চার দিন আগেই রেকর্ডটা নতুন করে লিখেছিলেন বেন ডাকেট। ২১ বছরের পুরোনো ওই রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ডাকেট নিজের নামটা সবার ওপর রাখতে পারলেন না বেশি দিন। দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে আজ তাঁকে ছাড়িয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের মালিক হয়ে গেলেন আফগানিস্তানের  ইব্রাহিম জাদরান।

আরও পড়ুন৭৭ করেও র‌্যাঙ্কিংয়ে পেছালেন নাজমুল, মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর দুর্দশা এখানেও৩ ঘণ্টা আগে

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আজ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে টিকে থাকার ম্যাচে ১৪৬ বলে ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেছেন ২৩ বছর বয়সী জাদরান। তাঁর ইনিংসে ওপর ভর করেই আফগানিস্তান আগে ব্যাট করে তুলেছে ৭ উইকেটে ৩২৫ রান। এই ম্যাচ হেরে গেলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আশা শেষ হয়ে যাবে তাদের।

আফগানদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নেমেছিলেন  ইব্রাহিম। তবে শুরুতেই তাকে পড়তে হয় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে। ৩৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে আফগানরা। এরপর হাল ধরে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন জাদরান। আউট হয়েছেন ইনিংসের শেষ ওভারে।

উইকেটের চারপাশেই দারুণ কিছু শট খেলেন জাদরান.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: জ দর ন আফগ ন

এছাড়াও পড়ুন:

অ্যাকাউন্টে ১০,৬৯৮ টাকা, কেনা হয়নি বাড়ি-গাড়িও

ফেসবুকে বুধবার দিনভর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের শত শত কোটি টাকার ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিজের ব্যাংক একাউন্টের স্টেটমেন্টের কাগজের ছবিসহ তথ্য তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে নাহিদ বলেন, ‘উপদেষ্টা পদে যোগ দেওয়ার আগে আমার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। ২১ আগস্ট উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানি নিতে সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলি। ওই অ্যাকাউন্টে ২১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লেনদেনের হিসাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করছি। ১০ লাখ ৬ হাজার ৮৮৬ টাকা ওই অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৯৬ হাজার ১৮৮ টাকা উত্তোলিত হয়েছে।

তার মানে বর্তমানে তার অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা রয়েছে। আর সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাকাউন্টটি ছাড়া অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানান সদ্য উপদেষ্টা পদ ছেড়ে আসা নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমার বা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের (স্ত্রী/মা/বাবা) নামে বাংলাদেশের কোথাও জমি বা ফ্ল্যাট নেই বা আমার বা আমার পরিবারের কেউ কেনেনি। আমার একান্ত সচিবের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের অ্যাকাউন্টে ৩৬ হাজার ২৮ টাকা রয়েছে। উনি একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর উনার নিজের নামে বা উনার পরিবারের (স্ত্রী/মা/বাবা) কারো নামে বাংলাদেশের কোথাও কোনো সম্পত্তি কেনা হয়নি। এছাড়া আমার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট যে কারো সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব রয়েছে। প্রয়োজনে উন্মুক্ত করা হবে। তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি দপ্তরে উক্ত তথ্য যাচাইযোগ্য।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ