Samakal:
2025-02-28@22:49:02 GMT

জেনারেশন ও দেশের প্রতি ভালোবাসা

Published: 28th, February 2025 GMT

জেনারেশন ও দেশের প্রতি ভালোবাসা

পত্রিকা পড়ে জেনেছি, জেনারেশনের কথা। যেমন আমার দাদা-দাদি, নানা-নানি হচ্ছে বেবি বুমারস জেনারেশন। এই জেনারেশনকে বেবি বুমারা বলা হয়। কারণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর অনেক মানুষ পৃথিবীতে জন্ম নেয়। আমার চাচ্চু-চাচিরা সবাই জেন-এক্স। আমার মা-বাবা হচ্ছে জেন-ওয়াই। আমার ফুফাতো এবং সব চাচাতো ভাই হচ্ছে জেন-জি। আমার দুই ভাই ও আমি জেন-আলফা। জেন-জি হচ্ছে এখন সবচেয়ে আলোচিত এবং বিখ্যাত জেনারেশন। কারণ তারা অন্যায় দূর করে। ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সবাই বেবি বুমারা, ১৯৬৫ থেকে ১৯৮০ সবাই জেন-এক্স, ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সবাই জেন-ওয়াই, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সবাই জেন-জি, ২০২৫ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত সবাই জেন-বিটা। জেন-বিটারদের আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা কামনা করি। তবে আমি মনে করি, মন ভালো থাকলে এবং দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে অনেক দূর এগিয়ে যাওয়া যায়। সব জেনারেশনের যারা দেশকে ভালোবেসেছেন নিজের প্রতি দায়িত্বশীল ছিলেন সবাই নাম কুড়িয়েছেন। আমিও নাম কুড়াতে চাই, দেশকে ভালোবেসে এবং দায়িত্বশীল হয়ে। 

বয়স : ১+৩+৪ বছর; দ্বিতীয় শ্রেণি, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, ঢাকা

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: সব ই জ ন

এছাড়াও পড়ুন:

রোজার চাঁদ দেখলে কী দোয়া পড়বেন

রহমতের মাস রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে; বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) পড়া সেই দোয়া পড়বেন। যেখানে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রার্থনা রয়েছে। হাদিসে আছে-হজরত তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন-

উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ: আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তৌফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদের অনুসন্ধান করতেন। এমনকি সাহাবিদের চাঁদ দেখতে বলতেন। রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে প্রিয় নবী (সা.) কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করতেন।

আরও পড়ুনইফতারের দোয়া২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নতুন চাঁদকে আরবিতে বলে ‘হিলাল’। ‘হিলাল’ হচ্ছে এক থেকে তিন তারিখের চাঁদ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো, চাঁদ দেখে রোজা ছাড়ো, ইফতার করো বা ঈদ করো।’ যে সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখা যায়, সে রাত হলো ‘চাঁদরাত’। আরবি চান্দ্র বছরের নবম মাস রমজান এবং দশম মাস শাওয়াল।

যে কোনো মাসের নতুন চাঁদ, এমনকি রোজা ও ঈদের চাঁদ দেখার দোয়া একটিই। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন চাঁদ দেখলে এই দোয়া পড়তেন—

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-য়ুমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি- রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য এই চাঁদকে সৌভাগ্য ও ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন।আল্লাহই আমার ও তোমার রব। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৫১)

এ ছাড়াও রমজানের চাঁদ দেখার খবর শুনে দোয়া করা হয়।

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা। (তাবারানি)

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। রমজানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন।

আরও পড়ুনরোজার কাজা, কাফফারা ও ফিদিয়া কী০২ মার্চ ২০২৪

সম্পর্কিত নিবন্ধ