উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তার দাবিতে জুলাই আন্দোলনে আহতরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে তারা মিছিল নিয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে এসে সড়কে বসে পড়েন।

এর আগে বিভিন্ন সময় আন্দোলনে আহতরা স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে রাজধানীর শ্যামলী, শাহবাগ, উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অবরোধ করেছিলেন।

ডিএমপি তেজগাঁও বিভাগের উপ- কমিশনার ইবনে মিজান সমকালকে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতরা তাদের কিছু দাবি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। তারা রাস্তা অবরোধ করেনি, কার্যালযয়ের সামনে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালযয়ের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যময়ন করা হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: অবস থ ন উপদ ষ ট র অবস থ ন র স মন

এছাড়াও পড়ুন:

কক্সবাজারে বিমান বাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের অভিযোগে ঢাবিতে মা

কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নিরস্ত্র জনগণের উপর বিমান বাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মানববন্ধন করা হয়েছে। এ সময় গুলিবর্ষণে শিহাব কবির নাহিদ নিহত এবং ১৫-২০ জন সাধারণ মানুষ আহত হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ঢাবির কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

মানববন্ধনে কক্সবাজার স্টুডেন্ট ফোরাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিমান বাহিনীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীগুলোতে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসরা বহাল তবিয়তে আছে। দেশের বিরাজমান অনেক সমস্যা বিভিন্নভাবে শান্তিপূর্ণ উপায়ে কৌশলে সমাধান করা যায়।

তারা বলেন, বিভিন্ন বাহিনীতে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা একের পর এক উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার অপচেষ্টা করতেছে। যার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে, কক্সবাজারে তুচ্ছ ও সমাধানযোগ্য একটা বিষয়ে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করেছে এ বাহিনী, যা খুনী হাসিনার স্বৈরাচারী আচরণের প্রতিচ্ছবি। 

সংগঠনটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজ বলেন, “ওসি প্রদীপ বিচার বহির্ভূতভাবে ২০০ জনকে হত্যা করেছে, তার বিচার দাবি করছি‌। যদি শিহাব কবির নাহিদের হত্যাকাণ্ডের বিচার না হয় তাহলে জনগণ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে‌‌। আমি এ ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাচ্ছি।”

কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের সহ-সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের বলেন, “আজ দুইজন সাধারণ মানুষ মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিল। তাদের বিমান বাহিনী ধরে নিয়ে যায়। এরপর এলাকার সাধারণ মানুষেরা শান্তিপূর্ণভাবে ছাড়িয়ে নিতে গেলে বিমান বাহিনী সশস্ত্র হামলা চালায়। আমরা কি মানুষ নই?”

তিনি বলেন, “কিছু মিডিয়া হলুদ সাংবাদিকতা করে এ ঘটনাকে বিমান বাহিনীর ওপর হামলার নাটক সাজিয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলাম, আপনাদের এ দাবি সত্য নয়।” এ সময় তিনি কক্সবাজারের খাস জমিগুলো সশস্ত্র বাহিনীগুলো দখল করে হোটেল ব্যবসা শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-

১. বিমান বাহিনীর গুলিবর্ষণে নিহত শিহাব কবির নাহিদ ও ১০-১৫ জন আহতদের ঘটনার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধের নামে ক্রসফায়ারে প্রায় ২০০ নিহতের ঘটনার স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

২. বিমান বাহিনী ও আইএসপিআর (আন্তঃবাহিনী সংযোগ অধিদপ্তর) থেকে প্রকাশিত একপাক্ষিক প্রেস বিজ্ঞপ্তির নিন্দা জানানো হোক এবং সত্যনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করে ক্ষমা চাইতে হবে।

৩. বিমান বাহিনীসহ কক্সবাজারে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদী ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত সদস্যদের চিহ্নিত করে তাদের বাহিনী থেকে অপসারণ করতে হবে।

৪.স্থানীয়দের অধিগ্রহণ করা জমিজমার ন্যায্য মূল্য প্রদান, স্থানীয়দের মামলা দিয়ে হয়রানি না করা এবং গুলিতে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা/সৌরভ/মেহেদী

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • হবিগঞ্জে বাস উল্টে খাদে, আহত অনেক
  • প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে জুলাই আন্দোলনে আহতদের অবস্থান
  • কক্সবাজারে বিমান বাহিনীর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের অভিযোগে ঢাবিতে মা
  • লক্ষ্মীপুরে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতরা পেলেন আর্থিক সহায়তা 
  • আজমিরীগঞ্জে সিএনজি স্ট্যান্ড দখল নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ