কোনো অনুমোদন ছাড়াই যত্রতত্র ট্যাং কারখানা গড়ে উঠছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তা বাজারজাতও করা হচ্ছে। অভিযোগ পেয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের মৌলভীর হাটে অভিযান চালিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা।

এসময় ‘Taha me Orange’ নামে অনুমোদনহীন একটি ট্যাং তৈরি প্রতিষ্ঠানের এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। 

রোববার (২ মার্চ) বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা এ জরিমানা করেন। 

উপজেলা প্রশাসন জানায়, ট্যাং তৈরির ওই প্রতিষ্ঠানটিতে পুলিশের সহযোগিতায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অনিবন্ধিত অবস্থায় খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ ও বিক্রয় করার অপরাধে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী ‘Taha me Orange’ এর সত্ত্বাধিকারীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরিকৃত খাদ্যদ্রব্যের নমুনা বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়। 

জনস্বার্থে এ অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা।

ঢাকা/লিটন/টিপু 

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর কর মকর ত উপজ ল

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদের শাড়ি পরে রান্নার সময় আগুন লেগে গৃহবধূর মৃত্যু

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরে রান্না করার সময় আগুন লেগে ঊর্মি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকালে আগুনে দগ্ধ হন ঊর্মি। ওইদিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ঊর্মি (২৫) উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের খাসখামা গ্রামের দেয়াঙ আলী চৌধুরীবাড়ির নঈম উদ্দিন ওরফে বাঁচা মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরা অবস্থায় ঊর্মি রান্না করছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চুলা থেকে শাড়িতে আগুন ধরে যায়। এক পর্যায়ে তিনি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাড়িতে আগুন লেগে গৃহবধূ ঊর্মির শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৈয়্যবুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ