সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (২ মার্চ) অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানা বড়বাড়ি ধর্মপুর এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের মেয়ে রুমা আক্তার ও জেলা রংপুর পীরগন্জ থানার ধনশালা এলাকার মৃত সোবহানের মেয়ে ফারজানা আক্তার বিথী। 

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদেও বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: স দ ধ রগঞ জ ন র য়ণগঞ জ স দ ধ রগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

কক্সবাজারে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়, খালি নেই হোটেল-মোটেল

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলে কোনো কক্ষ খালি নেই। হোটেলমালিকদের তথ্য অনুযায়ী, ঈদের দ্বিতীয় দিন গত মঙ্গলবার থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ।

শুক্রবার সকালে শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাসে করে কক্সবাজারে আসছেন পর্যটকেরা। তাঁদের অনেকেই হোটেলের কক্ষ না পেয়ে সড়কে, রেস্তোরাঁয় ও বাস কাউন্টারে বসে সময় কাটাচ্ছেন। কেউ একটি কক্ষ ভাড়া পেলেই সেখানে ৮-৯ জন গাদাগাদি করে থাকছেন।

বেলা ১১টার দিকে সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে দেখা যায়, দুই কিলোমিটার সৈকতজুড়ে পর্যটকের ভিড়। এর বেশির ভাগই সমুদ্রের পানিতে নেমে গোসল করছেন। দক্ষিণের কলাতলী ও উত্তরের দিকের সিগাল ও লাবণী পয়েন্টেও মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। পর্যটকদের সেবায় সৈকতে কর্মরত দেখা যায়, লাইফগার্ডের ২৭ জন স্বেচ্ছাসেবী, ৩৪ জন বিচকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের শতাধিক সদস্যকে।

সমুদ্রসৈকতে কথা হয় নুরুল হুদা (৪৫) নামের এক পর্যটকের সঙ্গে। পেশায় ব্যবসায়ী এই পর্যটক স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে এসেছেন ঢাকার উত্তরা থেকে। তিনি বলেন, সমুদ্রসৈকত মানুষে গিজগিজ করছে। হাঁটুসমান পানিতে নেমে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছেন। মানুষের ভিড়ের কারণে গোসল না করেই হোটেলে ফিরে যাচ্ছেন।

সমুদ্রসৈকতে নিয়োজিত লাইফগার্ডের কর্মীরা জানান, কক্সবাজারে ঈদের ছুটিতে এ পর্যন্ত সাগরে ভেসে গিয়ে কারও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে ভেসে যাওয়ার সময় তাঁরা প্রায় ৫০ জনকে উদ্ধার করেছেন।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ছাড়াও পর্যটকদের ভিড় দেখা গেছে মেরিন ড্রাইভ সড়কে। টমটম, অটোরিকশা কিংবা খোলা জিপগাড়িতে পর্যটকদের ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। দরিয়ানগর পর্যটন পল্লি, প্যারাসেইলিং পয়েন্ট, হিমছড়ি ঝরনা, ইনানী সৈকত, পাটোয়ারটেক ছাড়াও কেউ কেউ সর্বশেষ প্রান্তের উপজেলা টেকনাফ ঘুরে আসছেন। এর বাইরে জেলার রামু, মহেশখালী, চকরিয়ার পর্যটন স্পটগুলোতেও রয়েছে পর্যটকদের ভিড়।

কক্সবাজার কলাতলী-মেরিন ড্রাইভ হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ‘শুক্রবার শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেলের কোনো কক্ষই খালি নেই। কক্ষ ভাড়া না পেয়ে অনেক পর্যটক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। আগে কক্ষ ভাড়া নিয়ে এরপর কক্সবাজার ভ্রমণে আসতে আমরা পর্যটকদের উৎসাহিত করছি।’

কক্সবাজারের চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, পর্যটক আসায় পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যও বেশ চাঙা। গত কয়েক দিনে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ১৩টি খাতে অন্তত ৬০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত হোটেলভাড়া এবং রেস্তোরাঁগুলোতে খাবারের মূল্য বাড়তি আদায় করা হচ্ছে কি না, তা দেখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলমান।

সম্পর্কিত নিবন্ধ