ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, দুই কারারক্ষী সাময়িক বরখাস্ত
Published: 26th, February 2025 GMT
ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ করাতে দুই কারারক্ষীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় জেলা কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী আমিনুল ও কারারক্ষী রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার তাদের বরখাস্ত করা হয়।
আজ সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কারারক্ষী রহিম প্রথমে এক বন্দির স্বজনের সঙ্গে কথা বলছেন। এর পর সহকারী প্রধান কারারক্ষী আমিনুল কারারক্ষী রহিমের সঙ্গে কথা বলেন এবং সাক্ষাতের জন্য ৪০০ টাকা নেন।
ভিডিওটি ভাইরালে পর অভিযুক্ত কারারক্ষী আমিনুল ও রহিমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
অ্যাকাউন্টে ১০,৬৯৮ টাকা, কেনা হয়নি বাড়ি-গাড়িও
ফেসবুকে বুধবার দিনভর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামের শত শত কোটি টাকার ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিজের ব্যাংক একাউন্টের স্টেটমেন্টের কাগজের ছবিসহ তথ্য তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে নাহিদ বলেন, ‘উপদেষ্টা পদে যোগ দেওয়ার আগে আমার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। ২১ আগস্ট উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানি নিতে সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলি। ওই অ্যাকাউন্টে ২১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লেনদেনের হিসাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করছি। ১০ লাখ ৬ হাজার ৮৮৬ টাকা ওই অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে এবং ৯ লাখ ৯৬ হাজার ১৮৮ টাকা উত্তোলিত হয়েছে।
তার মানে বর্তমানে তার অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা রয়েছে। আর সোনালী ব্যাংকের এই অ্যাকাউন্টটি ছাড়া অন্য কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানান সদ্য উপদেষ্টা পদ ছেড়ে আসা নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ বলেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমার বা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের (স্ত্রী/মা/বাবা) নামে বাংলাদেশের কোথাও জমি বা ফ্ল্যাট নেই বা আমার বা আমার পরিবারের কেউ কেনেনি। আমার একান্ত সচিবের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের অ্যাকাউন্টে ৩৬ হাজার ২৮ টাকা রয়েছে। উনি একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর উনার নিজের নামে বা উনার পরিবারের (স্ত্রী/মা/বাবা) কারো নামে বাংলাদেশের কোথাও কোনো সম্পত্তি কেনা হয়নি। এছাড়া আমার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট যে কারো সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব রয়েছে। প্রয়োজনে উন্মুক্ত করা হবে। তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি দপ্তরে উক্ত তথ্য যাচাইযোগ্য।