বলিভিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একটি মহাসড়কে গত শনিবার দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে ৮ শিশুসহ অন্তত ৩৭ জন নিহত এবং ৪১ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। এটি এ বছরে এখন পর্যন্ত দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা।

কর্নেল উইলসন ফ্লোরেস এএফপিকে বলেন, উয়ুনি শহরের কাছে এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহত ছাড়াও এ দুর্ঘটনায় ৪১ জন আহত হয়েছেন এবং তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ছয়জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের পাঁচজন পেরুর নাগরিক এবং তিন বছর বয়সী এক জার্মান মেয়েশিশুও রয়েছে।

শনিবার সকালে একটি সরু দ্বিমুখী রাস্তায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, একটি বাস ওরোরো প্রদেশের দিকে যাচ্ছিল। সেখানে লাতিন আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম উৎসব ওরোরো কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎসবকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার মানুষ এখানে আসেন। সরকারি তথ্য অনুসারে, প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাসিন্দার দেশটিতে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় গড়ে ১ হাজার ৪০০ মানুষ মারা যান।

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: দ র ঘটন

এছাড়াও পড়ুন:

ময়মনসিংহে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু 

ময়মনসিংহে গোসল করতে গিয়ে পুকুরে ডুবে রায়হান নামে ১০ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রায়হান নগরীর কলেজ রোড একাডেমী এলাকার শাহপরান ও শারমিন আক্তারের ছেলে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল টাউন হলে ঈদগাহ মাঠের পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ময়মনসিংহ ইউনিটের স্টেশন অফিসার জুলহাস উদ্দিন। ফায়ার সার্ভিস ও পরিবার সূত্র জানায়, সকাল ১ টায় নিহত রায়হান ও তার বন্ধুরা মিলে আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে খেলতে গিয়েছিল। খেলা শেষে সবাই পুকুরে নামে। গোসল শেষে সবাই উঠে এলেও রায়হানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারা গিয়ে বিকেলে পরিবারের কাছে খবর দেয়। 

পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে, ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। রাত ৮টার দিকে রায়হানকে ডুবুরি দল উদ্ধার করে। 

স্টেশন অফিসার জুলহাস উদ্দিন সমকালকে জানান, শিশুটির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিভাবকের অসচেতনতা এবং সাঁতার না জানার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ