রাজধানীর খিলগাঁও খিদমাহ হাসপাতালের সামনে মো. সেলিম (৪২) নামের একজনকে কুপিয়ে তার অটোরিকশা ছিনতাইকারীরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে ভর্তি দেন চিকিৎসক। এর আগে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

সেলিম পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার মাচুয়াখালি গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে। তিনি বর্তমানে খিলগাঁও এলাকায় একটি রিকশার গ্যারেজে থাকতেন।

আহত সেলিমের প্রতিবেশী মো.

হাবিব বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খিদমাহ হাসপাতালে সামনে সেলিমের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং চেতনানাশক মাদক সেবন করিয়ে তার কাছে থাকা অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। খবর পেয়ে প্রথমে তাকে খিদমাহ হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। চিকিৎসক তাকে ভর্তি দিয়েছেন।’’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘‘অচেতন অবস্থায় এক রিকশাচালককে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে ভর্তি দেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’’

ঢাকা/রাজীব

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

“গত ষোল বছর জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল কোন সরকার ছিলো না”  

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খাঁন সোহেল বলেছেন, গত পনেরো ষোল বছর তো দেশের খুব খারাপ অবস্থা ছিলো। এখানো তো আসলে কোন পিপলস গভর্মেন্ট ছিলো না। জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল কোন সরকার ছিলো না। যারা ক্ষমতায় ছিলো তাদের কাছে মানুষ বাঁচলো না মরলো সেটাতে কোন তোয়াক্কা করতো না তারা। 

মানুষ কি খেলো না খেলো, মরলো না বাঁচলো তাতে তাদের কোন খেয়াল ছিলো না। তারা তো ভালো আছে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজীনগর এলাকার আলিফ জেনারেল হাসপাতাল আয়োজিত কিডনি সুরক্ষা মূলক সেমিনারের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে একথা বলেন সোহেল। 

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোহেল আরো বলেন, বিগত সরকারের কাছে মানুষের কোন প্রয়োজন ছিলো না। তবে আশা করছি সামনে জনগণের প্রতিনিধিত্বে একটি ভালো এবং পরিচ্ছন্ন নির্বাচন হবে। জনগণ ভোট দিতে কখনো ভুল করে না। জনগণ সঠিক ভোটটি দেয়। কয়দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে আমি বলেছি আমাদের দেশের মানুষ কখনো ভুল ভোট দেয় না। 

এসময় ভারতকে ইঙ্গিত করে সোহেল বলেন, সেদেশে ফিল্মে আজকে যারা ধেই ধেই করে নাচছে পরের দিন তারা পার্লামেন্টে গিয়ে নাচছে। তারা যদি এদেশে এসে ইলেকশন করে তবে কেউ তাদের ভোট দিবে না। মানুষ মনে করে তোমাকে কেনো ভোট দেবো? 

তুমি সিনেমায় আছো তুমি সিনেমায় থাকো। আমাদের দেশের ফেরদৌসদের কথা বলবেন, যে তারা তো পার্লামেন্টে গেছে। এটাতো ভাই ভোট না। যাকে হাসিনা পছন্দ করেছে তাকেই পার্লামেন্টে নিয়ে গেছে। 

প্রফেসর ডা. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ডা. মো. ফরহাদ হাসান চৌধুরির সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসময় আরো উপস্থি ছিলেন,ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রফেসর ডা. মো. ফারুক আহম্মেদ, ডা. মো. এ.এফ.এম মশিউর রহমান, ডা. মো. রাশেদ আনোয়ার, ডা. মো. রেজাউল আলম।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ