নিরাপদ পানিকে মৌলিক অধিকার ঘোষণা
Published: 27th, February 2025 GMT
নিরাপদ পানিকে মৌলিক অধিকার ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী এক বছরের মধ্যে আদালত, উপাসনালয়, হাসপাতাল, স্টেশন, হাটবাজার, এয়ারপোর্টসহ পাবলিক প্লেসে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ১০ বছরের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নিরাপদ এবং পানযোগ্য পানি সাশ্রয়ী মূল্যে নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি মো.
জানা গেছে, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নিরাপদ খাবার ও ব্যবহারযোগ্য পানি নিশ্চিত করতে ২০২০ সালে সুয়োমটো রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। তখন নাগরিকের জন্য নিরাপদ পানযোগ্য পানি সরবরাহ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব কিনা, অথবা এই নিরাপদ পানি পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করা যায় কিনা, সে বিষয়ে রুল জারি করা হয়। গতকাল ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।
জনস্বার্থে জারি করা এই মামলায় রুলের শুনানিতে আদালত কয়েকজন অ্যামিকাস কিউরি (আইনি বিষয়ে মতামত প্রদানকারী বন্ধু) নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব, মানবাধিকার সংগঠন বেলার পক্ষ থেকে মিনহাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মঞ্জুর আলম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. ওবায়দুর রহমান (তারেক), সোয়েব মাহমুদ ও আবুল হাসান।
রায়ের পর ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব বলেন, এটি একটি যুগান্তকারী রায়। রায়টি বাস্তবায়িত হলে দেশের বৃহত্তম জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে এবং পানিবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পাবে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ন শ চ ত কর ন র পদ প ন
এছাড়াও পড়ুন:
তাঁতিদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
তাঁত শিল্প নিয়ে কোনো প্রকার দুর্বৃত্তায়ন ও দুর্নীতিবাজদের ঠাঁই নেই উল্লেখ করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেছেন, তাঁত বোর্ড ও সমিতির আলোচনা সাপেক্ষে তাঁতিদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জুট বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড আয়োজিত ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারে তাঁতিদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে সুতা, রং ও রাসায়নিক সরবরাহ সংক্রান্ত প্রচলিত পদ্ধতির সংস্কার ও উন্নয়নবিষয়ক কর্মশালায় তিনি একথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, তাতঁ শিল্পের বিকাশের জন্য সরকার কিছু জায়গায় শুল্ক সুবিধা দিয়ে আমদানির ব্যবস্থা করলেও এই খাতে দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে। যার কারণে সরকার ও তাঁতি কেউই লাভবান হতে পারেনি।
এ সময় কাঁচামাল সরবরাহ ও সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে সরকারি ভাবে তদারকি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তাঁতি সমিতির সদস্যরা। তারা বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে আগামী দিনে তাঁতিদের তৈরি পণ্য আরও বেশি পরিমাণ বিদেশে রপ্তানি করা যাবে।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমদ ছিদ্দীকীসহ তাঁতি সমিতির সদস্যরা।
এম জি