অপরাধী নেতার আজীবন ভোটে দাঁড়ানো নিষিদ্ধের পক্ষে নয় ভারত সরকার
Published: 27th, February 2025 GMT
ফৌজদারি মামলায় অপরাধী নেতাদের আজীবন ভোটে লড়া নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সরকার মনে করে, ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রচলিত আইন যথেষ্ট। তবে তার পরিবর্তন প্রয়োজন হলে আইনসভা বা সংসদই সেই সিদ্ধান্ত নেবে। সেই কাজ বিচার বিভাগের ঠিক করা অনুচিত।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে এই মনোভাব জানিয়েছে। সরকার বলেছে, এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কোনো ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন মনে করা হলে সংসদই তা করবে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮ ও ৯ নম্বর ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিজেপি নেতা ও আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় এক জনস্বার্থ মামলা করেছেন। ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিশেষ কিছু ফৌজদারি অপরাধে কোনো রাজনৈতিক নেতার দুই বছর বা তার বেশি সাজা হলে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ছয় বছর (২+৬=৮) তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। ৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী দুর্নীতি অথবা রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বস্ত না থাকার কারণে কোনো নেতা পদচ্যুত হলে সেই দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি নির্বাচনে দাঁড়ানোর অধিকার হারাবেন। আবেদনকারীর দাবি, উভয় ক্ষেত্রেই শাস্তির মেয়াদ আজীবন করা হোক। অর্থাৎ, আর কোনো দিন সেই নেতা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপংকর গুপ্ত ও বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চ এ বিষয়ে কেন্দ্রের মনোভাব জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সংসদের এখতিয়ারভুক্ত। বিচার বিভাগের এই ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।
বর্তমান আইনে কোনো নেতা কোনো আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে এবং শাস্তির মেয়াদ দুই বছর হলে সঙ্গে সঙ্গে তিনি আইনসভার সদস্যপদ হারান। আগে উচ্চতর আদালতে আবেদন জানানোর জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হতো।
কেন্দ্রীয় সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী লোকসভার ৫৪৩ জন সদস্যের মধ্যে ২৫১ জনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে। শীর্ষ আদালতে পেশ হওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাবাস হতে পারে, এমন গুরুতর মামলা রয়েছে ১০৭ জন বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে।
.উৎস: Prothomalo
এছাড়াও পড়ুন:
অপরাধী নেতার আজীবন ভোটে দাঁড়ানো নিষিদ্ধের পক্ষে নয় ভারত সরকার
ফৌজদারি মামলায় অপরাধী নেতাদের আজীবন ভোটে লড়া নিষিদ্ধ করার পক্ষে নয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সরকার মনে করে, ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রচলিত আইন যথেষ্ট। তবে তার পরিবর্তন প্রয়োজন হলে আইনসভা বা সংসদই সেই সিদ্ধান্ত নেবে। সেই কাজ বিচার বিভাগের ঠিক করা অনুচিত।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে এই মনোভাব জানিয়েছে। সরকার বলেছে, এ বিষয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কোনো ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন মনে করা হলে সংসদই তা করবে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮ ও ৯ নম্বর ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিজেপি নেতা ও আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় এক জনস্বার্থ মামলা করেছেন। ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিশেষ কিছু ফৌজদারি অপরাধে কোনো রাজনৈতিক নেতার দুই বছর বা তার বেশি সাজা হলে কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ছয় বছর (২+৬=৮) তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। ৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী দুর্নীতি অথবা রাষ্ট্রের প্রতি বিশ্বস্ত না থাকার কারণে কোনো নেতা পদচ্যুত হলে সেই দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি নির্বাচনে দাঁড়ানোর অধিকার হারাবেন। আবেদনকারীর দাবি, উভয় ক্ষেত্রেই শাস্তির মেয়াদ আজীবন করা হোক। অর্থাৎ, আর কোনো দিন সেই নেতা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপংকর গুপ্ত ও বিচারপতি মনমোহনের বেঞ্চ এ বিষয়ে কেন্দ্রের মনোভাব জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সংসদের এখতিয়ারভুক্ত। বিচার বিভাগের এই ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।
বর্তমান আইনে কোনো নেতা কোনো আদালতে দোষী সাব্যস্ত হলে এবং শাস্তির মেয়াদ দুই বছর হলে সঙ্গে সঙ্গে তিনি আইনসভার সদস্যপদ হারান। আগে উচ্চতর আদালতে আবেদন জানানোর জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হতো।
কেন্দ্রীয় সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী লোকসভার ৫৪৩ জন সদস্যের মধ্যে ২৫১ জনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে মামলা রয়েছে। শীর্ষ আদালতে পেশ হওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, পাঁচ বছর বা তার বেশি কারাবাস হতে পারে, এমন গুরুতর মামলা রয়েছে ১০৭ জন বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে।