প্রথমবার নির্দেশনা
এত দিন শ্রোতারা আমাকে গানে ও মিউজিক ভিডিওতে দেখেছেন। এবার নতুন কিছু নিয়ে হাজির হচ্ছি। ‘রবিযাপন’ অনেক দিনের স্বপ্ন ও পরিকল্পনা, আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। আশা করি, সব সময়ের মতোই নতুন এ দায়িত্বেও সবার ভালোবাসা ও সমর্থন পাব।

রবীন্দ্রযোগ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান দিয়েই আমার শুরু। বলা যায়, তাঁর গানেই মানুষ আমাকে চিনেছেন। আমার প্রথম নির্দেশনাতেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেই বেছে নিয়েছি। ‘চোখের বালি’ (পাঠ করা হবে), মাঝখানে কিছু সংলাপ, পাশাপাশি সাতটি রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনা। এভাবে সাজানো হয়েছে এই মিউজিক্যাল অডিও ড্রামা। আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে আমার একক পারফরম্যান্স রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া সফর
সিডনির কনসার্ট আমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। দেশের বাইরে আগেও পারফর্ম করা হয়েছে, তবে এটা ছিল আমার প্রথম টিকিট শো। আমি একাই পারফরমার, তারপরও মিলনায়তন পূর্ণ ছিল। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগেই টিকিট সোল্ড আউট হয়ে যায়। প্রবাসীরা আসলে আমাদের মধ্যে দেশের মাটির গন্ধ খুঁজে পান, এটা আমাকে আপ্লুত করেছে।

মাহতিম শাকিব। শিল্পীর সৌজন্যে.

উৎস: Prothomalo

এছাড়াও পড়ুন:

কেমন খেলল আর্জেন্টিনা, কেমন ‘ছেলেখেলা’র শিকার হলো ব্রাজিল

আর্জেন্টিনার জন্য স্মরণীয় এবং ব্রাজিলের জন্য ম্যাচটি ভুলে যাওয়ার। কিন্তু চাইলেই কি ভোলা সম্ভব! হারটা ৪-১ গোলের। ১৯৮৭ কোপা আমেরিকায় চিলির কাছে চার গোলে সেই হারের পর দক্ষিণ আমেরিকান কোনো দলের বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এই প্রথম ৪ গোল হজম করল ব্রাজিল। ম্যাচটি তাই ঐতিহাসিকও। ২০ বছর পর ঘরের মাঠে ব্রাজিলের বিপক্ষে জিতল আর্জেন্টিনা।
এক দলের জালে চার গোল হওয়ার এ ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই দুই দলের পারফরম্যান্স বিপরীতমুখী। আর্জেন্টিনা কেমন খেলল আর ব্রাজিল তাতে কেমন ‘ছেলেখেলা’র শিকার হলো, খেলোয়াড়দের রেটিং পয়েন্টের দেওয়ার মাধ্যমে তা নির্ধারণ করেছে ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডট কম। আসুন জেনে নিই—আর্জেন্টিনা:

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (৭/১০)

মাথিয়াস কুনিয়ার আকস্মিক শটে গোল হজম করেছেন। এ ছাড়া ম্যাচে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের আর তেমন কিছুই করার ছিল না।

নাহুয়েল মলিনা (৭/১০)

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে বোতলবন্দী করে রাখার কাজটা দক্ষতার সঙ্গে সেরেছেন। আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোলে ক্রসটি তাঁর। চোখজুড়ানো খেলেননি কিন্তু যথেষ্ট কার্যকর ছিলেন।

ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (৬/১০)

কুনিয়ার কাছে সহজে বল হারিয়ে গোল হজম করেছেন। তারপর অবশ্য যথারীতি নির্ভরতার প্রতীক। ভিনিসিয়ুসকে মার্কিং করতে অতিরিক্ত ছোটাছুটিও করেছেন।

নিকোলাস ওতামেন্দি (৭/১০)

ট্যাকল করতে কুণ্ঠা করেননি। ওয়ান-অন-ওয়ানস জিতেছেন। জায়গার ব্যবহার করেছেন দারুণভাবে। অধিনায়কসুলভ পারফরম্যান্স।

আরও পড়ুনব্রাজিলকে নিয়ে ‘ছেলেখেলা’ আর্জেন্টিনার, চার গোলে ‘সুখবর’ উদ্‌যাপন ৩ ঘণ্টা আগে

নিকোলাস তালিয়াফিকো (৭/১০)

তাঁর প্রান্ত দিয়ে ব্রাজিলের আক্রমণ খুব করলেও সামলেছেন খুব ভালোভাবে। একটি গোলের উৎসও তিনি।

লিয়ান্দ্রো পারেদেস (৭/১০)
মাঝমাঠের মূল স্তম্ভ। মাঠের গভীর থেকে খেলেছেন, চাপ নিরসনে চাতুরীপূর্ণ পাসও দিয়েছেন।

অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (৮/১০)
পাস কাড়া থেকে দেওয়ার কাজটা করেছেন। বলের ওপর নিয়ন্ত্রণও ছিল ভালো। চোখজুড়ানো একটি গোল করেছেন।

দুর্দান্ত খেলেছেন এনজো ফার্নান্দেজ

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • কেমন খেলল আর্জেন্টিনা, কেমন ‘ছেলেখেলা’র শিকার হলো ব্রাজিল