ইসরায়েলি কারাগারে ৫৯ বন্দি ফিলিস্তিনির মৃত্যু
Published: 26th, February 2025 GMT
কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি বন্দি ইসরায়েলি কারাগারে মারা গেছেন। নিহত ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগই অবরুদ্ধা গাজা ভূখণ্ডের বাসিন্দা।
মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে বিপুল সংখ্যক এই ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি কারাগারে প্রাণ হারিয়েছেন।
বার্তাসংস্থাটি বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি বন্দি মারা গেছেন বলে বন্দিদের অধিকার বিষয়ক একটি গ্রুপ মঙ্গলবার জানিয়েছে।
প্যালেস্টানিয়ান প্রিজন সোসাইটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে গাজা উপত্যকার ৩৮ জন বন্দি রয়েছেন। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাজার বন্দিদের মৃত্যুর তথ্য গোপন করার অভিযোগও করেছে সংস্থাটি।
বন্দিবিষয়ক কমিশন সোমবার জানিয়েছে, গাজার বন্দি মুসাব হানি হানিয়াহ ইসরায়েলি হেফাজতে মারা গেছেন। ৩৫ বছর বয়সী হানিয়াহকে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খান ইউনিস থেকে ২০২৪ সালের ৩ মার্চ আটক করেছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। তার পরিবারের মতে, আটক হওয়ার আগে হানিয়াহ সুস্থ ছিলেন।
ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান অনুসারে, ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর এবং গাজা দখলের পর থেকে ইসরায়েলি কারাগারে কমপক্ষে ২৯৬ ফিলিস্তিনি বন্দি মারা গেছেন। অন্তত ১০ হাজার ফিলিস্তিনি ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি রয়েছে। এই পরিসংখ্যানে গাজা উপত্যকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি যাদের সংখ্যা আনুমানিক হাজার হাজার।
গাজায় গত ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তিন-পর্যায়ের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দি বিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে। মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিল।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ইসর য
এছাড়াও পড়ুন:
লোকসানের ধারায় আছে বিডি সার্ভিস
২০২৪ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) লোকসানের ধারা অব্যাহত আছে বিডি সার্ভিসের। এর আগে প্রথম প্রান্তিকেও লোকসানে ছিল কোম্পানিটি। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে বছরের প্রথম ছয় মাসে লোকসানে আছে বিডি সার্ভিস।
২০২৪ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে বিডি সার্ভিসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা; ২০২৩ সালের একই সময় যা ছিল ১ টাকা ৭২ পয়সা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসান বেড়েছে। অর্ধবার্ষিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছে শেয়ারপ্রতি ৫ টাকা ২০ পয়সা; গত বছরের একই সময় যা ছিল ২ টাকা ৭৪ পয়সা।
জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৪ সময়ে বিডি সার্ভিসের শেয়ারপ্রতি নিট অপারেটিং নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ১ টাকা ৯৭ পয়সায় নেমে এসেছে; ২০২৩ সালে যা ছিল ২ টাকা ৮৭ পয়সা। এ ছাড়া ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল টাকা ২২৩ টাকা শূন্য ৬ পয়সা; ৩০ জুন ২০২৪ তারিখে যা ছিল ২২৮ টাকা ২৬ পয়সা। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে কোম্পানিটি আর্থিকভাবে চাপের মুখে আছে। ২০১৪ সালের পর কোম্পানিটি লভ্যাংশ দেয়নি।