Samakal:
2025-04-03@03:09:21 GMT

কবি হেলাল হাফিজকে নিয়ে নাটক

Published: 25th, February 2025 GMT

কবি হেলাল হাফিজকে নিয়ে নাটক

সদ্য প্রয়াত কবি হেলাল হাফিজের জীবনেরও একটি অধ্যায় আছে, চোখে জল আনা সে অধ্যায়। দ্রোহ ও প্রেমের কবির সেই অদেখা অধ্যায় এবার পর্দায় তুলে এনেছেন নির্মাতা রুবেল আনুশ।

‘কি যেন ভুলতে চেয়েছিলাম’ নামে নাটকটি পরিচালনার পাশাপাশি রচনাও করেছেন তিনি। চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন আব্রাহাম তামিম। এতে দেখা যায়, কিশোর হেলাল হাফিজ প্রেম করতেন হেলেন নামে এক কিশোরীর সঙ্গে। নেত্রকোনায় তারা প্রতিবেশী ছিলেন। দারোগার মেয়ের সঙ্গে স্কুলশিক্ষকের ছেলের প্রেম মেনে নেননি দারোগা বাবু। মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেন এক সিনেমা হলের মালিকের সঙ্গে ঢাকায়। হেলাল হাফিজও চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে। তাঁর একমাত্র কবিতার বই বের হয়। নাম ‘যে জলে আগুন জ্বলে!’ হেলেনের স্বামী বইমেলা থেকে বইটি কিনে হেলেনকে উপহার দেন। হেলেন দেখেন পুরো কবিতার বইজুড়ে কবির আকুতি; তাঁকে না পাওয়ার। এভাবে এগিয়ে যায় গল্প।

নাটকটিতে হেলাল হাফিজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুনায়েদ আহমেদ বোগদাদী ও প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তন্নি মাহমিদ তৃণা। নাটকটি সম্প্রতি গ্লোবাল টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত হয়েছে।   
 

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ