থাইল্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮
Published: 26th, February 2025 GMT
থাইল্যান্ডে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩১ যাত্রী। আজ বুধবার দেশটির প্রাচীন বুরি প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তারা তিনটি দ্বিতল বাসে মাঠ পরিদর্শনে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বাইরে ছিটকে পড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় পুলিশের লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিওয়াপাস বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরেকজনের মৃত্যু হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাসটির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তিনি বলেছেন, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় খাদে পড়ে যায়।’
বাসে মোট ৪৯ জন যাত্রী ছিলেন। বিশ্বে সড়ক নিরাপত্তায় সবচেয়ে খারাপ রেকর্ড থাইল্যান্ডের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। অনিরাপদ যানবাহন ও চালকদের অসতর্কতার কারণে মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটছে।
গত বছরের অক্টোবরে ব্যাংককের অদূরে সড়ক দুর্ঘটনায় একটি স্কুলবাসের ২৩ জনের মৃত্যু হয়, যাদের অধিকাংশই শিশু।
.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: দ র ঘটন য়
এছাড়াও পড়ুন:
সব হারিয়ে শূন্য থেকে শুরু করতে চায় পাকিস্তান
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের কোচ আকিব জাভেদ এসেছিলেন। শুরুর ১২ প্রশ্নে কোথাও ছিল না বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পাকিস্তানের ভরাডুবির কারণ, ভারতের বিপক্ষে লড়াইয়ে পেরে উঠতে না পারা, স্বাগতিক হয়েও ছয়দিনের মধ্যে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়, ব্যর্থতার কারণসহ কত-কত প্রশ্ন।
১৩ নম্বর প্রশ্নে যখন পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ম্যাচ প্রসঙ্গ উঠে। খুশি হয়ে যান আকিব জাভেদ। গণমাধ্যমকর্মীকে ধন্যবাদ দিয়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ধন্যবাদ সৃষ্টিকর্তার আছে। কেবল আপনিই এখানে এগিয়ে যেতে চাইছেন।’’
আয়োজক হয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায়ের ঘটনা নতুন নয়। পাকিস্তানও বিদায় নিয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিদ্বন্দ্বতা বাবর, রিজওয়ান, আফ্রিদিরা করতে না পারায় প্রবল সমালোচনা হচ্ছে। আগামীকালের ম্যাচটি তাদের জন্য মুখ রক্ষার।
আরো পড়ুন:
ব্যাটসম্যানরা ৩০০ করলেই বোলাররা পাকিস্তানকে আটকাতে পারবে
আফগানদের ব্রিটিশ বধ
এজন্য সব ভুলে শূন্য থেকে শুরুর কথা বললেন আকিব জাভেদ, ‘‘ক্রিকেট নিয়ে আলোচনায় দেখবেন, বাইরের যারা আছে তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট ম্যাচ নিয়েই চিন্তা করে। কিন্তু খেলোয়াড়দের কথা ভাবুন, তারা ভাবছে মাঠে কি হয়েছে, কিভাবে হলো এবং কোথায় উন্নতি করতে হবে। প্রতিটি ম্যাচ নতুন নতুন চাপ তৈরি করেছে। আপনি যখন ব্যাটিং করবেন তখন কাজটা কিন্তু সহজ হয় না। এজন্য সবাইকে শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। আমরাও সেদিকেই নজর রাখছি। আর এটা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি, বিশ্বকাপ নয়। সেরা আটটা দল খেলে। আগামীকালের ম্যাচটাও আমাদের জন্য সমান গুরুত্বের। আপনি যখন খারাপ অবস্থানে থাকবেন অবশ্যই চাইবেন যেন আপনার সেরা ক্রিকেটাই খেলতে। আমরাও আগামীকাল শক্তিশালী হয়ে খেলতে চাই এবং পরবর্তীতে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’’
ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল