বেরোবিতে শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৮৭ শতাংশ
Published: 28th, February 2025 GMT
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সারাদেশের পাঁচটি কেন্দ্রে একযোগে ‘এ’ ও ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবেদনকারীদের মধ্যে অন্তত ৮৭ শতাংশ অংশগ্রহণ করেন বলে জানা গেছে।
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রংপুর অঞ্চলের দুটি কেন্দ্রে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৯২৫ এবং রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ হাজার ৬৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দুই কেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল ৯০.
বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৭৫৬ এবং রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২ হাজার ৩৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। দুই কেন্দ্রে উপস্থিতি ছিল ৮৪.৮১ শতাংশ।
বেরোবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা প্রথমবারের মতো বেরোবি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের পরীক্ষার্থীরা এখানে পরীক্ষা দিতে পারায় তাদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।
উপাচার্য আরও বলেন, পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা অভিভাবকদের জন্য প্রশাসনের উদ্যোগে বসার সুব্যবস্থা করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: পর ক ষ র থ
এছাড়াও পড়ুন:
রোজার চাঁদ দেখলে কী দোয়া পড়বেন
রহমতের মাস রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে; বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) পড়া সেই দোয়া পড়বেন। যেখানে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রার্থনা রয়েছে। হাদিসে আছে-হজরত তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন-
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তৌফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)
রাসুলুল্লাহ (সা.) শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদের অনুসন্ধান করতেন। এমনকি সাহাবিদের চাঁদ দেখতে বলতেন। রমজানের নতুন চাঁদ দেখলে প্রিয় নবী (সা.) কল্যাণ ও বরকতের দোয়া করতেন।
আরও পড়ুনইফতারের দোয়া২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪নতুন চাঁদকে আরবিতে বলে ‘হিলাল’। ‘হিলাল’ হচ্ছে এক থেকে তিন তারিখের চাঁদ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো, চাঁদ দেখে রোজা ছাড়ো, ইফতার করো বা ঈদ করো।’ যে সন্ধ্যায় আকাশে চাঁদ দেখা যায়, সে রাত হলো ‘চাঁদরাত’। আরবি চান্দ্র বছরের নবম মাস রমজান এবং দশম মাস শাওয়াল।
যে কোনো মাসের নতুন চাঁদ, এমনকি রোজা ও ঈদের চাঁদ দেখার দোয়া একটিই। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন চাঁদ দেখলে এই দোয়া পড়তেন—
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল-য়ুমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াসসালামাতি ওয়াল ইসলামি- রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের জন্য এই চাঁদকে সৌভাগ্য ও ইমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদিত করুন।আল্লাহই আমার ও তোমার রব। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪৫১)
এ ছাড়াও রমজানের চাঁদ দেখার খবর শুনে দোয়া করা হয়।
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা। (তাবারানি)
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। রমজানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন।
আরও পড়ুনরোজার কাজা, কাফফারা ও ফিদিয়া কী০২ মার্চ ২০২৪