বিশ্ব অনূর্ধ্ব-২০ জুনিয়র দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম রাউন্ডে ড্র করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন মনন রেজা। মন্টেনেগ্রোর পেত্রোভাকে গতকাল মঙ্গলবার শুরু হওয়া প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে আন্তর্জাতিক মাস্টার মননের প্রতিপক্ষ ছিলেন স্পেনের হুনকোসা পাদ্রোস, যিনি কোনো খেতাব পাননি এখনো। তাঁর রেটিং ২০৮৮। মননের রেটিং ২৪৩১। সব দিক থেকে এগিয়ে থাকা মনন এই ম্যাচে জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে টেবিলে বসে শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছেন।

মন্টেনেগ্রোয় চলছে বিশ্ব অনূর্ধ্ব–২০ জুনিয়র দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: মনন র

এছাড়াও পড়ুন:

ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যের গল্প শোনালেন নাঈম

“চাচা হেনা কোথায়?’ বাপ্পারাজের কণ্ঠে এমন সংলাপ সম্প্রতি ভাইরাল হয়। ‘প্রেমের সমাধি’ সিনেমার বকুল চরিত্রের অভিনেতা বাপ্পারাজ হেনার চরিত্রে অভিনয় করেন শাবনাজ।

অনেক আগেই নন্দিত নায়ক নাঈমকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন শাবনাজ। সম্প্রতি এ দম্পতির বাড়িতে তারকাদের মিলন মেলা বসে। হেনাকে নিয়ে নাঈম-বাপ্পারাজের ধারণ করা একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। কেউ কেউ নাঈমের সমালোচনাও করেন। এবার ভিডিওটির নেপথ্যের গল্প শোনালেন নাঈম।

ভিডিওতে দেখা যায়, সিনেমার মতোই দৌড়ে এসে বাপ্পারাজ নাঈমের সামনে দাঁড়ান। তার মুখে শোনা যায়, “নাঈম ভাই, হেনা কোথায়?” নাঈম বলেন, “হেনার সঙ্গে অনেক আগেই আমার বিয়ে হয়ে গেছে।” তারপরই “না” বলে বাপ্পারাজকে জড়িয়ে ধরেন, সান্ত্বনা দেন নাঈম। পরে দেখা যায়, গান গাইতে গাইতে হেনা অর্থাৎ শাবনাজ হাজির হন।

আরো পড়ুন:

‘ঝগড়ার সমাপ্তি, এখন থেকে হাতাহাতি হবে’

অপসারণের আলটিমেটামের মধ্যেই এফডিসির এমডিকে ফুল দিয়ে বরণ

এসব মজার ঘটনা নিয়েই সম্প্রতি টেলিপ্যাব (টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রোডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) আয়োজিত পিকনিক ও আনন্দ উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে কথা বলেন নাঈম। এই অভিনেতা বলেন, “বাপ্পা, ওমর সানীসহ আমাদের সেই সময়ের সবার সঙ্গে নিয়মিতই দেখা হয়, আড্ডা হয়। এবার যখন বাপ্পাসহ আরো অনেকে টাঙ্গাইলে আমাদের গ্রামের বাড়িতে আসেন, তখন যথারীতি আমাদের গ্রামের বাড়ির বাগানে চা খাচ্ছিলাম, মজা করছিলাম। ওমর সানী পেছন থেকে ভিডিও করছিল। সব সময়ই নানা মজার ঘটনা ঘটে। আড্ডার মাঝে আমার মেয়ে নামিরা জানায়, বাপ্পা আর আমাকে একটা অনুরোধ রাখতে হবে। মেয়ের আবদার তো রাখতেই হবে। বাপ্পা তখন জানতে চায়, ‘কী মা বলো?”

পরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নাঈম বলেন, “বাপ্পা তখন জানত না কী হতে যাচ্ছে। পরে নামিরার কাছে সব শুনে, সবার তো চোখ কপালে। হেনার যে অংশ ভাইরাল হয়েছে, সেই অংশ অন্যভাবে অভিনয় করে দেখাতে হবে। এখানে এবার নাঈমকেও থাকতে হবে। এই ভাইরালের যুগে এসব করলে মানুষ কি বলবে! সেই ভাবনা সবার মাথায় ছিল। মেয়ের কথা রাখতে গিয়েই, ভিডিওতে অংশ নিলাম। ওরাই সব ঠিক করল। আমাকে গাছের সঙ্গে হেলিয়ে তারা দাঁড় করিয়ে দিল। পরে আমার কাছে দৌড়ে বাপ্পা আসে। ডায়ালগ দিতে হয়। সেটা আপনারা ভিডিওতে দেখেছেন। মেয়ের ইচ্ছা পূরণ করতে বাপ্পাকে জড়িয়ে ধরি, শাবনাজ এসে নাচে।”

ভাইরাল হওয়ার জন্য ভিডিওটি তৈরি করা হয়নি। তা জানিয়ে নাঈম বলেন, “পরে দেখি এটাও ভাইরাল। আমরা ইচ্ছা করে ভাইরাল করব এমন চিন্তা ছিল না। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিও করা। তবে বুঝতে পেরেছি দর্শকেরা এখনো আমাদের ভালোবাসেন। তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা।”

ঢাকা/রাহাত/শান্ত

সম্পর্কিত নিবন্ধ