গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত নারীর পরিচয় মিলেছে
Published: 3rd, March 2025 GMT
গাইবান্ধায় ট্রেনে কাটা পড়ে নুরিনা বেগম (৪৩) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাতে শহরের রেল স্টেশনের উত্তরে সরকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সোমবার (৩ মার্চ) সকালে রেলওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। দীর্ঘসময় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও আজ দুপুরে তার পরিচয় শনাক্ত করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
নিহত নুরিনা বেগম গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রামপুরা গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে সোমবার সকালে রেলওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আরো পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার
সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ট্রেন চলাচল শুরু
সেনাসদস্যকে মারধর করায় রেলওয়ের ৩ কর্মচারী আটক
ডিআরপি রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো.
বোনারপাড়া রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ইসলাম বলেন, “নিহত ওই নারীর পরিচয় পাওয়ার পর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তিনি কি কারণে বা কিভাবে মারা গেছেন, সে ব্যাপারে এখনো কিছু জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলার হবে।”
গাইবান্ধা/মাসুম/সাইফ
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
রাজধানীতে ছিনতাই হওয়া মুঠোফোন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫: র্যাব
রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় মুঠোফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতে পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই করা একটি মুঠোফোন উদ্ধার করার কথা র্যাব জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একজন কিশোর। প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মারুফ (২২), মোহাম্মদ হৃদয় (২০), মো. সোহান (২৫) ও মোহাম্মদ রায়হান (১৮)। আরেকজন বয়সে কিশোর।
র্যাব-১-এর কোম্পানি কমান্ডার (সিপিসি-২) মেজর মুহাম্মদ আহনাফ রাসিফ বিন হালিম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি এলাকায় এক ব্যক্তির মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুই ছিনতাইকারী। পরে ভুক্তভোগী ব্যক্তি র্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। বলেন, ছিনতাইকারীদের বিমানবন্দর রেলস্টেশনে অবস্থান করতে দেখেছেন তিনি। এই তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১-এর নৈশকালীন টহল দল এলাকাটিতে অভিযান চালিয়ে তিন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা র্যাব কর্মকর্তাদের বলেন, আবদুল্লাহপুরের বস্তিতে মুঠোফোনটি সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।
মেজর মুহাম্মদ আহনাফ রাসিফ বিন হালিম আরও বলেন, পরে র্যাবের দলটি গ্রেপ্তার তিন ছিনতাইকারীকে নিয়ে বস্তিতে অভিযান চালায়। তখন ছিনতাই করা মুঠোফোনটি আরেক চক্রের কাছে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করার জন্য দরদাম ঠিক হচ্ছিল। এ সময় মুঠোফোনটি উদ্ধার করে র্যাব। এ ছাড়া আরও দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।