নেপালের মধ্য এবং পূর্বাংশে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ২টা ৫১ মিনিট (নেপালের স্থানীয় সময়) এ  ভূমিকম্প আঘাত হনে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.১। নেপালের পাশাপাশি ভারতের পাটনা এবং বিহারের আশপাশের এলাকায়ও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় এনডিটিভি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পের উৎসস্থল নেপালের সিন্ধুপালচক জেলার ভৈরবকুণ্ড। মাটির অন্তত ১০ কিলোমিটার গভীরে কম্পনের উৎপত্তিস্থলটি ছিল। প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানা যায়নি। 

নেপালের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষক এবং গবেষণা সংস্থা কম্পনের মাত্রা ৬.

১ জানালেও জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিয়োসায়েন্স জানিয়েছে, এটির মাত্রা ৫.৬। ভারতের জাতীয় ভূকম্পন পরিমাপ কেন্দ্র বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, কম্পনের মাত্রা ৫.৫।

জানা যায়, কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই আতঙ্কে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। 

নেপাল বিশ্বের অন্যতম ভূকম্পপ্রবণ দেশ। অবস্থানগত দিক থেকে দেশটি ‘সিসমিক জোন’ ৪ এবং ৫-এর মধ্যে পড়ে। কোনো এলাকা ‘সিসমিক জ়োন’ ৫-এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে সেখানে কম্পনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কোন অঞ্চলে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা কতটা রয়েছে, তার উপর নির্ভর করে এই অঞ্চলগুলোকে ভাগ করা হয়। ২০১৫ সালে নেপালে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৯ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। ভেঙে পড়েছিল বহু ঘরবাড়ি এবং স্থাপত্য। তার পরেও নেপালে একাধিক ছোট কিংবা মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ভ ম কম প ভ ম কম প

এছাড়াও পড়ুন:

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধের দাবিতে রাজশাহীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ ও রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 

শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরের হেতেমখা বড় মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি সাহেববাজার বড় মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরের আমির ড. মাওলানা কেরামত আলী।

আরো পড়ুন:

নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন যারা

জামায়াত নেতা আজহারের রিভিউ শুনানি আজ

তিনি বলেন, “দ্রব্যমূল্যের কষাঘাতে দেশের মানুষ আজ বিপর্যস্ত। দুই বেলা, দুই মুঠো খাবার জোগাড় করতেই তারা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। এরই মধ্যে রমাজানকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ব্যর্থতায় ফ্যাসিবাদের দোসররা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের পকেট কাটতে ব্যস্ত রয়েছে।”

অবিলম্বে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে সেহরি ও ইফতার করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। খেজুরের ওপর অতিরিক্ত শুল্কের ফলে খেজুরের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।”

মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মাহবুবুল আহসান বুলবুলের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন- রাজশাহী মহানগরের নায়েব আমির আবু মোহাম্মদ সেলিম, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসাইন ও আব্দুস সামাদ, কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক এমকেএম সরোয়ার জাহান প্রিন্স, জসিম উদ্দিন সরকার, তৌহিদুর রহমান সুইট, আশরাফুল আলম ইমন, সিরাজুল ইসলাম, কামরুজ্জামান সোহেল ও ডা. হাসানুজ্জামান প্রমুখ।

ঢাকা/কেয়া/মাসুদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ