মূল দল নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আসতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছেন মিশেল স্টার্ক। প্যাট কামিন্স ইনজুরিতে আছেন। তিনি ঝুঁকি নেননি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলার। জস হ্যালজউডও একই পথে হেঁটেছেন। বড় টুর্নামেন্টের আগে অবসর নিয়েছেন মার্কোস স্টইনিস। 

অজি ক্রিকেটাররা ফিট থেকে আইপিএল খেলতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কামিন্স-হ্যালজউডের ইনজুরির বিষয়টিও তাও মানা যায়। কিন্তু স্টার্কের ব্যক্তিগত কারণ ও স্টইনিসের হুট করে অবসর যেন মানা যাচ্ছে না। 

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন স্টার্ক। জানিয়েছেন, তার কিছু ব্যক্তিগত কারণ ছিল। এছাড়া গোড়ালির ব্যথা নিয়ে তিনি খেলছিলেন। যে কারণে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ফিট হতে বিশ্রাম নিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া আগামী ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলবে।

স্টার্ক বলেন, ‘অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন কারণ আছে (বিশ্রামের)। কিছু ব্যক্তিগত দিকও ছিল। টেস্ট সিরিজে আমার গোড়ালিতে ব্যথা ছিল। তা থেকে আমার সেরে ওঠা জরুরি। সামনে আমাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ আছে। হ্যা, সামনে আইপিএলও আছে।’ 

স্টার্ক জানিয়েছেন, আইপিএল, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে তার মাথায় টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালই ঘুরছে। প্রথমবার অল্পের জন্য ফাইনাল মিস করেছিলেন তারা। এরপর এটাকে সিরিয়াস নিয়েছেন। এবারের ফাইনাল জিততে চান। যে কারণে পুরোপুরি ফিট হতে চান তিনি।       

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ট স ট চ য ম প য়নশ প র র ফ ইন ল

এছাড়াও পড়ুন:

নিউ জিল্যান্ডের ঘোরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসরে ওয়াগনার

নিল ওয়াগনারই সবশেষ পেসার, যিনি ওভারের ৬টা বলের সবগুলো ব্যাটসম্যানের বুক তাক করে করতেন। নিউ জিল্যান্ডের এই অগ্রাসী পেসার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে গিয়েছিলেন ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতেই। শনিবার (২৯ মার্চ) প্লাঙ্কেট শিল্ডে শুরু হওয়া নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস ও ওটাগোর মধ্যকার ম্যাচটি এই বাঁহাতি পেসারের, নিজ দেশের ঘরোয়া আসরের শেষ ম্যাচ। যদিও এই ৩৯ বছর বয়সী পেসার ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাবেন।

ওয়াগনার আজ থেকে শুরু হওয়া চার দিনের ম্যাচে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে খেলছেন। প্লাঙ্কেট শিল্ডের চূড়ান্ত রাউন্ডে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস যদি ম্যাচ জিততে পারে, তাহলে এই মৌসুমের শিরোপাও জিতবে তারা। তাহলে ওয়াগনারের বিদায় হতে পারে গল্পের মতো। চূড়ান্ত রাউন্ডের আগে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস ৮৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে, তবে ওয়েলিংটন (৮২) এবং ক্যান্টারবুরি (৮০) এখনও শিরোপা জয়ের দৌড়ে রয়েছে।

ওয়াগনার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, “১৭ বছর আগে আমি নিউ জিল্যান্ডে এসেছিলাম এবং এখানে আমার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম ওটাগোর বিপক্ষে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে! কাল (আজ) এই যাত্রার সম্পূর্ণ পূর্ণচক্র হবে। নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে আমার শেষ ম্যাচ খেলব ওটাগোর বিপক্ষে। এরপর আমি বিদেশে চলে যাব এবং কাউন্টি ক্রিকেট খেলব ও পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিব! আমি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে, আমি এই দুইটি দারুণ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি, যারা আমাকে ব্ল্যাকক্যাপ হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ স্তরে খেলার সুযোগ দিয়েছে! অনেক অসাধারণ স্মৃতি রয়েছে। আমার বন্ধুদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা এই বছরগুলিতে আমার সঙ্গে ছিল। আমার পরিবারকেও তাদের অসাধারণ ভালোবাসা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ দিব।”

আরো পড়ুন:

কিউদের বদলি অধিনায়ক ল্যাথামও চোটে

পাকিস্তানের বিপক্ষে না খেলে, আইপিএল খেলবেন স্যান্টনার-রাচিনরা

২০০৫-০৬ মৌসুম থেকে, ওয়াগনার নিউ জিল্যান্ডে ১৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন। নিয়েছেন ৫৬০টি প্রথম শ্রেণির উইকেট। গড় ছিল ২৭.০৩। এই সময়কালে দেশের মধ্যে কোন বোলারই তার চেয়ে বেশি প্রথম শ্রেণির উইকেট নিযতে পারেননি।

প্লাঙ্কেট শিল্ডে, ওয়াগনারের ৩৬৫ উইকেট তাকে সর্বকালের সেরা উইকেট শিকারীর তালিকায় উপরের দিকেই রেখেছেন। তার চেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন কেবল স্টিফেন বক (৪৯২), ইউওয়েন চ্যাটফিল্ড (৩৭০) এবং ডেভিড ও’সালিভান (৩৬৮)।

ঢাকা/নাভিদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • নিউ জিল্যান্ডের ঘোরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসরে ওয়াগনার