ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবই সংশোধন ও পরিমার্জন কমিটির সদস্য রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মার্চ) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক নূরে আলমের আদালতে মামলার আবেদন করেন সাজ্জাদ হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো.

জুয়েল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, “আমরা ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন জমা দিয়েছি। কিছুক্ষণের মধ্যে এ বিষয়ে শুনানি হবে।”

মামলায় অভিযোগ বলা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাখাল রাহা ওরফে সাজ্জাদুর রহমান ইসলাম ধর্মকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দেন। সাজ্জাদ হোসেন বিভিন্ন মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মতিঝিল থানায় মামলা করতে যান। তবে, থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। সেই মোতাবেক সোমবার আদালতে এসে মামলার আবেদন করেন সাজ্জাদ হোসেন।

মামলার অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে এবং সাক্ষীদের তলব করে ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের পক্ষে সুবিচার নিশ্চিতের প্রার্থনা করেন সাজ্জাদ হোসেন।

ঢাকা/মামুন/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদের শাড়ি পরে রান্নার সময় আগুন লেগে গৃহবধূর মৃত্যু

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরে রান্না করার সময় আগুন লেগে ঊর্মি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকালে আগুনে দগ্ধ হন ঊর্মি। ওইদিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

ঊর্মি (২৫) উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের খাসখামা গ্রামের দেয়াঙ আলী চৌধুরীবাড়ির নঈম উদ্দিন ওরফে বাঁচা মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরা অবস্থায় ঊর্মি রান্না করছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চুলা থেকে শাড়িতে আগুন ধরে যায়। এক পর্যায়ে তিনি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাড়িতে আগুন লেগে গৃহবধূ ঊর্মির শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।

আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৈয়্যবুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ