রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী জুনের তৃতীয় থেকে চতুর্থ সপ্তাহে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রণীত রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২৮ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনলাইনে রাকসু বিধিমালার খসড়া সংশোধনী সম্পর্কে পরামর্শ ও মতামত দিতে পারবেন। ১৩ এপ্রিল রাকসু বিধিমালা ও নির্বাচনের আচরণবিধি চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৮ এপ্রিল। এ ছাড়া ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত ভোটার তালিকা সম্পর্কে আপত্তি জানানো যাবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ১৩ মে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। মনোয়নপত্র বিতরণ ১৫ মে থেকে শুরু হয়ে দাখিলের শেষ সময় ১৯ মে পর্যন্ত। ২০ মে মনোনয়নপত্র নিরীক্ষা ও বাছাই করা হবে। প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে ২২ মে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ মে। এরপর ২৭ মে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে জুন মাসের তৃতীয় থেকে চতুর্থ সপ্তাহে। 

জনসংযোগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাকসু বিধিমালার খসড়া অনলাইনে প্রকাশের তারিখ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে জানানো হবে। এ ছাড়া নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিতব্য কমিশন বা কমিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াতপন্থী সকল প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াতপন্থী সকল প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী মফিজুল ইসলাম সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিল না। মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে সকলের মানোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। সোমবার ছিল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময়। তাই ১৫টি পদে একক প্রার্থী থাকায় তাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। 

বিজয়ীরা হলেন, সভাপতি পদে মো. শহিদুল্লাহ, সহ-সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম, মো. এরশাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মিজানুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মানিক, ট্রেজারার মো. মুজিবুল ইসলাম, লাইব্রেরি মোশাররফ হোসেন পাখি, এনরোলমেন্ট মো. শফিউল্লাহ, রিক্রিয়েশন মো. জহিরুল ইসলাম, আই.টি মো. সাইফুল ইসলাম এবং সদস্য পদে মো. ওবায়েদ উল্লাহ সরকার, মো. শরিফুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান সুমন, মু. সলিমুল্লাহ খান ও মো. মাসুদ।

১৭ ফেব্রুয়ারি এ নির্বাচনের তফসিল ঘোঘণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুসারে ৬ মার্চ এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঢালাওভাবে মামলার কারণে এ বছর আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান লিটন সমকালকে বলেন, গত বছরের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় মিছিলে হামলার অভিযোগে তাঁকে এবং সেক্রেটারিসহ এক সঙ্গে আওয়ামী লীগপন্থী ৩২ জন আইনজীবীকে আসামি করা হয়েছে। তাই মনোনয়নপত্র কিনতে আমরা আদালত চত্বরে যাওয়ার পরিবেশ পাইনি। আমাদের নিরাপত্তা নিয়েও সংশয় ছিল। তাই আমাদের কেউ ফরম আনতে যায়নি।

যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এ নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট কাজী মফিজুল ইসলাম বলেন, যারা টাকা জমা দিয়েছেন ও বৈধ ভোটার তারাই মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। তারা (আওয়ামী লীগ) আদালতে আসলে মনোনয়ন ফরম নিতে পারতেন। 
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি-জামায়াতপন্থী সকল প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা