর্মকর্তা, ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক পিএলসির জনসংযোগ কর্মকর্তা, ঢাকা ব্যাংক পিএলসির জনসংযোগ প্রধান ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক পিএলসির বিপণন, উন্নয়ন ও জনসংযোগ বিভাগের প্রধান ছিলেন।

১৯৮৮ সালে আজম খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ক প এলস র কর মকর ত আজম খ ন জনস য গ

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ