রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার ২ নম্বর গাইন্দ্যা ইউনিয়নে বন্য হাতির আক্রমণে উচসিং মারমা (৪৯) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বন বিভাগ জানায়, উপজেলার ২ নম্বর গাইন্দ্যা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কেথাক পাড়া এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এক দল বন্য হাতি খাদ্যর সন্ধানে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন হাতির পালকে তাড়াতে যায়। এতে বন্য হাতির আক্রমণে শিকার হয়ে উচসিং মারমা আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বন বিভাগের রাজস্থলী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো.

তুহিনুল হক জানান, এলাকায় বন্য হাতি তাড়াতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হয়ে উচসিং মারমা মারা গেছেন।

রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, হাতির আক্রমণের শিকার হয়ে এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: বন য হ ত

এছাড়াও পড়ুন:

থালাবাসন ছিল বাদ্যযন্ত্র, আজম খানের গান শোনার জন্য ভিড় জমাতেন মুক্তিযোদ্ধারা

বাংলা পপ গানের সম্রাট আজম খান স্বপ্ন দেখিয়েছেন দেশের তরুণদের। পপ গানকে লালন করেছেন, শ্রোতা তৈরি করেছেন, বাংলা এই পপ গানের ধারা যেন সময়ের সঙ্গে প্রবহমান থাকে, সেই পথও তৈরি করে গেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের পর বঞ্চিত মানুষের গান করতে শুরু করেন। তাঁর গানে আসতে থাকে সচেতনতা, দেশপ্রেম, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়, তরুণদের উদ্বুদ্ধকরণ। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও চলতে থাকে তাঁর গান। সে সময় তিনি গেয়েছিলেন ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে’, ‘হাইকোর্টের মাজারে’, ‘এত সুন্দর দুনিয়ায়’, ‘অভিমানী’, ‘অনামিকা’, ‘পাপড়ি’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘আসি আসি বলে তুমি আর এলে না’, ‘আমি যারে চাইরে’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘ও চাঁদ সুন্দর’, ‘ও রে সালেকা ও রে মালেকা’, ‘জীবনে কিছু পাব না রে’, ‘বাধা দিয়ো না’সহ অনেক জনপ্রিয় গান।

১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আজম খানের জন্ম। মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন। ২০১১ সালের ৫ জুন তিনি দেশবাসীকে কাঁদিয়ে পরপারে চলে যান। সশরীর না থাকলেও তাঁর গানগুলো আজও সমসাময়িক। এই গানগুলোই তাঁকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখবে।

আরও পড়ুনঅতুলনীয় এক বন্ধু আজম খান২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১আজম খান

সম্পর্কিত নিবন্ধ