শাস্তির মুখে বাফুফে সভাপতির ক্লাব নোফেল
Published: 1st, March 2025 GMT
২০১৭-১৮ মৌসুম থেকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় স্তর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে (বিসিএল) খেললেও এবার হঠাৎ দলবদলে অংশ নেয়নি বাফুফের বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়ালের ক্লাব নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব।
নিয়ম অনুযায়ী, দলবদলে এন্ট্রি নিয়ে অংশগ্রহণ না করলে তিন মৌসুম ক্লাব লাইসেন্সিং করার সুযোগ হারানোর পাশাপাশি আর্থিক জরিমানাও গুনতে হয়।
আজ লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসানের সঙ্গে সভা করেছে বিসিএলের ক্লাবগুলো। যে সভায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে দলবদলে অংশ না নেওয়ায় বাইলজ অনুযায়ী, এবারসহ তিন মৌসুম নোফেল ক্লাব লাইসেন্সিং করতে পারবে না। পাশাপাশি পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তরে খেলার সুযোগ থাকছে না তাদের।
আরও পড়ুনজরিমানার তোয়াক্কা না করেই বাফুফের দুই লিগে খেলছে না ৩ দল২১ জুন ২০২৪এ ছাড়া ডিসিপ্লিনারি কমিটি আর্থিক শাস্তি ঘোষণা করতে পারে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি বাফুফে।
সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রথম আলোকে সংক্ষেপে জানিয়েছেন ফরাশগঞ্জের কর্মকর্তা বাবুরাম, ‘আমাদের কিছু দাবি ছিল। তারা সেসব নিয়ে ইতিবাচক। খেলা শুরুর আগে একটা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছে।’
উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
ঢাকা লিগে ফিরছেন নাসির
জাতীয় দলের সাবেক অলরাউন্ডার নাসির হোসেন আইসিসির নিষেধাজ্ঞামুক্ত হচ্ছেন ৭ এপ্রিল। এদিন থেকে আবার ক্রিকেটে দেখা যাবে তাঁকে। এই স্পিন অলরাউন্ডারকে ঢাকা লিগে খেলার প্রস্তাব দিয়েছে আবাহনী। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ হান্নান সরকার জানান, নাসিরের সঙ্গে কথা হয়েছে তাদের। যদিও আবাহনীতে খেলার ব্যাপারে নিশ্চিত করেননি নাসির। ম্যাচ খেলার স্বার্থে বিকল্প ক্লাবও বেছে নিতে পারেন তিনি।
২০২৩ সালে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেছেন নাসির। এ বছর দলবদল না করায় নিয়ম অনুযায়ী এখনও প্রাইম ব্যাংকের খেলোয়াড় তিনি। চলতি মৌসুমে অন্য কোনো দলে হয়ে খেলতে হলে আগের ক্লাব থেকে অনাপত্তিপত্র নিতে হবে নাসিরকে।
ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশের (সিসিডিএম) কোঅর্ডিনেটর সাব্বির আহমেদ রুবেল বলেন, ‘নাসির ৭ এপ্রিল খেলার জন্য উন্মুক্ত হলে বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকে ক্লিয়ারেন্স লাগবে। এ ছাড়া দলবদল করতে হলে প্রাইম ব্যাংকের কাছ থেকে ছাড়পত্র আনতে হবে তাঁকে। অন্যথায় প্রাইম ব্যাংকের হয়ে খেলতে হবে এ বছর।’
গতকাল ফোনে নাসির সমকালকে বলেন, ‘আইসিসি আমাকে বলেছে, ৭ তারিখ থেকে খেলতে পারব। এর আগে ফোনে আমার সঙ্গে এক ঘণ্টা কথা বলবে তারা। বিষয়টি নিয়ে আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের প্রধান মেজর (অব.) রায়ান আজাদ। সবকিছু ঠিক থাকলে উন্মুক্ত হওয়ার দিন থেকেই ম্যাচ খেলতে চাই আমি। এ জন্য ছোট দলে খেলতেও রাজি আছি।’
২০২১ সালে আবুধাবি টি১০ লিগে পুনে ডেভিলসে খেলার সময় আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের (অ্যান্টিকরাপশন ইউনিট-এসিইউ) নিয়ম অমান্য করে আইফোন উপহার নিয়েছিলেন নাসির। এ তথ্য দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহিত করার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি। পরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আইসিসি দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা না করে ঔদ্ধত দেখান। ফলে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নাসিরের বিরুদ্ধে তিনটি চার্জ গঠন করে এসিইউ। পরে বিনাবাক্যে অভিযোগ মেনে নেওয়ায় দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়; ছয় মাসের স্থগিত সাজাসহ।
লিগ রাউন্ডে আর মাত্র তিন ম্যাচ বাকি। আবাহনীর কোচ হান্নান চান, সুপার লিগ থেকে নাসিরকে ম্যাচ খেলাবেন। কিন্তু ক্রিকেটার চান, ৯ এপ্রিল দশম রাউন্ড থেকে ম্যাচ খেলতে। আসলে দেড় বছর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে একজন ক্রিকেটার মাঠে ফিরে কতটা ভালো করতে পারবেন– সে প্রশ্ন থেকেই যায়। সে ক্ষেত্রে আবাহনীর সঙ্গে বনাবনি না হলে প্রাইম ব্যাংক বা গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সেও খেলতে পারেন নাসির হোসেন।