আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ভারত থেকে ১০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে। এমভি ভিসিটি ওশেন নামের একটি জাহাজ আমদানি করা এসব চাল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। 

নমুনা পরীক্ষা শেষে আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) চাল খালাসের কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ঢাকা/এএএম/রফিক

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

স্বামীর নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বামীর নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মো. নাজমুল ইসলাম গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা র‌্যাব-১১ এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সিও) এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল (সিও) এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ফতুল্লার পূর্ব লামাপাড়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অত্র মামলার ভিকটিম আসামিদের বাড়িতে ভাড়া থেকে পড়াশুনার পাশাপাশি চাকুরি করতো। ভিকটিম আসামির বাড়িতে থাকা অবস্থায় মো. নাজমুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে তাকে কুপ্রস্তাব দিত। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২ টায় ভুক্তভোগীর সঙ্গে তার স্বামী ওই বাসায় দেখা করতে গেলে গ্রেপ্তার আসামিসহ অপর আসামি তার বন্ধু রনি এবং অজ্ঞাতনামা আরো ২-৩ জন মিলে ভিকটিমের স্বামীকে টানাহেচড়া করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গলায় ধারালো ছুরি ঠেকিয়ে হত্যার হুমকিসহ মারধর করে মোবাইল সেট এবং নগদ টাকা নিয়ে যায়। 

এসময় আসামিরা ভিকটিমের স্বামীর গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে তার ভিডিও তাদের মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে একই তারিখ দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গ্রেফতার ১নং আসামি ও ২নং আসামিদ্বয় ভিকটিমের ভাড়াটিয়া বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে আসামির মোবাইলে থাকা ভিকটিমের স্বামীকে হত্যাচেষ্টার ভিডিও ভিকটিমকে দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর বর্ণিত ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু প্রকাশ করলে আসামিরা তার স্বামীকে খুন করবে বলে হুমকি প্রদান করেন। 

পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ