ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো রংপুরসহ আশপাশের বেশ কিছু এলাকা। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৩টা ৬ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রংপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইন্ডিয়ান মেট্রোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট (আইএমডি) বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী কোদারী এলাকা থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে। উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। ভূমিকম্পটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়। এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আরো পড়ুন:
ভূমিকম্পে কাঁপল পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা
দিল্লির পর ভূমিকম্পে কাঁপল বিহার
এর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে গত বছরের ২১ নভেম্বর দুপুর ২টা ২ মিনিটে রংপুর ও আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ কম্পনের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ১ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল রংপুর। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দুইবারের ভূমিকম্পে কিছুটা আতঙ্কিত রংপুরবাসী।
ঢাকা/আমিরুল/মাসুদ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ভ ম কম প ভ ম কম প
এছাড়াও পড়ুন:
সিলেটে ভূমিকম্প অনুভূত
সিলেটে মধ্যরাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। তবে এ ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবীর আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডে সিলেট ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের আসাম রাজ্যের মরিগাঁও। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। এটি মাঝারি মাপের ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হয়।
গভীর রাতে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ায় অনেকেই টের পাননি। তবে সিলেটবাসী কেউ কেউ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার কথা জানিয়েছেন।
রুবায়েত কবীর বলেন, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল রাজধানী ঢাকা থেকে ৩৪৬ কিলোমিটার দূরে। আর সিলেট থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে। তাই সিলেটে অবশ্যই ভূমিকম্প অনুভূতি হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সকাল ৬টা ৪০ মিনিট ২৫ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। এটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প ছিল। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা–সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরই এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল। ফলে বেশি প্রভাব পড়েছে উপকূলের জেলাগুলোতে। বাংলাদেশ থেকে উৎপত্তিস্থল ছিল ৫০১ কিলোমিটার দূরে।