নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, ৫৪৪ জনের ফল বাতিল
Published: 26th, February 2025 GMT
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও অনিয়মের দায়ে উত্তীর্ণ ৫৪৪ জনের ফলাফল বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দুই-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হবে। তৃতীয় দফায় তদন্ত কমিটির জমা দেওয়া প্রতিবেদনে জালিয়াতির তথ্য উঠে আসায় বুধবার সিন্ডিকেট সভা এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩ জুলাই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের শূন্য পদে জনবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে ৫২ পদে ৫৪৪ জনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। পদগুলোর মধ্যে- কনসালট্যান্ট পদে ৯৬ জন, মেডিকেল অফিসার (মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, অর্থোপেডিকস) পদে ৬০ জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে ২২৫ জনকে নিয়োগের কথা বলা হয়। বাকিপদগুলোতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ), পরিচালক (আইটি), টেকনিশিয়ান, টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিএসএমএমইউ রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা.
নাম প্রকাশ না করা শর্তে তদন্তে কমিটির একজন সদস্য বলেন, নিয়োগ প্রার্থীদের কল রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথনের স্ক্রিনশট ছিল, পেনড্রাইভে প্রশ্ন নেওয়া অভিযুক্ত চিকিৎসকের মিষ্টি বিতরণের ছবিসহ আরও অনেককিছু যাচাই-বাছাই করেছি। সবমিলিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাজে জমা দিয়েছি। বাকি সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনড্রাইভে করে ৩০০ প্রশ্ন চুরি করে সেগুলো চক্রের সদস্যদের কাছে সরবরাহ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহিদুল ইসলাম ও কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফয়সাল ইবনে কবির। এ কাজে তাদের সহযোগিতা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান। তারাই চাকরি প্রত্যাশীদের কাছে তা বিক্রি করেন। এই চক্রের অন্য সদস্যরা হলেন- সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. রসুল আমিন, একই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ হাসান পলাশ, বিএসএমএমইউর নিউরো সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আবেদ আব্বাস, কনজারভেটিভ ডেনটিস্ট বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মোমিনুর রহমান ও ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাঈনুল মাহমুদ সানী।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ম ড ক ল অফ স র ন য় গ পর ক ষ সদস য তদন ত
এছাড়াও পড়ুন:
নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, ৫৪৪ জনের ফল বাতিল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও অনিয়মের দায়ে উত্তীর্ণ ৫৪৪ জনের ফলাফল বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দুই-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দেওয়া হবে। তৃতীয় দফায় তদন্ত কমিটির জমা দেওয়া প্রতিবেদনে জালিয়াতির তথ্য উঠে আসায় বুধবার সিন্ডিকেট সভা এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৩ জুলাই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের শূন্য পদে জনবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে ৫২ পদে ৫৪৪ জনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি। পদগুলোর মধ্যে- কনসালট্যান্ট পদে ৯৬ জন, মেডিকেল অফিসার (মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, অর্থোপেডিকস) পদে ৬০ জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স পদে ২২৫ জনকে নিয়োগের কথা বলা হয়। বাকিপদগুলোতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ), পরিচালক (আইটি), টেকনিশিয়ান, টেকনোলজিস্ট নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিএসএমএমইউ রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, তৃতীয় দফা তদন্তে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও অনিয়মের তথ্য মিলেছে। তাই সিন্ডিটেড সভায় উত্তীর্ণদের ফলাফল বাতিল করে নতুন নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন হবে। সেখানে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে তদন্তে কমিটির একজন সদস্য বলেন, নিয়োগ প্রার্থীদের কল রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথনের স্ক্রিনশট ছিল, পেনড্রাইভে প্রশ্ন নেওয়া অভিযুক্ত চিকিৎসকের মিষ্টি বিতরণের ছবিসহ আরও অনেককিছু যাচাই-বাছাই করেছি। সবমিলিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাজে জমা দিয়েছি। বাকি সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনড্রাইভে করে ৩০০ প্রশ্ন চুরি করে সেগুলো চক্রের সদস্যদের কাছে সরবরাহ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহিদুল ইসলাম ও কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফয়সাল ইবনে কবির। এ কাজে তাদের সহযোগিতা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং পরীক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান। তারাই চাকরি প্রত্যাশীদের কাছে তা বিক্রি করেন। এই চক্রের অন্য সদস্যরা হলেন- সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. রসুল আমিন, একই হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ হাসান পলাশ, বিএসএমএমইউর নিউরো সার্জারি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আবেদ আব্বাস, কনজারভেটিভ ডেনটিস্ট বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মোমিনুর রহমান ও ভাসকুলার সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাঈনুল মাহমুদ সানী।