‘সুলভ’ মূল্যে দুধ ডিম মাংস বিক্রি শুরু
Published: 28th, February 2025 GMT
পবিত্র রমজান উপলক্ষে ‘সুলভ’ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় সিরাজ মিয়া মেমোরিয়াল মডেল স্কুল প্রাঙ্গণে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।
উদ্বোধনের পর দুধ, ডিম, মাংস নিয়ে ফ্রিজিংভ্যানগুলো গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেয়। রাজধানীর ২৫টি স্থানে এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। এবার গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, ড্রেসড (চামড়া ছাড়া) ব্রয়লার প্রতি কেজি ২৫০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা ও ডিম প্রতি ডজন ১১৪ টাকা মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বাজারে যারা অহেতুক দাম বাড়ায়, তাদের ছাড় দেওয়া যাবে না। এবারের রমজান ভিন্ন হবে। আমরা স্বাধীন দেশে নতুন করে পবিত্র রমজান পালন করব। সে ক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে কিছু সংস্কার করব তা না, আমাদের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষ যেসব কারণে কষ্ট পাচ্ছিল, বিশেষ করে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কমিয়ে আনা। এখনো দ্রব্যমূল্য পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সে জন্য আমরা চেষ্টা করছি রমজান মাসকে কেন্দ্র করে হলেও অতিপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্য সাশ্রয় মূল্যে বিক্রি করতে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন—ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.
ঢাকা শহরের ২৫টি স্থানে ২৮ রমজান পর্যন্ত সুলভ মূল্যে প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় করা হবে। এই এলাকাগুলো হচ্ছে—সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গণি রোড), খামারবাড়ী (ফার্মগেট), ষাট ফিট রোড (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), বনশ্রী, হাজারীবাগ (সেকশন), আরামবাগ (মতিঝিল), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড), কালশী (মিরপুর), যাত্রাবাড়ী (মানিকনগর গলির মুখে), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণে), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচা বাজার), বসিলা (মোহাম্মদপুর), উত্তরা (হাউজ বিল্ডিং), রামপুরা (বাজার), মিরপুর ১০, কল্যাণপুর (ঝিলপাড়), তেজগাঁও, পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার) ও কাকরাইল।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: রমজ ন
এছাড়াও পড়ুন:
১,৪০১ জন ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকার গেজেট প্রকাশ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ১ হাজার ৪০১ জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
চিকিৎসার পরও যারা অন্যের সহায়তা ছাড়া জীবনযাপনে অক্ষম, সে রকম ৪৯৩ জনকে ‘অতি গুরুতর’ বিবেচনায় ‘ক’ শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। আর পর্যাপ্ত চিকিৎসার পরও শারীরিক অসামর্থ্যতার কারণে অন্যের আংশিক সহায়তায় জীবনযাপনে সক্ষম ৯০৮ জনকে ‘গুরুতর’ আহত বিবেচনায় ‘খ’ শ্রেণিতে রেখে তালিকা প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আহতদের মেডিকেল কেইস আইডি, নাম, বাবা-মায়ের নাম এবং স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে গেজেটে।
এর আগে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ৮৩৪ জনের তালিকা গত ১৫ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এসব তালিকা ধরে নিহতদের পরিবারকে এককালীন ৩০ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে আগামী মার্চ মাস থেকে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা ও পরিবারের সক্ষম সদস্যদের সরকারি বা আধা সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।