বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আত্মপ্রাকশ অনুষ্ঠানে মারামারির ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, নতুন এ সংগঠনটি থেকে পদত্যাগ করেছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব রিফাত রশীদ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের নেতারা।

বিস্তারিত আসছে.

...

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

জি কে গউছের বাসায় হামলার মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির (সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জি কে গউছের বাসায় হামলার মামলায় আসামি আওয়ামী লীগ নেতা মো. রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় নেওয়া হয়।

এর আগে দুপুরে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সজল সরকারের নেতৃত্বে লাখাই থানার পুলিশের উপপরিদর্শক প্রনয় কুমার সরকার ও এএসআই আনোয়ারুল হকসহ একদল পুলিশ অভিযান পরিচালনা করেন। এ অভিযানে লাখাই উপজেলার বামৈ পশ্চিমবাগ গ্রাম থেকে মো. রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত বালিস্টির মিয়ার ছেলে।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হবে।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় বিএনপি নেতা আলহাজ্ব জি কে গউছের বাসার বৈঠকখানায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলাকালে এসপি এসএম মুরাদ আলি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খলিলুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বেপরোয়াভাবে লাঠিচার্জ, গুলিবর্ষণ এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অসংখ্য নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ ও আহত হন। 

এসময় বাদী বিএনপি নেতা আউয়ালের চোখে-মুখে ও শরীরে গুলি লাগে এবং তার চোখ নষ্ট হয়। এছাড়াও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পুলিশের সাথে মিলে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর গুলি নিক্ষেপ করে।

এ ঘটনায় সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলা শহরের ইনাতাবাদ এলাকার মৃত হরমুজ আলীর ছেলে বিএনপি নেতা এসএম আব্দুল আউয়াল বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর থানায় ৭৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মো. রুহুল আমিন এ মামলার ২৩ নং আসামি।

ঢাকা/মামুন/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ