মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর সিট বাতিল করে হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃত ওই শিক্ষার্থী হলেন, সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র মো. সাগর হোসেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখ্শ হলের ১৫৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদার বখ্শ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ মাহদী।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্মের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.

) সম্পর্কে অবমাননাকর একটি পোস্ট শেয়ার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সাগরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন তার সহপাঠী ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। খবর পেরে হল প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে অভিযুক্ত সাগরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে মাদার বখশ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ মাহদী বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। হল থেকে তার সিট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।”

ঢাকা/ফাহিম/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

শিক্ষার্থীকে পুলিশে দিল রাবি প্রশাসন

হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি-সংক্রান্ত ফেসবুক পোস্ট নিজের টাইমলাইনে শেয়ারের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী সাগর হোসেনকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা তাঁকে মতিহার থানা পুলিশে দেন। পরে সাগরের সিটও বাতিল করে হল প্রশাসন।

সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী সাগর মাদার বখশ হলের আবাসিক ছাত্র। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘আমি শুধু ভিডিও দেখে শেয়ার দিয়েছি। ক্যাপশনের লেখা খেয়াল করিনি। বুঝলে কখনও এমন পোস্ট শেয়ার করতাম না। বুঝতে পেরেই পোস্টটি আমি ডিলিট করেছি।’

জানা যায়, আসাদ নূর নামে ব্লগার তাঁর ফেসবুকে রাসূল (সা.)-কে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেন। সাগর নিজের টাইমলাইনে সেটি শেয়ার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে হলের শিক্ষার্থীরা সাগরকে জেরা করেন। এ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক শাহ হোসাইন আহমাদ মেহদীকে জানানো হয়। তিনি এসে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে সাগরের সিট বাতিলের ঘোষণা দেন। পরে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা এসে সাগরকে পুলিশে দেন।

প্রাধ্যক্ষ জানান, বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হওয়ার আগেই প্রক্টরিয়াল টিমের সহযোগিতায় তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। তাৎক্ষণিকভাবে সাগরের সিট বাতিল করা হয়।

প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘মব এড়াতে অভিযুক্তকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে পুলিশ তাঁর সম্পৃক্ততা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। ভুলে এমন করে থাকলে শিক্ষার্থীর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।’

মতিহার থানার ডিউটি অফিসার আব্বাস আলী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মঙ্গলবার রাতে এক শিক্ষার্থীকে থানায় হস্তান্তর করে। মামলা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন তারা।


 

সম্পর্কিত নিবন্ধ