রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়া কাঁচাবাজারে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণেও এসেছে। 

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। রাত ৩টা ৩০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, রাত ২টা ৪২ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়।

নিয়ন্ত্রণকক্ষের তথ্য অনুসারে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট। রাকিবুল ইসলাম বলেন, রাত ৩টা ২৭ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

আগুন কীভাবে লাগল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। তাৎক্ষণিভাবে ক্ষয়ক্ষতির খবরও জানা যায়নি।

.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

কাঁদতে কাঁদতে গাজার বাসিন্দা বললেন, ‘আমরা তো সব হারিয়েছি, ঈদটা কষ্টের’

ফিলিস্তিনের গাজায় রোববার পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় বিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে এ দিন ছিল না উৎসবের আমেজ। ঈদের দিনও সেখানে নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুসলিমদের কাছে খুশির এ দিনটিতেও গাজায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ ফিলিস্তিনি।

দীর্ঘ ১৭ মাস ধরে চলা হামলায় গাজায় আর কোনো মসজিদ অবশিষ্ট নেই বললেই চলে। রোববার তাই উপত্যকাটির বাসিন্দাদের ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়েছে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মসজিদের বাইরে। আগের দিনে গাজার যেসব শিশু নতুন পোশাক পরে আনন্দ করত, তারা এখন ক্ষুধায়-আতঙ্কে কাতর। ঈদ উপলক্ষে নেই তেমন রান্নার আয়োজন।

ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগে গাজার ফিলিস্তিনিরা ঈদের সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উদ্‌যাপন করতেন। তবে এখনকার চিত্র ভিন্ন। বহু গাজাবাসী তাঁদের পরিবারের সদস্যকে হারিয়েছেন। রোববার অনেককে দেখা যায় প্রিয়জনের কবরের পাশে। অনেকে হাজির হন হাসপাতালের মর্গে—শেষবারের মতো কাছের মানুষের মরদেহটি দেখতে।

ইসরায়েলের হামলায় গাজার বাসিন্দা আদেল আল-শায়ের তাঁর পরিবারের ২০ সদস্যকে হারিয়েছেন। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় ঈদের নামাজ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। বলেন, ‘এই ঈদটা কষ্টের। আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারিয়েছি। আমাদের সন্তান, আমাদের জীবন, আমাদের ভবিষ্যৎ—সবকিছু... আমরা তো সব হারিয়েছি।’

ঈদের দিন স্বজনের কবরের পাশে গাজা নগরীর এক নারী

সম্পর্কিত নিবন্ধ