রুয়েটের চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
Published: 27th, February 2025 GMT
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। মূল ভর্তি পরীক্ষা ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা রুয়েট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, আগামী ৮ মার্চ থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে ভর্তি সংক্রান্ত ফর্ম অনলাইনে পুরণ ও বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে হবে। আগামী ১৯ মার্চ রুয়েটে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভর্তির প্রাথমিক কার্যাদি সম্পন্ন করতে হবে।
ফলাফলসহ ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলেছে রুয়েট প্রশাসন।
রুয়েট ভর্তি পরিক্ষায় আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১৯ হাজার ৯১৫ জন শিক্ষার্থী গত ৮ ফেব্রুয়ারি তিন শিফটে প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ভর্তির প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। প্রাক্-নির্বাচনী পরীক্ষায় তিন শিফটে ৮ হাজার ২ জন পরীক্ষার্থী নির্বাচিত হয়।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭ হাজার ৯৩০ জন ভর্তি-ইচ্ছুক চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। কয়েক বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রকৌশল গুচ্ছের অধীনে পরীক্ষা নিলেও এবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় এবার রেকর্ড পরিমাণ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
এ বছর রুয়েটে ১ হাজার ২৩৫ আসনের বিপরীতে লড়েছেন ১৯ হাজার ৯১৫ জন শিক্ষার্থী। প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়েছেন ১৭ জন শিক্ষার্থী।
ঢাকা/মাহাফুজ/মেহেদী
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর ক ষ য় পর ক ষ র ফল ফল
এছাড়াও পড়ুন:
কাঁদতে কাঁদতে গাজার বাসিন্দা বললেন, ‘আমরা তো সব হারিয়েছি, ঈদটা কষ্টের’
ফিলিস্তিনের গাজায় রোববার পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় বিধ্বস্ত উপত্যকাটিতে এ দিন ছিল না উৎসবের আমেজ। ঈদের দিনও সেখানে নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুসলিমদের কাছে খুশির এ দিনটিতেও গাজায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ ফিলিস্তিনি।
দীর্ঘ ১৭ মাস ধরে চলা হামলায় গাজায় আর কোনো মসজিদ অবশিষ্ট নেই বললেই চলে। রোববার তাই উপত্যকাটির বাসিন্দাদের ঈদের নামাজ আদায় করতে হয়েছে ধ্বংস হয়ে যাওয়া মসজিদের বাইরে। আগের দিনে গাজার যেসব শিশু নতুন পোশাক পরে আনন্দ করত, তারা এখন ক্ষুধায়-আতঙ্কে কাতর। ঈদ উপলক্ষে নেই তেমন রান্নার আয়োজন।
ইসরায়েলের হামলা শুরুর আগে গাজার ফিলিস্তিনিরা ঈদের সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উদ্যাপন করতেন। তবে এখনকার চিত্র ভিন্ন। বহু গাজাবাসী তাঁদের পরিবারের সদস্যকে হারিয়েছেন। রোববার অনেককে দেখা যায় প্রিয়জনের কবরের পাশে। অনেকে হাজির হন হাসপাতালের মর্গে—শেষবারের মতো কাছের মানুষের মরদেহটি দেখতে।
ইসরায়েলের হামলায় গাজার বাসিন্দা আদেল আল-শায়ের তাঁর পরিবারের ২০ সদস্যকে হারিয়েছেন। মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় ঈদের নামাজ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। বলেন, ‘এই ঈদটা কষ্টের। আমরা আমাদের ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারিয়েছি। আমাদের সন্তান, আমাদের জীবন, আমাদের ভবিষ্যৎ—সবকিছু... আমরা তো সব হারিয়েছি।’
ঈদের দিন স্বজনের কবরের পাশে গাজা নগরীর এক নারী