সালমা জেতালেন মোহামেডানকে, গুলশানের প্রথম হার
Published: 28th, February 2025 GMT
ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ওমেন্স ক্রিকেট লিগে শুক্রবার দিনের একমাত্র ম্যাচে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ওমেন্স ক্রিকেট দলকে। আগে ব্যাটিং করে মোহামেডান ১৫৭ রানে গুটিয়ে গেলেও দারুণ বোলিং নৈপূণ্যে তারা গুলশানকে ইয়ুথ ক্লাবকে আটকে ফেলে ৬৭ রানে।
৯০ রানে লিগের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে মতিঝিল পাড়ার দলটি। তাদের জয়ের নায়ক অধিনায়ক সালমান খাতুন। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে জ্বলে উঠেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক। প্রথমে ব্যাট হাতে ৭৮ বলে ৬ চারে ৫০ রান করেন। পরে বল হাতে ৬ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৮ রানে পেয়েছেন ৩ উইকেট।
টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে মোহামেডানের ব্যাটিং একদমই ভালো হয়নি। শুরু ছয় ব্যাটসম্যানের কেউই ত্রিশের ঘর পেরোতে পারেননি। সাতে নেমে সালমা দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলের পুঁজি বাড়ান। তাকে সঙ্গ দেন আয়েশা রহমান শুকতারা। ২৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এছাড়া ইনিংসের শুরুতে দলটির বিদেশী ক্রিকেটার জেসিয়া আক্তার করেন ২২ রান।
আরো পড়ুন:
বিবিএসের জরিপ
দেশের ৭০ শতাংশ নারী পুরুষ সঙ্গীর সহিংসতার শিকার
দরিদ্র নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান
গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের হয়ে বল হাতে ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন হাবিবা ইসলাম পিংকি।
জবাব দিতে নেমে মোহামেডানের বাঁহাতি পেসার ফারিহা তৃষ্ঞার তোপে এলোমেলো হয়ে যায় গুলশানের ব্যাটিং। ফারিহা ২২ রানে ৪ উইকেট নেন। এছাড়া সালমার ৩ এবং মেঘলা ও রুমানার ১ উইকেটে মোহামেডান অল্পতেই আটকে দেয় ক্লাবটিকে। রিতু মনি দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন।
চার ম্যাচে তিন জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে মোহামেডান। গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের এটি পঞ্চম ম্যাচে প্রথম হার। আট পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে শীর্ষে।
ঢাকা/ইয়াসিন
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
গান-নৃত্যে ছায়ানটের বসন্তবন্দনা
গান, নৃত্য ও কবিতায় বসন্তের বন্দনা করলেন শিল্পীরা। আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় এই আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানট।
রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও অতুলপ্রসাদের ঐশ্বর্যময় সৃষ্টির নির্যাসে সেজেছিল এ অনুষ্ঠান। নাচ ও গানের সহযোগে পরিবেশনা পর্বের সূচনা হয়। আয়োজনের শুরুতে ‘ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল. . . ’ গানের সুরের সমান্তরালে পরিবেশিত হয় নয়নজুড়ানো সমবেত নাচ। এরপর একক কণ্ঠের পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে হাজির হন ইফফাত বিনতে নাজির। এই শিল্পী গেয়ে শোনান, ‘বসন্তে আজ ধরার চিত্ত হলো উতলা...’।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বাণীকে কণ্ঠে তুলে শ্রাবন্তী ধর পরিবেশন করেন ‘আয় রে বসন্ত... তোর ও কিরণমাখা পাখা তুলে...’। সমুদ্র শুভমের গাওয়া গানের শিরোনাম ছিল ‘পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে...’। এরপর সম্মেলক কণ্ঠের আশ্রয়ে পরিবেশিত হয় ‘আমরা মলয় বাতাসে ভেসে যাব...’ শীর্ষক সংগীত। সেঁজুতি বড়ুয়া শুনিয়েছেন ‘আমার মল্লিকা বনে, যখন প্রথম ধরেছে কলি...’। নাসিমা শাহীন গেয়েছেন ‘ফুটল যেদিন ফাগুনে হায়, প্রথম গোলাপ-কুঁড়ি...’। গানের পরিবেশনার ফাঁকে আবৃত্তি পরিবেশন করেন বাচিকশিল্পী ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়।
‘ওরে গৃহবাসী, খোল দ্বার খোল, লাগল যে দোল’ গানের সঙ্গে সম্মেলক নৃত্যগীত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ছিল একক ও দলীয় পরিবেশনা