পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে হাইকোর্ট অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন তারা। সাড়ে ১২টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট ফটকে পুলিশ তাদের আটকে দেয়।

মেডিকেল সহকারীরা 'ডাক্তার' উপাধি ব্যবহার করার চেষ্টা করছে, এমন অভিযোগে কয়েকশ ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থী এই বিক্ষোভে অংশ নেন।

তাদের অভিযোগ, ২০১৩ সালে মেডিকেল সহকারীরা 'ডাক্তার' উপাধি ব্যবহারের অধিকার চেয়ে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। ১১ বছর ধরে মামলাটি বিচারাধীন। এরপরও আইনি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে মেডিকেল সহকারীরা অবৈধভাবে এই উপাধি ব্যবহার করছেন।

এই রিটের ব্যাপারে আজ মঙ্গলবার হাইকোর্ট আদেশ দেবেন বলে জানা গেছে।

তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, 'ডাক্তার' পদবি শুধু এমবিবিএস এবং বিডিএস ডিগ্রিধারীদের জন্য সীমিত রাখা। দ্রুত ১০ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ এবং বিসিএসের চাকরিতে প্রবেশ বয়সসীমা ৩৪ বছর করা।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

কবে মাঠে ফিরবেন তামিম, জানালেন চিকিৎসক

বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবাল আগের তুলনায় ভালো অনুভব করছেন। আজ সকালে কেবিনে একজনের সহায়তায় হাঁটার চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শারীরিক অবস্থা ‘আশাব্যঞ্জক’ হলেও বর্তমানে তাকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা ঝুঁকিপূর্ণ।  

তামিমকে মাঠে ফিরতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তত তিন মাস। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই থাকবে তার পরবর্তী সিদ্ধান্ত। যদি শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে যায় এবং মেডিকেল বোর্ড অনুমতি দেয়, তবেই খেলার জন্য ফিরতে পারবেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।  

আজ (মঙ্গলবার) সাভারের কেপিজে হাসপাতালে তামিমের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।  

‘তামিমের শারীরিক অবস্থা আশাব্যঞ্জক। তবে তার চিকিৎসায় কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। যে রিং পরানো হয়েছে, সেটির কার্যকারিতা নিয়েও অনিশ্চয়তা থাকতে পারে। তাই আপাতত তাকে স্থানান্তর করা নিরাপদ নয়’, বলেন ডা. আবু জাফর।  

তিনি আরও জানান, ‘আগামী তিন মাস তামিম পর্যবেক্ষণে থাকবেন। তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি বা অবনতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি সবকিছু স্বাভাবিক থাকে, তাহলে মেডিকেল বোর্ডের অনুমতি সাপেক্ষে তিনি খেলায় ফিরতে পারবেন।’  

তামিমের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে ধারণা দিয়ে ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে তিনি স্বল্প দূরত্বে হাঁটতে পারবেন, তবে কারও সহায়তা থাকা জরুরি। ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি চাইলে ভালো কোনো চিকিৎসাকেন্দ্রে যেতে পারেন। সাধারণত পাঁচদিন পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে আরও সাত দিন তাকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।’

চিকিৎসকদের মতে, পূর্ণ সুস্থতার জন্য তামিমকে ধাপে ধাপে রিহ্যাবিলিটেশন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। তার শরীরের ওপর বাড়তি চাপ না দিয়েই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • কবে মাঠে ফিরবেন তামিম, জানালেন চিকিৎসক