ক্যাম্পাসে প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ: বাকৃবি উপাচার্য
Published: 27th, February 2025 GMT
ক্যাম্পাসে প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত বোতলের ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
তিনি বলেছেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি, আজ থেকে বাকৃবি ক্যাম্পাসে প্লাস্টিক ও প্লাস্টিকজাত বোতলের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আমি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছি, আমাদের কেউ যেন ক্যাম্পাসে প্লাস্টিক বা প্লাস্টিকজাত বোতল ব্যবহার না করে। যদি কেউ এর ব্যবহার করে এবং তা গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে ‘ব্রহ্মপুত্র নদে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ: মাছ ও জলজ খাদ্য শৃঙ্খলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের ওপর আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় গবেষণা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক, ব্রহ্মপুত্র নদ ও এর আশপাশের জলজ খাদ্য শৃঙ্খলে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের প্রভাব এবং এর প্রতিকারের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় উপাচার্য বলেন, “মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের কারণে ভারত ও বাংলাদেশ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এর ব্যবহারজনিত কারণে খাদ্যশৃঙ্খলে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটতে পারে। আমি আজ একটিই বার্তা দিতে চাই, আমাদের সবাইকে প্লাস্টিকমুক্ত ক্যাম্পাস গড়তে হবে। আমি এ উদ্যোগের সূচনা করছি।”
তিনি বলেন, “এখন থেকেই বাকৃবির সব অফিসে প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হলো। ভবিষ্যতে কোন অফিসে প্লাস্টিক বোতল পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে “
মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড.
কর্মশালায় তিনটি দেশের গবেষকগণ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। কর্মশালায় অনলাইন জুম প্লাটফর্মে বক্তব্য দেন প্রকল্পের সহযোগী গবেষক ভারতের রাজদীপ দত্ত ও ভুটানের গবেষক গীতা দাহল।
ঢাকা/লিখন/মেহেদী
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর প রকল প র র ব যবহ র
এছাড়াও পড়ুন:
ঈদের প্রথম জামাত বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার সকাল ৭টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে পেশ ইমাম হিসেবে হাফেজ মুফতি মাওলানা মুহিববুল্লাহিল বাকী এবং মুকাব্বির হিসেবে মুয়াজ্জিন হাফেজ মো. আতাউর রহমান দায়িত্ব পালন করেন।
নামাজের আগে ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মুহিববুল্লাহিল বাকী উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে নসীহত করে বয়ান করেন। তিনি বলেন, রোজাদারদের জন্য ঈদ আল্লাহর উপহার। এটি আমাদের জন্য খুশির বার্তা নিয়ে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ বান্দার গুনাহ ক্ষমা করার জন্য রমজান মাস দিয়েছেন। তিনি আমাদের জন্য রহমতের দরজা খোলা রেখেছেন। রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে সারাবছর জীবন পরিচালনা করতে হবে।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আরও চারটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সকাল ৭টায় প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এক ঘণ্টা পরপর আরও তিনটি জামাত এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে দ্বিতীয় জামাতে ইমাম হিসেবে সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান এবং মুকাব্বির হিসেব প্রধান খাদেম মো. নাসির উল্লাহ দায়িত্ব পালন করবেন।
তৃতীয় জামাতে ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস ড. মাওলানা মুফতি ওয়ালিউর রহমান খান এবং মুকাব্বির হিসেবে খাদেম মো. আব্দুল হাদী দায়িত্ব পালন করবেন।
চতুর্থ জামাতে ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের সম্পাদক ড. মুশতাক আহমদ এবং মুকাব্বির হিসেবে খাদেম মো. আলাউদ্দীন দায়িত্ব পালন করবেন।
এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতে ইমাম হিসেব ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ এবং মুকাব্বির হিসেব খাদেম মো. রুহুল আমিন দায়িত্ব পালন করবেন।