ইনজুরির ছোবলে দীর্ঘদিন নিজের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি নেইমারকে। তবে সৌদি প্রো লিগ ছেড়ে পুরোনো ঠিকানা সান্তোসে ফিরে যেন পুরনো রূপেই ফিরেছেন তিনি। মাঠে নামতেই চেনা ম্যাজিক দেখালেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ব্রাগাটিনোকে ২-০ গোলে হারিয়েছে সান্তোস।

নিজেদের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় সান্তোস। মাত্র ৯ মিনিটেই ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে নেন নেইমার। চোখ ধাঁধানো সেই শটে ব্রাগাটিনোর গোলরক্ষক কিছুই করতে পারেননি। এরপরও দারুণ সব ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ভীতি ছড়ান তিনি। ৫৬ মিনিটে স্মিডিট দ্বিতীয় গোল করে সান্তোসের জয় নিশ্চিত করেন। নেইমারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে তাকে ম্যাচসেরার পুরস্কার দেওয়া হয়।

আল হিলাল ছেড়ে সান্তোসে ফেরার পর এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলেছেন নেইমার, যার মধ্যে ৬ বারই ছিলেন শুরুর একাদশে। সব মিলিয়ে ৫০৮ মিনিট মাঠে কাটানো নেইমার এরই মধ্যে করেছেন ৩ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট। ৭ ম্যাচের মধ্যে ৪ বার হয়েছেন ম্যাচসেরা।

দীর্ঘ ইনজুরির পর এমন প্রত্যাবর্তনকে স্বপ্নের মতোই মনে হচ্ছে নেইমারের কাছে। ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে এই স্বপ্ন থেকে জাগাবেন না।’

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

পদত্যাগ করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ওয়াল্টার

চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা বলের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টার। চার বছরের জন্য নিয়োগ পেলেও মাত্র দুই বছর পরই তিনি পদত্যাগ করলেন।

দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ব্যক্তিগত কারণেই ওয়াল্টার দায়িত্ব ছাড়ছেন। তবে গুঞ্জন রয়েছে, দলের অধিকাংশ দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দুর্বল পারফরম্যান্স ও নিউজিল্যান্ড থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় নিয়মিত ভ্রমণের চাপ তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্বমঞ্চে বেশ সফল ছিলেন ওয়াল্টার। তার অধীনেই প্রোটিয়ারা প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল। এছাড়া ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে খেলেছে দল।

তবে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দল ভালো করতে পারেনি। ওয়াল্টারের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা সাতটি ওয়ানডে সিরিজের মধ্যে তিনটিতে হেরেছে, আর আটটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের মধ্যে মাত্র একটি জিতেছে। এই পারফরম্যান্সও হয়তো তার পদত্যাগের অন্যতম কারণ।

প্রোটিয়াদের সামনে এখন ব্যস্ত সূচি। জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ, এরপর অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড সফর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ, এবং ২০২৬ সালে রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • হামজার আগমনে র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগোলো বাংলাদেশ
  • বিশ্বকাপে জায়গা পেতে যে পরিকল্পনার কথা জানালেন জ্যোতি
  • পদত্যাগ করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ওয়াল্টার
  • অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ভারতকে তুলোধুনা করা কনস্টাস