যৌতুক চাওয়ার অভিযোগে মোরসালিনের বিরুদ্ধে মামলা তাঁর স্ত্রীর
Published: 26th, February 2025 GMT
যৌতুক চাওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার শেখ মোরসালিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁর স্ত্রী সেঁজুতি বিনতে সোহেল। আজ ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে এই মামলা করেন সেঁজুতি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ২৯ নভেম্বর শেখ মোরসালিনের সঙ্গে সেঁজুতি বিনতে সোহেলের ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকেই মোরসালিন তাঁর কাছে গাড়ি কেনার জন্য ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। একপর্যায়ে যৌতুকের জন্য সেঁজুতিকে মানসিকভাবে চাপ প্রয়োগ, এমনকি নির্যাতনও করা হয়।
আরও পড়ুনখেলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে কোর্টের বাইরে নেপাল, প্রীতি সিরিজে ‘অপ্রীতির’ সুর১১ মিনিট আগেঅভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত বছরের ১০ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে সেঁজুতির বাবার সাভারের বাসায় যান মোরসালিন। তখন এই ফুটবলারের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করতে গিয়েছিলেন সেঁজুতি। এর মধ্যেই মোরসালিন বলে উঠেন, ‘আমি খাবার খেতে আসিনি, যৌতুকের ২০ লাখ টাকা নিতে এসেছি। ’ তখন সেঁজুতির বাবা–মা মোরসালিনকে অনুরোধ করে বলেছিলেন ২০ লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে দেওয়ার মতো সামর্থ্য নেই তাদের। এ কথা শোনার পর মোরসালিন উল্টো তাদের গালাগালি এবং হুমকি–ধমকি দিতে থাকেন।
এ প্রসঙ্গে আজ মোরসালিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘যেহেতু মামলা হয়েছে, আমি আইনিভাবেই এটার মোকাবিলা করব। ’
আরও পড়ুন‘এত কলা বানরও খায় না’—পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের খোঁচা আকরামের১ ঘণ্টা আগেমোরসালিনকে নিয়ে বিতর্ক অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরে মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশনের বিপক্ষে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলে মালদ্বীপ থেকে ফেরার সময় মোরসালিনসহ বসুন্ধরা কিংসের পাঁচ ফুটবলারকে কাস্টমস আটকায়। তাদের কাছে ৬৪ বোতল মদ পাওয়ার খবর আসে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। পরে এই পাঁচ খেলোয়াড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয় বসুন্ধরা কিংস।
একই বছরের জুনে জাতীয় দলে অভিষেক হয় মোরসালিনের। এখন পর্যন্ত দেশের হয়ে ৯ ম্যাচে ৪ গোল করেছেন ১৯ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।
আরও পড়ুনপারফরম্যান্স করুণ, তারপরেও চ্যাম্পিয়নস ট্রফি থেকে বাংলাদেশের আয় কোটি টাকা২ ঘণ্টা আগে.উৎস: Prothomalo
কীওয়ার্ড: র জন য
এছাড়াও পড়ুন:
পাবনায় ১২ অবৈধ ইটভাটায় জরিমানা ৫০ লাখ, উচ্ছেদ ৪
পাবনার সদর উপজেলায় ১২টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে চারটি অবৈধ ইটভাটাকে সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী সদর উপজেলার চর ভবানীপুর, চর বাঙ্গাবাড়িয়া, ভগীরথপুর ও শানিকদিয়ার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক আব্দুল গফুর।
এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, পাবনা জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব এবং ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সার্বিক সহযোগিতায় এই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সিনিয়র সহকারী সচিব) রেজওয়ান-উল-ইসলাম। অভিযানে ১২টি ইটভাটাকে মোট ৫০ লাখ টাকা জরিমানা এবং চারটি ইটভাটা সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করা হয়।
জরিমানা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- চর বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকার এম.এম.বি ব্রিকস, এম.এম.এ ব্রিকস, এইচ.আর.এম ব্রিকস, এম.এস.বি ব্রিকস, ভবানীপুর এলাকার এম.কে.বি ব্রিকস, এস.অ্যান্ড.বি ব্রিকস, এস.অ্যান্ড.বি-২ ব্রিকস, এম.আর.বি-২ ব্রিকস, শানিকদিয়ার এলাকার আর.এ.এফ ব্রিকস, কে.এইচ.বি ব্রিকস, ভগীরথপুর এলাকার এম.আর.বি ব্রিকস এবং এ.এইচ.বি ব্রিকস।
এছাড়া উদ্ধেচকৃত চারটি ভাটা হলো- চর বাঙ্গাবাড়িয়ার পি.এম.বি ব্রিকস ও এ.অ্যান্ড.বি ব্রিকস, ভগীরথপুর এলাকার এস.এম.বি ব্রিকস এবং এম.এইচ.বি ব্রিকস।
এসময় পরিবেশ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক আব্দুল গফুর, পরিদর্শক আব্দুল মমিনসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/শাহীন/এস