রমজানের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সব ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হবে এবং রমজানের পর বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, আজ ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে সকল ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম শেষ হচ্ছে। আশা করি রমজানের মধ্যেই সব ইউনিটের ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে এবং রমজানের পর আমরা ভর্তি কার্যক্রম শুরু করব।
এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি ই-ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি এ অনুষদের ফল প্রকাশ করা হয়। এছাড়া ১৪ ফেব্রুয়ারি ডি-ইউনিট (সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ), ১৫ ফেব্রুয়ারি বি-ইউনিট (কলা ও আইন অনুষদ), ২২ ফেব্রুয়ারি এ-ইউনিটের (বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এবার দীর্ঘ চার বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা নিচ্ছে। পরীক্ষার মোট নম্বর ১০০। এর মধ্যে ৭২ নম্বরের পরীক্ষা হবে বহুনির্বাচনি ও লিখিত প্রশ্নের ওপর। বহুনির্বাচনি অংশে ২৪ নম্বর, লিখিত অংশের জন্য ৪৮ নম্বর বরাদ্দ। পাশাপাশি এসএসসি পরীক্ষার জিপিএ-তে ১২ নম্বর এবং এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ-তে ১৬ নম্বর গণনা করা হবে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: পর ক ষ র ইউন ট র রমজ ন র

এছাড়াও পড়ুন:

রাজশাহীতে সমঝোতা সংলাপ অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও জুলাই ৩৬ ফোরাম-অপরাজেয় বাংলা’র উদ্যোগে ‘সমঝোতা ব্যতীত সংবিধান সংস্কার কি সম্ভব’ শীর্ষক রাজশাহী বিভাগীয় সমঝোতা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সংলাপে বক্তারা বলেছেন, “এখনও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে ফ্যাসিবাদব্যবস্থা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোরও সংস্কার প্রয়োজন।”

রাজশাহীর বরেন্দ্র কলেজে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই সমঝোতা সংলাপে বক্তারা মুক্ত আলোচনায় বলেন, “গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন হলেও বাংলাদেশ থেকে চূড়ান্ত ফ্যাসিবাদ বিলোপ করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যেও ফ্যাসিবাদ ব্যবস্থা বিরাজমান রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও সংস্কার প্রয়োজন।”

তারা বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ এখনো তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সামাজিক অবক্ষয় হিসেবে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশে নতুন বিজয়ের সূচনা হলেও এখন পর্যন্ত কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সংস্কার ও সমঝোতা জরুরি।”

সংলাপের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক মাহমুদ জামাল কাদেরী।

বক্তব্য রাখেন- ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মো. ওয়াসিম হোসেন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক আবুল হাসনাৎ বেগ, গণসংহতি আন্দোলনের রাজশাহীর সদস্য সচিব জুয়েল রানা প্রমুখ।

ঢাকা/কেয়া/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ