প্রকাশিত হয়েছে বিনয় দত্ত’এর গল্পগ্রন্থ ‘দাসের বলি তাসের দেশে’
Published: 26th, February 2025 GMT
মেলায় প্রকাশিত হয়েছে কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক বিনয় দত্ত’এর গল্পগ্রন্থ ‘দাসের বলি তাসের দেশে’। প্রকাশক পাঞ্জেরী। প্রচ্ছদ করেছেন মানব। বইটির মুদ্রিত মূল্য ২০০ টাকা। পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণের পাঞ্জেরীর প্যাভিলিয়ন ২৯-এ।
বইটিতে ক্ষুরধার অণুগল্প স্থান পেয়েছে। গল্পগুলো ঠিক গল্প নয়, যাপিত জীবনের প্রতিদিনকার দৃশ্যপট যেন। একেক দৃশ্যপটে একেক ধরনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। গল্পগুলো মূলত জীবন ঘনিষ্ঠ অভিজ্ঞতা, বক্তব্য, সাক্ষাৎকার ও বাস্তব ঘটনার নিরীক্ষে রচনা করা। গল্পগুলোর সময়, কাল, কুশীলব, ঘটনা বেশিরভাগই বাস্তব, কিছুটা কল্পনামিশ্রিত। তবে বুদ্ধিমান পাঠক অনায়াসেই ধরতে পারবেন কতটা কল্পনা আর কতটা বাস্তব।
সত্য ঘটনার মিশেলে এই গল্পগুলো পাঠককে জর্জরিত করবে প্রশ্নবাণে। দাঁড় করাবে ভয়াবহ বাস্তবতার সামনে। এই যন্ত্রণা উপভোগ করতে না চাইলে বইটা এড়িয়ে যাওয়াই মঙ্গল। তবে যারা নতুন স্বাদের গল্প পড়তে চান তাদের সুস্বাগতম ‘দাসের বলি তাসের দেশে’ গল্পগ্রন্থে।
বইটি সম্পর্কে বিনয় দত্ত বলেন, ``গল্পগুলো বেশ নিরীক্ষাধর্মী। সেটা যেমন নামের ক্ষেত্রে, তেমনি গল্পের বর্ণনায়। প্রতিটি গল্প বিশদ থেকে বিশদতর করা যেত কিন্তু আমি অণুগল্পের শক্তিতে প্রভাবিত হয়ে নিজের অবস্থান শক্ত রেখেছি। পাঠক গল্পগুলো পড়লে নিজেদের অবস্থান যেমন জানবেন, তেমনি বুঝবেন রাষ্ট্রের দায়দায়িত্ব। সর্বোপরি নিরেট গল্প পাঠের আমন্ত্রণ সবাইকে। যা শুধুই গল্প।‘’
‘দাসের বলি তাসের দেশে’ এটি লেখকের অষ্টম বই।
বিনয় দত্ত’র অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে ‘আবুল মনসুর আহমদ প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা পুরস্কার ২০২০’।
ঢাকা/লিপি
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
‘বাঘের থাবার দাগ’ সময়ের স্মারক হয়ে আছে যে মসজিদের দেয়ালে
জায়গাটিতে তখন এত মানুষের বসতি ছিল না। ঝোপ-জঙ্গলে স্থানটি দুর্গম ছিল, অন্য রকম ছিল। বাঘসহ অন্য সব বন্য প্রাণীর বিচরণ ছিল এই স্থানটিতে। এটা অনুমান করা যায় পাঁচ শতাধিক বছর আগের তৈরি মসজিদের দেয়ালের একটি চিহ্ন থেকে। স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন, ওই চিহ্নটি ‘বাঘের পায়ের থাবার’। সেই দাগ এখনো দেয়ালটিতে সময়ের স্মারক হয়ে আছে। মসজিদটিতে সময়ে সময়ে নানা রকম সংস্কার ও উন্নয়নকাজ হয়েছে। তবে পুরোনো আদল, ‘বাঘের থাবার চিহ্ন’, ফুলের নকশা এখনো বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।
মসজিদটির নাম ‘গয়ঘর ঐতিহাসিক খোজার মসজিদ’। অবস্থান মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নে। প্রাচীন স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন হয়ে এখনো মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় টিকে আছে। শুধু স্থানীয় মানুষই নয়, আশপাশের এলাকাসহ দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন মসজিদটি দেখতে, নামাজ পড়তে। মসজিদকে কেন্দ্র করে নানা কাহিনিরও কমতি নেই।
গত বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে মসজিদটিতে গিয়ে দেখা গেছে, তখন সূর্য অনেকটাই হেলে পড়েছে পশ্চিমের দিকে। আসরের নামাজের সময় হয়ে গেছে। আজান পড়তেই চারদিক থেকে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে ছুটে এসেছেন। স্থানীয় লোকজন জানালেন, পাঁচ ওয়াক্তের নামাজের সময় এ রকমই হয়ে থাকে। তবে শুক্রবারে জুমার নামাজে প্রচুর মুসল্লির সমাগম ঘটে। ঐতিহাসিক মসজিদে নামাজে শামিল হতে অনেক দূরের মানুষ এখানে ছুটে আসেন। তখন অনেক সময় মুসল্লিদের স্থান সংকুলান কঠিন হয়ে পড়ে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় মসজিদের পুরোনো ভবন অক্ষুণ্ন রেখে মসজিদের পূর্ব ও উত্তর দিকে জায়গা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। দক্ষিণ পাশেও অস্থায়ীভাবে শামিয়ানা টাঙিয়ে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মসজিদের ভেতরের পূর্ব দিকের দেয়ালের থামে এই দাগটি বাঘের থাবার বলে বিশ্বাস করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গত বুধবার মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গয়ঘরে