অ্যাপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে চলা ম্যাক কম্পিউটারে আক্রমণ করতে সক্ষম বিপজ্জনক এক ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছে মাইক্রোসফট। ‘এক্সসিএসএসইটি’ নামের ম্যালওয়্যারটি থেকে নিরাপদ থাকতে ম্যাক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সতর্কও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাইক্রোসফটের থ্রেট ইন্টেলিজেন্স দলের তথ্যমতে, এক্সসিএসএসইটি নামের ম্যালওয়্যারটি নতুন নয়। তবে আগের তুলনায় বেশ উন্নত হয়েছে ম্যালওয়্যারটি। অ্যাপ্লিকেশনে নিজের উপস্থিতি লুকিয়ে রাখতে সক্ষম এই ম্যালওয়্যার ২০২০ সালে প্রথম শনাক্ত করা হয়। এখন এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। ফলে এটি শনাক্ত করা কঠিন এবং ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য ঝুঁকিও বেড়েছে।

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, এক্সসিএসএসইটি ম্যালওয়্যারের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো হ্যাকাররা এর মাধ্যমে অন্যান্য ক্ষতিকারক অ্যাপ তৈরি করতে পারে এবং সেগুলোকে ম্যাক অ্যাপ স্টোরের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। একবার যদি কোনো কম্পিউটারে এই ম্যালওয়্যার প্রবেশ করে, তাহলে হ্যাকাররা সেটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে এবং ব্যবহারকারীর ডেটা, যেমন পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এমনকি এটি ব্যবহারকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টকেও ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

সূত্র: নিউজ ১৮

.

উৎস: Prothomalo

কীওয়ার্ড: ম য লওয

এছাড়াও পড়ুন:

ম্যাক কম্পিউটারে আক্রমণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছে মাইক্রোসফট

অ্যাপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে চলা ম্যাক কম্পিউটারে আক্রমণ করতে সক্ষম বিপজ্জনক এক ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছে মাইক্রোসফট। ‘এক্সসিএসএসইটি’ নামের ম্যালওয়্যারটি থেকে নিরাপদ থাকতে ম্যাক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সতর্কও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাইক্রোসফটের থ্রেট ইন্টেলিজেন্স দলের তথ্যমতে, এক্সসিএসএসইটি নামের ম্যালওয়্যারটি নতুন নয়। তবে আগের তুলনায় বেশ উন্নত হয়েছে ম্যালওয়্যারটি। অ্যাপ্লিকেশনে নিজের উপস্থিতি লুকিয়ে রাখতে সক্ষম এই ম্যালওয়্যার ২০২০ সালে প্রথম শনাক্ত করা হয়। এখন এটি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। ফলে এটি শনাক্ত করা কঠিন এবং ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য ঝুঁকিও বেড়েছে।

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, এক্সসিএসএসইটি ম্যালওয়্যারের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো হ্যাকাররা এর মাধ্যমে অন্যান্য ক্ষতিকারক অ্যাপ তৈরি করতে পারে এবং সেগুলোকে ম্যাক অ্যাপ স্টোরের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। একবার যদি কোনো কম্পিউটারে এই ম্যালওয়্যার প্রবেশ করে, তাহলে হ্যাকাররা সেটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে এবং ব্যবহারকারীর ডেটা, যেমন পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এমনকি এটি ব্যবহারকারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টকেও ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

সূত্র: নিউজ ১৮

সম্পর্কিত নিবন্ধ