বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
Published: 28th, February 2025 GMT
কুমিল্লায় বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন শ্রমিকরা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার হাঁড়িখোলা এলাকায় অবরোধ করা হয়। এতে মহাসড়কে অন্তত ২০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকরা।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারা পোশাক কারখানাটির মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের সিদ্ধান্ত জানালে অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা।
শ্রমিকরা জানান, হাঁড়িখোলা এলাকার ডেনিম নামে একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের ৪ মাসের বেতন দিচ্ছেন না কর্তৃপক্ষ। বকেয়া বেতনের দাবিতে শুক্রবার সকালে মহাসড়ক অবরোধে নামেন তারা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিয়া হোসেন, চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদাসহ ঘটনাস্থলে যান। পরে ডেনিম কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন তারা। এ সময় আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে বকেয়া বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন।
অবরোধে অংশ নেওয়া খোরশেদ আলম বলেন, ‘এখন কারখানা লাভজনক পর্যায়ে থাকলেও কেন শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বন্ধ, বকেয়া থাকবে কেন?’
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হুদা সমকালকে জানান, বকেয়া বেতনের দাবিতে ডেনিম কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করলে মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন তারা। মঙ্গলবারের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের আশ্বাস পেয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করেন শ্রমিকরা। ৪০ মিনিটের মতো মহাসড়কে ছিলেন তারা।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: সড়ক অবর ধ কর মকর ত ক অবর ধ
এছাড়াও পড়ুন:
গান-নৃত্যে ছায়ানটের বসন্তবন্দনা
গান, নৃত্য ও কবিতায় বসন্তের বন্দনা করলেন শিল্পীরা। আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় এই আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট।
রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও অতুলপ্রসাদের ঐশ্বর্যময় সৃষ্টির নির্যাসে সেজেছিল এ অনুষ্ঠান। নাচ ও গানের সহযোগে পরিবেশনা পর্বের সূচনা হয়। আয়োজনের শুরুতে ‘ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল. . . ’ গানের সুরের সমান্তরালে পরিবেশিত হয় নয়নজুড়ানো সমবেত নাচ। এরপর একক কণ্ঠের পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে হাজির হন ইফফাত বিনতে নাজির। এই শিল্পী গেয়ে শোনান, ‘বসন্তে আজ ধরার চিত্ত হলো উতলা...’।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বাণীকে কণ্ঠে তুলে শ্রাবন্তী ধর পরিবেশন করেন ‘আয় রে বসন্ত... তোর ও কিরণমাখা পাখা তুলে...’। সমুদ্র শুভমের গাওয়া গানের শিরোনাম ছিল ‘পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে...’। এরপর সম্মেলক কণ্ঠের আশ্রয়ে পরিবেশিত হয় ‘আমরা মলয় বাতাসে ভেসে যাব...’ শীর্ষক সংগীত। সেঁজুতি বড়ুয়া শুনিয়েছেন ‘আমার মল্লিকা বনে, যখন প্রথম ধরেছে কলি...’। নাসিমা শাহীন গেয়েছেন ‘ফুটল যেদিন ফাগুনে হায়, প্রথম গোলাপ-কুঁড়ি...’। গানের পরিবেশনার ফাঁকে আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিকশিল্পী ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
‘ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল’ গানের সঙ্গে সম্মেলক নৃত্যগীত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ছিল একক ও দলীয় পরিবেশনা