তাঁতিদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
Published: 26th, February 2025 GMT
সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
তাঁত শিল্প নিয়ে কোনো প্রকার দুর্বৃত্তায়ন ও দুর্নীতিবাজদের ঠাঁই নেই উল্লেখ করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেছেন, তাঁত বোর্ড ও সমিতির আলোচনা সাপেক্ষে তাঁতিদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জুট বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড আয়োজিত ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারে তাঁতিদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে সুতা, রং ও রাসায়নিক সরবরাহ সংক্রান্ত প্রচলিত পদ্ধতির সংস্কার ও উন্নয়নবিষয়ক কর্মশালায় তিনি একথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, তাতঁ শিল্পের বিকাশের জন্য সরকার কিছু জায়গায় শুল্ক সুবিধা দিয়ে আমদানির ব্যবস্থা করলেও এই খাতে দুর্বৃত্তায়ন হয়েছে। যার কারণে সরকার ও তাঁতি কেউই লাভবান হতে পারেনি।
এ সময় কাঁচামাল সরবরাহ ও সুযোগ সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে সরকারি ভাবে তদারকি প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তাঁতি সমিতির সদস্যরা। তারা বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে আগামী দিনে তাঁতিদের তৈরি পণ্য আরও বেশি পরিমাণ বিদেশে রপ্তানি করা যাবে।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.
এম জি
উৎস: SunBD 24
কীওয়ার্ড: সরক র
এছাড়াও পড়ুন:
কোম্পানি খুলে ব্যবসা করে ইডিসিএলের কর্মকর্তারা, প্রমাণ পেয়েছে দুদক
ওষুধ প্রস্তুতকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) কর্তারাই সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে নিজেরা কোম্পানি খুলে মালামাল সরবরাহ করছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট অভিযানে মিলেছে এর সত্যতা।
রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয় ঢাকা থেকে একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম বলেন, ওষুধ প্রস্তুতকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের কাঁচামাল ক্রয়ে অনিয়ম, অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
দুদক জানায়, অভিযানে দেখা যায় প্রতিষ্ঠানটির দুই জন কর্মকর্তা সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে নিজেরা কোম্পানি খুলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে মালামাল সরবরাহ করায় এরইমধ্যে তাদের চাকরিবিধি অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়াও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা রয়েছে বলে অভিযানে টিমের কাছে প্রতীয়মান হয়। টিম প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনায় জানতে পারে, বেশ কয়েকজন কর্মচারীকে শুধু মৌখিক পরীক্ষা নিয়েই চাকরি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে বাইরের কোম্পানি থেকেও ওষুধ উৎপাদন করা হয় মর্মে অভিযানকালে তথ্য পায় টিম।
অভিযানে সংগৃহীত তথ্য বিস্তারিতভাবে যাচাইপূর্বক প্রাপ্ত অনিয়মের বিষয়ে কমিশন বরাবর বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে স্বাস্থ্যখাত ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। ওষুধ প্রস্তুতকারী একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) এ মোটা অঙ্কের অবৈধ আর্থিক লেনদেন, স্বজনপ্রীতি, প্রয়োজনের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি লোকবল নিয়োগ করা হয়েছে। অথচ ওষুধ উৎপাদন বাড়েনি, উল্টো কমেছে।
অভিযোগ ছিল, খোদ প্রতিষ্ঠানটির কর্তারাই সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে নিজেরা কোম্পানি খুলে এখানে মালামাল সরবরাহ করতেন। বছরের পর বছর এভাবে চলতে চলতে পঙ্গু হয়ে গেছে ইডিসিএল। রাষ্ট্রীয় এ প্রতিষ্ঠানটির এমন দশার জন্য দায়ীদের মূলে ডা. এহসানুল কবির।
জানা গেছে, ২০১৪ সালে ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান আওয়ামীপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতা এহসানুল কবির। শুরুতে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেও গত ১০ বছর টানা এই পদে ছিলেন তিনি। সরকারি চাকরির পাশাপাশি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদকের পদে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অবস্থা বেগতিক বুঝতে পেরে গত ২ অক্টোবর ইস্তফা দেন তিনি। রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের প্রবণতা প্রতিষ্ঠানটিকে পঙ্গু বানানো হয়েছে।