প্রয়াত কিংবদন্তি গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার রচিত গান-গ্রন্থ ‘অল্প কথার গল্প গান’-এর পঞ্চম খণ্ড প্রকাশিত হলো। এতে রয়েছে ৫০টি গান রচনার পেছনের গল্প ও ২০০ গানের কথামালা। ভাষাচিত্র প্রকাশনীর ১৭ নম্বর প্যাভিলিয়নে বইটি পাওয়া যাচ্ছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের সহধর্মিণী জোহরা গাজী, তাদের দুই সন্তান সরফরাজ আনোয়ার উপল ও দিঠি আনোয়ার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

২০২১ সালে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ৭৮তম জন্মদিনে ‘অল্প কথার গল্প গান’- বইয়ের প্রথম খণ্ড প্রকাশের পর কলকাতার বইমেলায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয়। চতুর্থ খণ্ড গত বছর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়।

আরো পড়ুন:

বইমেলায় ‘ভূতের উপহার’

‘হায়রে, পাগল ভক্ত!’

তার কন্যা ও সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার বলেন, “অল্প কথার গল্প গান’ বইয়ের সঙ্গে অনেক স্মৃতি জড়িত। প্রথম খণ্ড প্রকাশের সময় আব্বু বেঁচে ছিলেন। বেশ ঘটা করেই এর মোড়ক উন্মোচন করেছিলাম। আশা করছি, বইটির পঞ্চম খণ্ডের মাধ্যমে আব্বুর অনেক গানের অজানা কথা পাঠক জানতে পারবেন।”

গাজী মাজহারুল আনোয়ার ৬০ বছরের সংগীত জীবনে ২০ হাজারের বেশি গান লিখেছেন। বিবিসি’র জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় তার লেখা গান আছে তিনটি। ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব।

ঢাকা/রাহাত/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর বইম ল

এছাড়াও পড়ুন:

বাংলাদেশ থেকে এক হাজার টন ইলিশ নিতে চায় চীন

সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাংলাদেশ থেকে এক হাজার মেট্রিক টন ইলিশ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় এই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

এ সময় ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের ইলিশ মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে চীনে। ইলিশ মাছ রপ্তানির মাধ্যমে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। এসময় তিনি প্রাথমিকভাবে এক হাজার মেট্রিকটন ইলিশ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এছাড়া এ দেশ থেকে আম, কাঁঠাল ও পেয়ারা আমদানি এবং বাংলাদেশে এসব খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চাই। পাশাপাশি চীনের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। চট্টগ্রামের ইকোনমিক জোনে ৩০ টি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার ও বন্ধু রাষ্ট্র। বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। এসময় তিনি বাংলাদেশে কৃষি, ট্রান্সপোর্টেশন, অ্যাগ্রো-মেশিনারিজ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক। বাণিজ্য ব্যবধান কমিয়ে আনতে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বাড়াতে এবং আমদানি পণ্যের সব ধরনের ট্যারিফ কমানোর আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদেশে ট্রাক তৈরির কারখানা স্থাপন ও কৃষির আধুনিকীকরণে বিনিয়োগ দুদেশের জন্য শুভ ফল বয়ে আনবে।

এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আব্দুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

বিএইচ

সম্পর্কিত নিবন্ধ