সারা দেশে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের ‘আশ্বাসে’ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নিয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে অবরোধ তুলে নেন তারা। এর আগে, মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

হেফাজতের নেতাকর্মীরা জানান, ২০১৬, ২০২০ ও ২০২১ সালে পৃথক সহিংসতার ঘটনায় সারা দেশের বিভিন্ন থানায় ৭৫টি মামলা হয়েছে। এ সব মামলায় তিন হাজারেরও বেশি হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও আলেম-ওলামাদের আসামি করা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এসব মামলায় করা হয়েছে। আমরা মামলাগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছি। প্রশাসন প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়েছে, তাই মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘‘প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধকারীরা মহাসড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। আগামী রোববার জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করবেন।’’

ঢাকা/রুবেল/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর র ন ত কর ম অবর ধ

এছাড়াও পড়ুন:

জেমকন গ্রুপের নাবিল, তাঁর দুই ভাই, মাসহ ১০ জনের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

জেমকন গ্রুপের মালিক ও যশোর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, তাঁর দুই ভাই ও মা এবং মৃত বাবাসহ ১০ জনের নামে থাকা ১১৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন আজ বুধবার এ আদেশ দেন।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, কাজী নাবিল আহমেদের ২১টি ব্যাংক হিসাব, তাঁর ভাই আনিস আহমেদের ২০টি, কাজী ইনাম আহমেদের ১০টি এবং তাঁদের মা আমিনা আহমেদের নামে থাকা ২৫টি ব্যাংক হিসাবের তথ্য তুলে ধরে সেগুলো অবরুদ্ধ করার পৃথক আবেদন করা হয়। আদালত তা মঞ্জুর করেন। এর বাইরে কাজী নাবিল আহমেদের মৃত বাবার নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ছাড়া কাজী নাবিল আহমেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট পাঁচজন মালিয়া মান্নান আহমেদ, কাজী সিরাজ আহমেদ, লতিফা মান্নান ইসলাম, রাইয়াদ জায়েদ মান্নান ও আবু মুসার নামে থাকা ৩৫টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আরও পড়ুনজেমকনের মালিক কাজী নাবিলসহ চারজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি কাজী নাবিল আহমেদ, তাঁর দুই ভাই ও তাঁদের মায়ের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। দুদকের পক্ষ থেকে সেদিন আদালতকে জানানো হয়েছিল, জেমকন গ্রুপের বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক জালিয়াতি ও অন্যান্য দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

সম্পর্কিত নিবন্ধ