দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর হোয়াইট হাউসে প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ বৈঠক করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের আকার (জনবল ও খরচ) ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনতে নিজ প্রশাসনের মনোযোগের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এদিকে বৈঠকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ধনকুবের ইলন মাস্ক সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ব্যয় উল্লেখ করার মতো না কমালে ‘যুক্তরাষ্ট্র দেউলিয়া হয়ে যাবে’। তবে এ বক্তব্যের পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ হাজির করেননি।

বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যরা খুব সামান্য কথাই যোগ করেন। এর বদলে আলোচনায় প্রাধান্য পায় সরকারের খরচ কমানোর প্রচেষ্টার বিষয়টি, যাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইলন মাস্ক। যদিও তিনি মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য নন। আলোচনায় অংশ নিয়ে মাস্ক নিজেকে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন ‘নগণ্য প্রযুক্তিগত সহায়তাকারী’ হিসেবে তুলে ধরেন।

বৈঠকটি এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হলো, ঠিক যখন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তাদের পরিকল্পনা দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনাকে এক সরকারি নথিতে ‘বৃহৎ আকারে জনশক্তি হ্রাস’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এ নথি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী বাহিনী পুনর্গঠনে প্রেসিডেন্টের প্রচেষ্টা গতিশীল করারই ইঙ্গিত দেয়।

বৈঠকটি এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হলো, ঠিক যখন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তাদের পরিকল্পনা দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনাকে এক সরকারি নথিতে ‘বৃহৎ আকারে জনশক্তি হ্রাস’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এ নথি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী বাহিনী পুনর্গঠনে প্রেসিডেন্টের প্রচেষ্টা গতিশীল করারই ইঙ্গিত দেয়।

সহজ কথায়, ২ লাখ কোটি ডলার ঘাটতি বয়ে বেড়ানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বর্তমানে জাতীয় ঋণের ওপর সুদ প্রতিরক্ষা বিভাগের খরচ ছাড়িয়ে গেছে.

..এটি চলতে থাকলে কার্যত এ দেশ দেউলিয়া হয়ে পড়বে।ইলন মাস্ক, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার প্রশাসক লি জেলডিনের পরিকল্পনার প্রশংসা করেন। জেলডিন তাঁর সংস্থার ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করেছেন। অবশ্য, মাস্ক কেন্দ্রীয় সরকারে সার্বিকভাবে কত কর্মী তাঁরা কমাতে চান, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে বলতে অস্বীকৃতি জানান। এ বিষয়ে শুধু এটুকু বলেন, সংস্থাগুলোর আবশ্যকীয় ভূমিকায় (কাজে) যাঁরা ভালো করছেন তাঁদের রাখতে চান তিনি।

ইলন মাস্ক

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ক ন দ র য় সরক র য় সরক র র ইলন ম স ক ল কর র

এছাড়াও পড়ুন:

শেষ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের পতন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন বাড়লেও সিএসইতে কমেছে। তবে, দিনশেষে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৬.৪৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৪৭ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬.৭০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৬৭ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২০.৬৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১৯৩ কোম্পানির, কমেছে ১৩৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৭৩টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ৪৮৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৬৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৩.০৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৮৬৪ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৫০.১৯ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬৩৩ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৬.৭০ পয়েন্ট কমে ৯৪৬ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৬৪.২৩ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৯৫২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ২১৯টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৯৭টি কোম্পানির, কমেছে ৯১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩১টির।

দিনশেষে সিএসইতে ১০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

ঢাকা/এনটি/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ