Risingbd:
2025-03-28@21:05:08 GMT

ঢাবিতে ট্যুরিজম কার্নিভাল শুরু

Published: 25th, February 2025 GMT

ঢাবিতে ট্যুরিজম কার্নিভাল শুরু

ঢাকা ইউনিভার্সিটি ট্যুরিস্ট সোসাইটির (ডিইউটিএস) উদ্যোগে প্রথমবারের মতো দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্যুরিজম কার্নিভাল শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে এ আয়োজন করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্নিভাল উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিইউটিএস এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড.

ইসতিয়াক এম সৈয়দ, মাউন্ট এভারেস্ট জয়ী ষষ্ঠ বাংলাদেশী বাবর আলী, বিশ্ব রেকর্ডধারী সাইক্লিস্ট ও অভিযাত্রী তাম্মাত বিল খোয়ার প্রমুখ।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান কার্নিভালের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং দেশের পর্যটন খাতের টেকসই উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য তিনি যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

কার্নিভালের প্রথমদিনে ঐতিহ্যবাহী ও বাণিজ্যিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরা হয়। এছাড়া ইকো-ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটন নিয়ে সেমিনার ও টক-শো আয়োজন করা হয়।

দুই দিনব্যাপী কার্নিভালে কুইজ প্রতিযোগিতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি, সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

ঢাকা/সৌরভ/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

তাজউদ্দীন আহমদের স্বহস্তে লেখা মুক্তিযুদ্ধের অজানা দলিল: আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সারসংক্ষেপ

ভূমিকা: শারমিন আহমদ

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সেটা ছিল অস্থির ও উত্তাল এক সময়। পরাশক্তিগুলোর মধ্যে তীব্র ঠান্ডা যুদ্ধ চলছে। বাংলাদেশ নিয়ে তাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থান। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও নানা টানাপোড়েন। নিজ দলের মধ্যেও মতবিরোধের শেষ নেই। এসবের মধ্যেই সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। নানা মতের মোকাবিলা ও সমন্বয় করে জাতীয় মুক্তির লড়াইয়ে স্থির লক্ষ্যে সবকিছু সামলে গেছেন। সরকারের সব কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে গেছেন বিজয়ের লক্ষ্যে।

এই গুরুদায়িত্ব পালনের মধ্যেও তাঁর দলের মধ্যে ভূমিকা রাখতে হয়েছে। সে সময় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির একাধিক বৈঠক চলেছে। তাতে তাজউদ্দীন আহমদ অংশ নিয়েছেন। শুধু অংশ নেননি। বৈঠকে কে কী বলছেন, সেসব মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। নিজের হাতে তা যত্ন করে টুকে রেখেছেন। তাঁর সেই নোট টেলিগ্রাফের মতো অতি সংক্ষেপে প্রায় সাংকেতিক ভাষায় লেখা। সেই অগ্নিগর্ভ সময়ের নানা মাত্রা তাঁর সাংকেতিক নোটে অক্ষয় হয়ে আছে। বিন্দুতে সিন্ধুর মতো তিনি প্রত্যেকের মোক্ষম কথাগুলো অল্প আঁচড়ে ধরে রেখেছিলেন। তাঁদের কথার ফাঁকে ফাঁকে দু–একটি জায়গায় দু–চার শব্দে কখনো কখনো নিজের চকিত মন্তব্যও তিনি লিখে রাখছিলেন। পাঠকদের বোঝার সুবিধার জন্য তাঁর নিজের মন্তব্যগুলো এখানে বাঁকা হরফে রাখা হয়েছে। পুরোনো পাণ্ডুলিপিতে দু–চারটি শব্দ পড়া যাচ্ছে না। আমরা সেসব জায়গায় ‘… (অস্পষ্ট)’ লিখে দিয়েছি।

বহু আগে থেকেই তাজউদ্দীন আহমদের দিনপঞ্জি লেখার অভ্যাস ছিল। তাঁর দিনপঞ্জি আমাদের ভাষা আন্দোলনকে নতুন আলোয় দেখতে ও বুঝতে সাহায্য করেছে এবং এর ইতিহাস রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাঁর মুক্তিযুদ্ধকালের অভিজ্ঞতা হতে পারত বাংলাদেশের ইতিহাসের সেই নিয়তিনির্ধারক সময়কে ভেতর থেকে জানার অমূল্য এক উপাদান। তাজউদ্দীন আহমদের নিষ্করুণ হত্যাকাণ্ড এবং সেই অস্থির সময়পরিসরের ঘটনাধারা সে সৌভাগ্য থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছে। সেই শূন্যতা কখনো পূরণ হবে না। কিন্তু তাঁর স্বহস্তে লেখা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের নোট সেই গাঢ় অন্ধকারের মধ্যে একচিলতে আলোর মতো। এখান থেকে আমরা এমন কিছু তথ্য পাব, যা বহু ঘটনার ওপরে নতুন আলো ফেলবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

বস্তুত আমাদের হাতে তাজউদ্দীন আহমদের স্বহস্তে লেখা নোট আছে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত। ভবিষ্যতে আমাদের তা বই আকারে প্রকাশ করার পরিকল্পনা আছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা–পরবর্তী প্রথম তিনটি বছরকে তা নতুন করে আমাদের সামনে হাজির করবে বলে আমরা আশা করি।

তাজউদ্দীন আহমদ দিনপঞ্জি লিখতেন ইংরেজি ভাষায়। এসব নোটও সেভাবেই লিখেছেন। তবে দেশ স্বাধীন হয়ে যাওয়ার পর তিনি লেখালেখির জন্য ফিরে এসেছিলেন বাংলা ভাষায়। বাকি নোটগুলো বাংলাতেই লেখা।

তাজউদ্দীন আহমদের এসব নোট প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফও দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সংগ্রহে রেখে দিয়েছিলেন। তাঁর এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে এত দিন পর তা পাঠকের সামনে আসছে। নোটের অনুবাদক শেখ সাবিহা আলমকে ধন্যবাদ জানাই হস্তাক্ষর থেকে পাঠোদ্ধার করে তা অনুবাদ করার জন্য। নোটগুলোর টীকা তৈরি করে দিয়েছেন রাশেদুর রহমান। তাঁকেও ধন্যবাদ।

কার্যনির্বাহী কমিটির সভা

২০.১০.৭১.

সকাল ১১টা

১. পরামর্শক কমিটি—কীভাবে এবং কোন প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছিল।

২. জনাব আজিজুর রহমান আক্কাসসহ আরও কয়েকজন প্রতিনিধিদের ওপর নজরদারি করার জন্য জনাব মজুমদারকে জনাব এ খালেক নিয়োগ দিয়েছেন।

৩.

২১.১০.৭১

সকাল ১০টা ৩০ মিনিট

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

১. বাংলাদেশের ভেতরে থাকা সাড়ে ৬ কোটি মানুষের জন্য কর্মসূচি।

২. ৯০ লাখ শরণার্থীর কাজের ব্যাপারে কর্মসূচি।

৩. মুক্তিযোদ্ধাদের রাজনৈতিক উদ্দীপনার এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কাঠামোতে তাঁদের ফলপ্রসূ আত্তীকরণের জন্য কর্মসূচি।

জনাব রাজ্জাক

১. মুজিব বাহিনী।

২. কমিউনিস্টদের কার্যকলাপ, মুক্তিবাহিনীর লুটপাট, ন্যাপের ক্যাম্প, আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবী লীগের কর্মী খুন, সেক্টর কমান্ডারদের আচরণ।

৩. ভারতীয় সেনা কর্মকর্তারা বলেছেন: পাক সেনাবাহিনী > গেরিলা > ভারত

৪. বিভিএসসি৩

৫. আল মুজাহিদী

৬.

অননুমোদিত নিয়োগ

জনাব ওবায়েদ আর.

১. প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ভাষাগত সমস্যা হচ্ছে।

২. পুনর্নিয়োগ: যথাযথ যাচাই-বাছাই হচ্ছে না।

 জনাব মমিন তালুকদার

১. মুজিব বাহিনী—আওয়ামী লীগের কর্মীসহ পাঁচজনকে হত্যা করেছে—উল্লাপাড়া।

২. দুজন কেরানি—বি. ক্যাম্প—ভাসানী গ্রুপের

৩. যথাযথ সূত্রের বরাত ছাড়া বিবৃতি না ছাপতে সংবাদপত্রগুলোকে অনুরোধ জানাতে হবে।

৪. প্রচারণাসামগ্রী ছাপাতে হবে এবং ভেতরে পাঠাতে হবে।

৫. উপনির্বাচন প্রতিহত করতে হবে।

 জনাব নুরুল ইসলাম মঞ্জুর

১. লিবারেশন কাউন্সিল।

২. সশস্ত্র বিভাগের দায়িত্ব যোগ্য মানুষ অথবা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের হাতে দিতে হবে।

৩. সাধারণ সম্পাদকের অন্তত যেকোনো একটা পদে ইস্তফা দেওয়া উচিত।

জনাব শামসুল হক

১. মাসে একবার কার্যনির্বাহী কমিটির সভা ডাকা।

২. তলবি সভা কেন?

৩. অনেক প্রশ্ন—হিসাবের গোলমালের জন্য কে দায়ী?

৪. শেখের গ্রেপ্তারের জন্য সাধারণ সম্পাদক দায়ী।

৫. সাধারণ সম্পাদক বললেন: নিয়োগের জন্য চারজন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পার্থক্য করা হলো কেন?

৬. এস আলম খান বলেন: বাংলাদেশ সরকার, এমএনএ আর এমপিএদের মধ্যে ফারাক করতে পারছে না কেন?

৭. এস আলম খান: সাদেক খান প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব।

৮. শেখ ফজলুল হক মণি—এ পর্যন্ত ভারতের স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি। টিএ৮ এখনো পিএম৯। তিনি কোনো অদৃশ্য সরকারের হাতে পরিচালিত হচ্ছেন।

৯. বিদেশি প্রতিনিধিদল—কর্মীবৃন্দ।

১০. যানবাহন।

১১. ক) তরুণ—শুধু আগরতলাতেই ১১০০ জন জেলবন্দি।

—ওদের শনাক্ত ও মুক্ত করার কর্মসূচি।

—এই উদ্দেশ্যে একটা কমিটি গঠন করা দরকার।

খ) শিবির রক্ষণাবেক্ষণ—শরণার্থীদের চেয়ে ৪০ পয়সা বাড়তি বরাদ্দ সত্ত্বেও খাদ্যের জন্য ছেলেরা কষ্ট করছে।

১২. বিভিএসসি—আওয়ামী লীগকে সম্পৃক্ত করতে হবে।

১৩. কার্যনির্বাহী কমিটির মাধ্যমে জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীতের অনুমোদন করাতে হবে।

১৪. ডাকমাশুল—হিসাব–নিকাশ—?

তরুণদের ক্যাম্পের জন্য ১৪,৫০,০০০ টাকা?

জনাব রশীদ১০

১. বাংলাদেশের কোষাগার ও বিদেশ থেকে আসা টাকার হিসাব–নিকাশ

অনুসন্ধান কমিটি—

১) প্রধানমন্ত্রী

২) এম শামসুল হক

৩) অধ্যাপক ইউসুফ আলী

৪) জনাব এ রশীদ

৫) জনাব মতিউর রহমান

২. রমজানের আগে ছেলেদের থাকা এবং রেশনের বিষয় চূড়ান্ত করা।

৩. সাত দিনের মধ্যে শীতের কাপড়।

৪. প্রতি মাসের প্রথম রোববারে কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক।

জনাব আজিজুর রহমান আক্কাস১১

১. আওয়ামী লীগ–নেতাদের পারস্পরিক কাদা ছোড়াছুড়ি অবশ্যই বন্ধ করা জরুরি।

২. ইবিআর, ইপিআর প্রভৃতি প্রতি মাসে ৭৫ টাকা—তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারীরা পুরো বেতন পাবেন। গুরুত্বপূর্ণ

৩. মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা বাদে অন্য কর্মকর্তারা সক্রিয় হননি কেন?

৪. যেসব ক্যাম্প শুধু চালই পেয়েছে খাবার রান্নার আরও সরঞ্জামের কিনতে তাদের আরও টাকা লাগবে।

৫. কল্যাণী থেকে বাজারে ওষুধ আর হরলিকস বিক্রি হচ্ছে।

৬. করিমপুর—কর কর্মকর্তারা?

৭. ক) আসহাবুল হক—কুষ্টিয়া জেলার টাকা ও সোনা

খ) আক্কাসকে গ্রেপ্তার করে পাঠাতে হবে = মেজর ওসমান। ড. আসহাবুল হক।

= তদন্ত ও ব্যবস্থা অত্যাবশ্যক।

৮. এমএফ১২ ও এফএফের১৩ মধ্যে রেশনের ফারাক।

৯. এফএফদের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য  আওয়ামী লীগ নেতাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ।

১০. আওয়ামী লীগকে সাড়ে তিন মাসেও কেন সক্রিয় করা গেল না?

মিসেস বি এন আহমদ১৪

১. এগারোটি অঞ্চলের প্রতিটিতে এক হাজার নারীর বসবাসের পৃথক ব্যবস্থা।

 জনাব নুরুল হক১৫

১.  আওয়ামী লীগের জেলাওয়ারি কর্মীদের অর্থসহায়তা দেওয়া হবে। দেশের ভেতরে  আওয়ামী লীগের যে কর্মীরা কাজ করেছেন তারা তালিকা তৈরি করবে।

২. সর্বস্তরে ‍মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশনা দেবে রাজনৈতিক কমিটি।

৩. শীতে যুদ্ধের মাত্রা বাড়াতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?

৪. আমলাতন্ত্রের কর্তৃত্বপরায়ণতা।

৫. যেকোনো ধরনের বৈদেশিক সাহায্য সরকারের জ্ঞাতসারে সঞ্চালন করতে হবে।

৬. পূর্বাঞ্চলের সেক্টরগুলোতে আর কোনো অভ্যর্থনাকেন্দ্র বা বা ইয়ুথ ক্যাম্প খোলা হবে না।

৭. সরকারের তহবিলের হিসাব–নিকাশ উপস্থাপন করতে হবে।

৮. সরকারি তহবিল বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

৯. বিএলএফ১৬–বিডিএফের সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ কাজ শুরু করা দরকার।

জনাব এ সামাদ১৭

১. কার্যনির্বাহী কমিটির বিবেচনার জন্য আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করার একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করা প্রয়োজন।

জনাব মোশাররফ হোসেন১৮

১. প্রতিটা সেক্টরে একটি করে ব্লাডব্যাংক। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এটা সম্ভব নয়।

২. চাঁপাবেড়িয়া শরণার্থী শিবির—কর্মীদের সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটির কারণে রেশন স্থগিত।

৩. ডাক্তার আফতাবউদ্দিন আহমেদ এমপিএ—এমপিএ ও চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে দ্বিগুণ বেতন।

৪. যশোরের মুক্তাঞ্চল—ত্রাণ ও ওষুধ দরকার।

৫. কিউ জামান এমএনএর শিক্ষক সংগঠন।

৬. সৈয়দ আহমেদ; বিএলএফ—ক্যাপ্টেন হুদার হাতে গ্রেপ্তার।

৭. রেডিও—পিএম, জগজীবন রাম, ২৫০০ … (অস্পষ্ট)

জনাব এ এম উকিল১৯

১. অনৈক্যের বীজ—আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বাইরে মুজিব বাহিনীর চারজন নেতাকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে।

২. পরামর্শক কমিটি—কেন?

জনাব ও আর২০

১. সেক্টর কমান্ডাররা এলওকে২১ গুরুত্ব দিচ্ছে না।

২. এলওর মাধ্যমেই গেরিলা নেতৃত্ব নির্ধারিত হওয়া উচিত।

৩. প্রশিক্ষণ দেওয়া ৬১ কর্মকর্তার যাচাই-বাছাই আবশ্যক।

—সদ্য নিয়োগ পাওয়া ক্যাডেটদের যাচাই-বাছাই আবশ্যক।

৪. ২ নং সেক্টর কমান্ডারকে বদলি করতে হবে।

৫. অবাধ্য কমান্ডারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত।

৬. মেজর শওকতের পদত্যাগ—কেন?

জনাব শেখ এ আজিজ২২

১. কার্যনির্বাহী কমিটির সংযুক্তি সভার প্রতিবেদন তৈরির জন্য একটি কমিটি।

জনাব এ আর সেরনিয়াবাত২৩

১. কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কমিটি গঠন

জনাব ময়েজ উদ্দিন২৪

জনাব আর উদ্দিন ভূঁইয়া২৫

১. শহীদদের পরিবারেরা ত্রাণ পায়নি—কেন?

২. সিএএর মাধ্যমে ত্রাণের ব্যবস্থাপনা করা উচিত।

৩. একটি কমিটি: ১) চেয়ারম্যান, আঞ্চলিক কাউন্সিল, ২) বেসামরিক কার্যক্রমবিষয়ক উপদেষ্টা, এবং ৩) মেজর।

(ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট) সৈয়দ নজরুল ইসলাম

* সর্বব্যাপী সংকটের মুখে বাংলাদেশের সব মতাদর্শী জনগণের মধ্যে শক্তিশালী ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন, ভারতের যেমনটা ছিল।

জনাব নুরুল হক

* বিভিন্ন এজেন্সি ও মিশনের এবং টাকা যেখানে অসত্য বলে সেখানকার সব সংগৃহীত টাকার হিসাব রাখা উচিত।

অন্যান্য

* পাট, চা ইত্যাদি কৃষিজাত পণ্যের ভবিষ্যৎ কী?

 শেখ আবদুল আজিজ

১. আসন্ন যুদ্ধ মাথায় রেখে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো শুধু মন্ত্রিপরিষদের হাতে না ছেড়ে এসব বিষয়ে কার্যনির্বাহী কমিটির সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত:

ক) অভ্যর্থনা শিবিরের ১০২ তরুণের ভবিষ্যৎ কী হবে।

খ) আওয়ামী লীগের নেতারা তাদের কর্মীদের কী কী নির্দেশনা দেবেন।

গ) যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব কেবল মন্ত্রিপরিষদের নেওয়া উচিত হবে না, কারণ স্বাধীনতার সংগ্রাম কত দিন চলবে তা কারও জানা নেই।

ঘ) সাধারণ মানুষ বা এফএফদের কোনো সময়সীমার কথা ঘোষণা করা ঠিক হবে না—দীর্ঘায়িত যুদ্ধ হতাশার ছায়াপাত ঘটাবে।

ঙ)  আওয়ামী লীগ আর মুক্তিযোদ্ধাদের ভেতর চারটি ঘাঁটি তৈরি করা দরকার।

 কে এম ওবায়দুর রহমান

১. অভিযানে প্রাণহানি নিয়ে সেক্টর কমান্ডার–২–এর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ওঠেনি।

২. মেজর শওকত আলী পদত্যাগ করেছেন—(ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে)।

৩. মেজর জলিল সেক্টর কমান্ডার–৯—বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা  আওয়ামী লীগের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৪. সেক্টর–৮–এর কমান্ডার—জানা ছিল না, কিন্তু জার্মানি থেকে আনা হয়েছে? এবং মেজর ওসমানের পরিবর্তে সেক্টর–৯–এর কিছু অংশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী২৬

১. ঘণ্টাখানেক অপেক্ষার পরও, অগ্রিম আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও সেক্টর কমান্ডার–২ আসেননি। তাঁর উসকানিতে ভাষণ দেওয়ার সময় জওয়ানেরা এ প্রশ্ন করেছে যে আওয়ামী লীগ তাদের জন্য কী করেছে।

২. তাঁর বাহিনী ইয়াহিয়ার বাহিনীর মতো ধর্ষণসহ সব ধরনের অপকর্মে যুক্ত। চাঁদপুর মহকুমায় তারা ডাকাতি, লুট ও ধর্ষণ করেছে।

৩. এমবির২৭ আচরণবিধি সম্পর্কিত আইন জারি করা উচিত।

৪. সিএএর ক্ষমতা ও কার্যক্রমের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা থাকা আবশ্যক।

৫. ‘ছেলেদের’ সঙ্গে …(অস্পস্ট)–এর আচরণ বৈষম্যমূলক।

৬. ক্যাপ্টেন হায়দারের প্রশিক্ষণার্থীরা—তাদের অর্ধাংশই আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দেয়নি।

৭. নিষ্ঠুরভাবে শুল্ক আদায় করা হয়েছে—অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। লুট করা জিনিসপত্র ভাগজোগ করা হয়েছে এবং পুরো বিষয়টাই ধামাচাপা দিয়েছে।

৮. প্রশিক্ষণার্থী এবং প্রদত্ত অস্ত্রশস্ত্রের হিসাব সেক্টর কমান্ডার ছাড়াও রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে থাকতে হবে।

৯. রাজনৈতিক নেতৃত্বের হাত দিয়ে ভাতা পরিশোধ করতে হবে।

১০.  আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অনুমোদন ছাড়া কাউকে হত্যা করা উচিত হবে না।

১১. এসএল প্রশিক্ষণার্থী,—আমাদের ছেলেদের দায়িত্ব  আওয়ামী লীগকে নিতে হবে।

১২. প্রতিটা সেক্টরে হাসপাতালের ব্যবস্থা।

১৩. রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা।

১৪. ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্যদের ভাতা দিতে হবে।

১৫. ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্তব্য বিবেচনা করা উচিত। যতটুকু ভূমি আমরা দখল করতে পেরেছি, তা হাতছাড়া হতে দেব না।

১৬. অস্থায়ী সংবিধান দেওয়া উচিত।

জনাব এম এ হান্নান২৮

১. সিএএ তাদের ক্ষমতা ও কার্যক্রম সম্পর্কে লিখিত নির্দেশ পেয়েছে এবং তা মানা উচিত।

২. নিয়মিত যোদ্ধাদের দলীয় আদর্শে দীক্ষিত করার দরকার নেই—অনিয়মিতদের উদ্দীপনা জোগাতে হবে।

৩. নৌ–কমান্ডারদের দ্বিতীয় দলটিকে বিএলএফ সাহায্য করেনি, বরং নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

৪. আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্পর্কে বিএলএফ কুৎসা রটাচ্ছে।

৫. সাব্রুম এলাকায় ওষুধের সংকট—অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন।

৬. ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্তরা ১৫০ টাকা করে পাবে—এটা কমিয়ে ৫০ টাকা করা যাবে না।

৭. গেরিলাযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের গেরিলাযুদ্ধে প্রশিক্ষিত করতে হবে।

৮.  আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির মাসে একবার আঞ্চলিক সদর দপ্তরে বৈঠকে বসা উচিত।

জনাব এন আই মঞ্জুর২৯

১. থানা পর্যায় পর্যন্ত মুক্তি কাউন্সিল—দলের সদস্যরা কাউন্সিল গঠন করবেন।

 জনাব এ এইচ এম কে জামান৩০

উপকমিটির পরামর্শ কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

জনাব এম এ মান্নান৩১

১. উপকমিটির প্রতিবেদনে কোনো পরিকল্পনার বিবরণ নেই—শুধু ‘এই করা উচিত’ ইত্যাদি লেখা।

২. ‍এমবিতে একক কর্তৃত্বের অভাব

—বিএলএফ প্রসঙ্গে কোনো কথা নেই।

৩. ২৫ মার্চ ১৯৭১ পর্যন্ত যে ঐক্য ছিল তা আজ অনুপস্থিত—এটা একটা তিক্ত সত্য।

—মন্ত্রিপরিষদে ঐক্য নেই—শুধু কর্মীদের ঐক্য দিয়ে চলবে না।

৪. ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত মনমানসিকতার পরিবর্তন দরকার।

৫. বাংলাদেশের টাকা একজন ব্যক্তির হিসাবে জমা—হঠাৎ তাঁর মৃত্যু হলে জনগণের টাকার কী হবে?

জনাব শেখ এ আজিজ

১. উপকমিটির প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার সময় কিছু বিষয় গেছে।

জনাব এ আর আক্কাস৩২

১. কর্মকর্তারা প্রথমে বলবেন তাঁদের কাছে সংগঠনের প্রত্যাশা কেন তাঁরা পূরণ করতে পাচ্ছেন না।

জনাব জি এম সারওয়ার৩৩

১. ইপিএল ও এপিএএল, এই দুই প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে তালগোল পাকানো হলো?

জনাব মতিউর রহমান৩৪

১. প্রতিবেদনটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আলোচনা করা উচিত।

জনাব এম মনসুর আলী৩৫

২৮.১০.৭১

বেগম এন মুরশিদ৩৬

১. মুক্তিযুদ্ধের পর অবাঙালি জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা জাতীয় নানা সংকট।

বেগম বি আহমদ৩৭

১. এমএ, এলএলবি এক নারী পিএমের সার্ভিস পাননি, কারণ তিনি নারী।

জনাব কেএইচ এম আহমদ৩৮

১. কার্যনির্বাহী কমিটিতে তোলা ছোটখাটো বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকেই জানানো উচিত।

২. জনাব এম রাম পদত্যাগ করেছিলেন—তিন বছর আগে—কিংবা দুর্নীতির দায়ে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

জনাব এ এইচ এম কে জামান

 জনাব মতিউর রহমান

১. এমএনএ এবং এমপিএরা আওয়ামী লীগ নন?

২. সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় আওয়ামী লীগের কর্মীদের পারিশ্রমিক মেটানো উচিত।

মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রশাসনের বিন্যাস

১. বিএলএফ—মাখন, এন এ সিদ্দিকী, রব, শাহজাহান সিরাজ

২. ঐক্য অবশ্যই দৃশ্যমান হতে হবে—

৩. উপকমিটি—

৪. এফআরআর অফিস—

৫. আমার স্বাক্ষরের বৈশিষ্ট্য

৬. প্রশিক্ষণ—বাছাই

৭. পরামর্শক কমিটির সভা

৮. শরণার্থী, তরুণ ও এফএফদের জন্য শীতের কাপড়

৯. মুক্তাঞ্চলে প্রশাসন ও জোগান

১০. এমবির লুটপাট

১১. আর্থিক কেলেঙ্কারি

১২. সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স ও যুগোস্লাভিয়া ইত্যাদি রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন

১৩. ডাক

১৪. নারী ও স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

—সাজেদা চৌধুরী, আবাসিক পরিচালক

১৫. … (অস্পষ্ট)–এর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন—তাঁকে ভুল ধারণা কেন দেব?

—শেখ সাহেবের সম্পর্ক ন্যাপের সঙ্গে … (অস্পষ্ট) থেকে এবং মাওলানার সঙ্গে মার্চ ’৭১ থেকে—সব দল সমর্থন করেছিল।

—আঞ্চলিক কাউন্সিল গঠন—কোথাও কোথাও বিলম্বিত হয়েছে—উদ্দেশ্য—

—মণির ছেলেপেলেদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে—ন্যাপের সদস্যদের কী খবর?

তথ্যসূত্র

 ১. ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে নিহত।

২. জনাব রাজ্জাক: আবদুর রাজ্জাক। ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর অন্যতম কমান্ডার।

৩. বিভিএসসি: জানা যায়নি।

৪. জনাব ওবায়েদ আর.: কে এম ওবায়দুর রহমান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতায় আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয় পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন।

৫. জনাব মমিন তালুকদার: আবদুল মমিন তালুকদার। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বৃহত্তর পাবনা–৩ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত।

৬. জনাব নুরুল ইসলাম মঞ্জুর: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী। ১৯৭৫ সালের জুলাইয়ে অপসারিত। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর মোশতাকের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী। পরে বিএনপিতে যোগ দেন।

৭. জনাব শামসুল হক: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত।

৮. টিএ: তাজউদ্দীন আহমদ।

৯. পিএম: প্রাইম মিনিস্টার বা প্রধানমন্ত্রী।

১০. জনাব রশিদ: মো. আবদুর রশিদ। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত।

১১. জনাব আজিজুর রহমান আক্কাস: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত।

১২. এমএফ: মুক্তিফৌজ।

১৩. এফএফ: ফ্রিডম ফাইটার।

১৪. মিসেস বি এন আহমদ: বেগম বদরুন্নেছা আহমদ। ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য। মুক্তিযুদ্ধকালে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৫. জনাব নুরুল হক: মো. নুরুল হক। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য নির্বাচিত।

১৬. বিএলএফ: বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স, মুজিব বাহিনীর আনুষ্ঠানিক নাম।

১৭. জনাব এ সামাদ: আবদুস সামাদ আজাদ। ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম সংগঠক।

১৮. জনাব মোশাররফ হোসেন: পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দিনাজপুর ১–এর মোশাররফ হোসেন চৌধুরী অথবা ময়মনসিংহ ৬–এর মোশাররফ হোসেন আজাদ।

১৯. জনাব এ এম উকিল: আবদুল মালেক উকিল। ১৯৭০ সালে নোয়াখালী-৪ আসন থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাহায্য ও পুনর্বাসন কমিটির সদস্য।

২০. জনাব ও আর: কে এম ওবায়দুর রহমান। ৪ নং টীকা দ্রষ্টব্য।

২১. এলও: জানা যায়নি।

২২. শেখ এ আজিজ: শেখ আবদুল আজিজ। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে ৯ নম্বর সেক্টরে বাংলাদেশ সেক্টরের প্রতিনিধি (লিয়াজোঁ অফিসার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২৩. জনাব এ আর সেরনিয়াবাত: আবদুর রব সেরনিয়াবাত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত।

২৪. জনাব ময়েজ উদ্দীন: মো. ময়েজ উদ্দিন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত।

২৫. জনাব আর. উদ্দীন ভূঁইয়া: পরিচয় জানা যায়নি।

২৬. জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরী: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

২৭. এমবি: সম্ভবত মুজিববাহিনী। মুক্তিবাহিনীও হতে পারে।

২৮. জনাব এ হান্নান: এম এ হান্নান। মুক্তিযুদ্ধকালে হরিনা যুব শিবির প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন।

২৯. জনাব এন আই মঞ্জুর: নুরুল ইসলাম মঞ্জুর। ৪ নং টীকা দ্রষ্টব্য।

৩০. জনাব এ এইচ এম কে জামান: এ এইচ এম কামারুজ্জামান বা আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী।

৩১. জনাব এ মান্নান: আবদুল মান্নান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের সংবাদপত্র, তথ্য, বেতার ও চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান। মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র সাপ্তাহিক জয়বাংলা পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি।

৩২. জনাব এ আর আক্কাস: আজিজুর রহমান আক্কাস। ১১ নং টীকা দ্রষ্টব্য।

৩৩. জনাব জি এম সরওয়ার: গোলাম মুস্তফা সারোয়ার। ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। মুক্তিযুদ্ধকালে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

৩৪. জনাব মতিউর রহমান: ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত।

৩৫. জনাব এম মনসুর আলী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

৩৬. বেগম এন মুরশিদ: নূরজাহান মুরশিদ। নারী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও রাজনীতিবিদ। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে আইন পরিষদ সচিব। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতের সংসদের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন।

৩৭. বেগম বি আহমদ: বেগম বদরুন্নেছা আহমদ। ১৪ নং টীকা দ্রষ্টব্য।

৩৮. কেএইচ এম আহমেদ: খন্দকার মোশতাক আহমদ। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ঈদ ঘিরে কাপড়ের ব্যবসায় মন্দাভাব
  • ৭০০ ব্যান্ডের নিলাম: বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের জবাব দিল সরকার
  • তাজউদ্দীন আহমদের স্বহস্তে লেখা মুক্তিযুদ্ধের অজানা দলিল: আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সারসংক্ষেপ